• চিকিৎসা সহায়ক

September 17, 2014 8:55 pm

প্রকাশকঃ

লেখকঃ Rajjohin Rajputro

মেডিসিনে যত পেশেন্ট ভর্তি হয় ,তার বিশ থেকে ত্রিশ শতাংশ থাকে স্ট্রোক ।প্রত্যেক ঘরে ঘরে স্ট্রোক পেশেন্টের রোগী থাকে ।অতি গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল এই রোগটি সম্পর্কে শুরু করলে দিনের পর দিন লেকচার দেওয়া যায় ।আজকে শুধুমাত্র খুব সরলীকৃত করে স্ট্রোক পেশেন্ট এর এসেসমেন্ট ও কেয়ার সম্পর্কে দুকথা এমনভাবে লিখছি যেন ফিফথ ইয়ার থেকে উপরের পর্যায়ের যেকেউ এটা দেখে আইডিয়া নিতে পারেন ।

যখন একজন পেশেন্ট হেমি/মনোপ্লেজিয়া/কোয়াড্রিপ্লেজিয়া/ডিসফাসিয়া/ডিসআর্থিয়া (কমন প্রসেন্টেশন অফ স্ট্রোক) নিয়ে আসেন অথবা ইমেজিং এ স্ট্রোক ডায়াগনসিস হয় তখন রোগীর দিকে তাকিয়ে খেয়াল করুন

জিসিএস :আইডিয়ালী স্ট্রোকের পেশেন্টের জিসিএস করতে হয় মটর ও আই রেসপন্স দেখে(10) ।কেননা ব্রোকাস এরিয়াতে স্ট্রোক হলে পেশেন্ট যদি ফুল একটিভ ও থাকে কিন্তু কথা বলতে পারবেনা ।

পিউপিল :পিউপিল যদি পিনপয়েন্ট হয় সাথে পেশেন্টের জ্বর থাকে ,আনকনসাস হয় ,তখন প্যাথোলজী পন্সে চিন্তা করতে হবে ।এধরনের পেশেন্টের ঝুঁকি বেশী ।

পিউপিল যদি একদিকে ডায়ালেটেড হয় সাথে টোসিস থাকে ,এক্সট্রাঅকুলার মাসল প্যারালাইসিস থাকে তাহলে লেসন মিডব্রেইনে ।এটাও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ।দুইক্ষেত্রেই কাউন্সিলিং স্ট্রংলী করুন ।

ফেইস :যদি মুখ যেদিকে স্ট্রোক সেদিকে বেঁকে যায় ,মানে লিম্ব দুর্বলতার অপসিটে তাহলে আপার মটর টাইপ ।এটা ইনডিকেট করে লেসন পন্টোমেডুলারী জাংশনের ওপরে এবং এটা রিলেটিভলী সেফ ।যদি মুখ যেদিকে স্ট্রোক তার অপরদিকে বেঁকে যায় মানে লিম্ব দুর্বলতার দিকে তাহলে লোয়ার মটর টাইপ(মিলার্ড গুবলার) ।এক্ষেত্রে জোর কাউন্সিলিং মাষ্ট ।

পালস :পালস প্রধানত আপনাকে দুটা ক্লু দেয় ।যদি পালস ইরিগুলার হয় তাহলে এটা খুব লাইকলী যে এট্রিয়াল ফিব্রিলেশন থেকে থ্রম্বাস ছুটে যেয়ে স্ট্রোক করেছে এবং ম্যাক্সিমাম চান্স ইনফার্কটিভ ।পালস যদি ষাট এর নিচে হয় তাহলে বুঝতে হবে আইসিপি বাড়ছে এবং পেশেন্টকে ম্যানিটল দেওয়া লাগতে পারে ।

চেষ্ট :স্ট্রোক এর পেশেন্টদের ফ্যারিন্জীয়াল উইকনেস হয় ।অনেকসময় খাদ্য লাংসে চলে যায় ।এটাকে এসপিরেশন নিউমোনাইটিস বলে এবং লাংসে ক্রেবস পাওয়া যায ।এজন্য লাংস অসকালটেট করে দেখুন ক্রেবস আছে কিনা ।পেলে মেট্রো ও কো এমক্সিক্লাভ শুরু করুন ।চেক করুন পেশেন্ট খেতে পারে কিনা ।না পারলে এনজী টিউব দিন ।টিউব পজিশনে আছে কিনা চেক করুন ।বসিয়ে খাওয়াতে বলুন ।তরল খাদ্য প্রিফারেবল ।

জ্বর :স্ট্রোকের পেশেন্টের জ্বর অনেকভাবে হতে পারে ।পন্সে যদি স্ট্রোক হয় অথবা চেষ্ট ইনফেকশন অথবা ডিভিটি অথবা বেডসোর ,সবগুলোতে জ্বর হতে পারে ।মনে রাখবেন জ্বর ও হাইপোগ্লাইসেমিয়া স্ট্রোক এগ্রাভেট করে ।তাই সবসময় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন ।গা স্পন্জ করুন ,প্যারাসিটামল ইউজ করুন ।

হার্ট :ডাটা বলে প্রত্যেক তিনজন স্ট্রোকের একজনের হার্টে প্রবলেম থাকে ।প্রত্যেকের রুটিন ইসিজি করুন ।ইসকেমিয়া থাকলে ম্যানেজ করুন ।মার্মার আছে কিনা দেখুন ।মার্মার থাকলে বুঝতে হবে ওখান থেকে থ্রম্বাস ব্রেইনে যেয়ে ইনফার্কশন করেছে ।

বিপি :প্রথম সাতদিনে বিপি বেশী থাকলে অসুবিধা নেই (ব্যতিক্রম আছে) ।তাড়াতাড়ি প্রেসার নামানোর চেষ্টা করবেন না ।

রেসপিরেশন :রেসপিরেশন দেখে কিছু জিনিস আন্দাজ করা যায় ।যদি পেশেন্টের cheye stokes breathing -ঘন শ্বাস,কিছুক্ষণ বন্ধ আবার দ্রুত শ্বাস হয় ,এটা ইনডিকেট করে প্যাথলজী ব্রেইনস্টিমে ,এবং এটার প্রোগনোসিস খারাপ ।

ব্লাডার :ব্লাডার এর উপর কন্ট্রোল হারানো মানে প্যারাসেন্ট্রাল লবিউল এ প্যাথোলজী ।ক্যাথেটার দিন ।প্রতি একুশ দিন পর পর চেন্জ করুন ।ক্যাথাটার এন্ট্রি সাইট চেক করুন ।এন্টিবায়োটিক কাভারেজ দিন ।প্রয়োজনবোধে সিরিন্জে ক্যাথেটার আটকে ট্রায়াল দিন ,বোধ পায় কিনা ।বোধ পেলে ক্যাথেটার টেনে নিন ।

বেডসোর :প্রত্যেকদিন অক্সিপুট ,স্যাক্রাম ,ট্রকেন্টার** ,হীল ,ম্যালিওলাস চেক করুন ।দুঘন্টা পরপর কাত হয়ে শুতে বলুন ।নিউমেটিক বেড কিনতে বলুন ।স্কিনে ক্র্যাক থাকলে নিওমাইসিন পাউডার লাগান ।আর সোর থাকলে পারঅক্সাইড ও পভিডোন দিয়ে ড্রেসিং করুন ,ক্লিন্ডামাইসিন দিন ।

ডিভিটি :দেখুন প্যারালাইজড পা ফুলে গেছে কিনা ,কাফ মাসলে ব্যথা আছে কিনা ,ভেইন এনগর্জড কিনা ,হোমান সাইন পজেটিভ কিনা(ডরসিফ্লেক্সন অফ ফুট প্রোডিউসেস পেইন ইন কাফ) ।থাকলে ইমিডিয়েট কালার ডপলার করুন ,স্টকিংস দিন ।

কন্সটিপেশন :মনে রাখবেন বেডরিটেন পারসোনের কন্সটিপেশন হয় এবং কন্সটিপেশন স্ট্রোক এগ্রাভেট করে ।তাই পেশেন্টকে বাওয়েল সম্পর্কে আসক করুন ।পদক্ষেপ নিন ।

লিম্ব মুভমেন্ট :প্যারালাইজড অংশ মুভ করান ।পাওয়ার দেখুন রেগুলার ।এটেন্ডেটদের বলুন পাশে বসে গল্প না করে প্যারালাইজড পার্ট নাড়াতে যেভাবে আমরা স্বাভাবিক নাড়াই ।পেশেন্ট ও যতটুক পারবে নাড়াবে ।কমপক্ষে পনের মিনিট করে দিনে তিন বার ।

মাউথক্যাভিটি :দেখুন কোটিং আছে কিনা ।পরিস্কার কাপড় দিয়ে নিয়মিত মুখ মুছে দিন ।এন্টিফাংগাল ড্রপ অথবা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করুন ।

এবার আসুন সামারী করি

PUPIL(? constricted/dialated/normal/unilateral)

face(?daviated to same/opposite side)

temperature(?high/low)

mouth(?coating)

pulse(?irregular. ?bradycardia)

B.P (?high.)

lungs(?clear/crebs)

heart(?murmur)

bladder(?full)

pressure areas (?sored)

parlaized leg(?pain/calf tenderness/homan sign,stiffness?power improving or same?)

চাচা /চাচী ,ঘুম হয় ?পায়খানা ক্লিয়ার না কষা ?প্রসাবের বেগ পান না হয়ে যায় ?চিনতে পারেন সবাইকে ?আপনার নাম কি ??দেখি হাতটা ধরে টানেন তো …

N.B
সংক্ষিপ্ত ,সরলীকৃত ।

প্রশ্ন সাদরে আমন্ত্রিত ।

শেয়ার করুনঃ Facebook Google LinkedIn Print Email
পোষ্টট্যাগঃ cvd, stroke, কেয়ার, ম্যানেজমেন্ট, স্ট্রোক,

পাঠকদের মন্তব্যঃ ( 0)




Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Advertisement
Advertisement
.