ডিএএমসিতে চিকিৎসকদের সহযোগিতায় “ডায়াবেটিক ডক্টর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন”

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ৫ জুলাই ২০২০, রবিবার

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত চিকিৎসকদের জন্য এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে ডায়বেটিক এসোসিয়েশান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ফরিদপুর। হাসপাতালে কর্মরত সকল চিকিৎসকেরা তাদের পদ অনুসারে অর্থায়ন দিয়ে গঠন করেছে “ডায়াবেটিক ডক্টর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন”।

গত ২৭ জুন থেকে ডায়বেটিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটোর ত্বত্তাবধানে অফিসিয়ালভাবে কাজটি শুরু হয়। ইতোমধ্যেই হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য আলাদা ভাবে কিছু ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছে যেখানে কোনো চিকিৎসক কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। সেই সাথে যেসকল মেডিকেল অফিসার ডিউটিরত অবস্থায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌছে দেয়া হচ্ছে এই ফান্ডের মাধ্যমে এবং যারা পরিবার থেকে দূরে থাকেন তাদের জন্য ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও পৌছে দেয়া হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই রকম উদ্যােগের প্রশংসা করে ডায়বেটিক এসোসিয়েশান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন ছাত্র ডা. আবু বক্কর সিদ্দিকি বলেন, এইরকম একটা সময়ে যেখানে সবকিছুই বিপরীতে চলছে সেখানে এমন একটি উদ্যোগ আসলেই অনেক প্রশংসনীয়। তিনি ডায়বেটিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটো চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আপনারা বড়রা যদি আমাদের পাশে না থাকেন তাহলে আমাদের ছোটদের জন্য পথচলাটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। আমরা কেউই জানি না বিপদ কখন আমাদের দুয়ারে হানা দিবে, তাই সময় থাকতেই আমরা মানবিক হই একজন আরেকজন পাশে দাড়াই। ডাক্তার কমিউনিটি যদি এই বিপদের সময় একে অন্যের পাশে না থাকে তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে আর কোনদিনই তারা একসাথে দাড়াতে পারবে না। “

Silvia Mim

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Next Post

করোনার দিনগুলি - ১৬ | একজন কসাই (ডাক্তার) যখন বাবা

Sun Jul 5 , 2020
প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ৫ জুলাই ২০২০, রবিবার ডা. কিশোর কুমার চক্রবর্তী এসিস্ট্যান্ট সার্জন রেসিডেন্ট (ইএনটি এন্ড এইচএনএস) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউনিভার্সিটি হ্যাঁ, ঠিকই তো, ডাক্তাররা সত্যিই কসাই। তবে রোগীর প্রতি না, নিজেদের পরিবারের প্রতি। তাই তো নিজের ছোট মেয়েকে (বয়স চার মাস উর্ধ্ব) জন্মের পর শুধু একবারই কোলে নিতে পেরেছি। তারপর […]

সাম্প্রতিক পোষ্ট