Bangladesh Medical and Dental Council Act No XVI of 1980, on 9, 1980

Bangladesh Medical & Dental Council (BMDC):
Code of Medical Ethics:
১। সার্টিফিকেটঃ কোন মেডিকেল বা ডেন্টাল প্রোফেশনাল তার নিজ দায়িত্বে কোন ভুল তথ্য-সম্বলিত সার্টিফিকেট দিতে পারবেন না । যদি কোন প্রাকটিশনারের দেওয়া সার্টিফিকেট অসত্য, অযোগ্য হয় অথবা ভুল পথে প্ররোচিত করে তবে তিনি সাসপেন্ডের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে এবং তার নাম রেজিষ্ট্রার থেকে বাদ যাবে। এমন সার্টিফিকেট হতে পারে, জন্ম, মৃত্যু, ইনস্যুরেন্স, চাকরীজীবিদের মজুরী/ভাতা/জরীমানা, মেডিকেল ফিটনেস ইত্যাদি সম্পর্কিত। মেডিকেল প্রাকটিশনারদের মধ্যে E ক্যাটাগরীতে যারা তারা কোন মেডিকেল সর্টিফিকেট দিতে পারবেন না।
২। ভ্রান্ত লাভ করতে প্রচেষ্টা:
কোন নিবন্ধিত মেডিকেল / ডেন্টাল প্রফেশনাল তার পেশাদারী দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কোন রোগী থেকে অবৈধ লাভ গ্রহণ করতে দেখা গেলে তিনি সাসপেন্ডের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন এবং তার নাম রেজিষ্ট্রার থেকে বাদ যাবে।
৩। পেশাদারী জ্ঞান, দক্ষতা বা বিশেষাধিকারের অপব্যবহার:
কোন ডাক্তার দোষী বলে বিবাচিত হবেন যদি তিনি, অবৈধ আবরশন করেন, অবৈধ ড্রাগ প্রেসক্রাইব করেন, ডেঞ্জারাস ড্রাগ অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেন, নিজে মাদকাসক্ত হন, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালালে। এ অবস্থায় তিনি তিনি সাসপেন্ডের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন এবং তার নাম রেজিষ্ট্রার থেকে বাদ যাবে।
৪। চিকিতসক-রোগী সম্পর্কের অপব্যাবহারঃ
– অ্যা্ডাল্টারির ক্ষেত্রে
– কোর্ট বা দেশীয় আইন দ্বারা দোষী প্রমাণিত হলে
– রোগীর গোপন তথ্য প্রকাশ করলে (বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া)
তার বিরুদ্ধ্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫। রোগীর প্রতি পেশাগত দায়িত্বের অবহেলাঃ
– বড় ধরনের কোন অবহেলা প্রমাণিত হলে তার নাম রেজিস্ট্রার থেকে বাদ যাবে
– অপেশাগত কাউকে মেডিসিন, সার্জারী, ডেন্টিস্ট্রি ও গাইনি-অবস জাতীয় কোন কাজে সাহায্য বা উৎসাহিত করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৬। পেশার অসম্মান হয় বা অপমান হয় এমন কোন অপরাধঃ
ভন্ডামি, জালিয়াতি, ধোকা, চুরি, অমার্জিত ব্যবহার ও হামলা (অ্যাসল্ট) ইত্যাদির বিরুদ্ধে কাউন্সিল ব্যবস্থা নিবে।
৭। আর্থিক সুবিধার অপব্যাবহারঃ
কোন প্রফেশনাল কোন কিছুর বিনিময়ে অন্য কাউকে ঘুষ বা কমিশন দিতে বা নিতে পারবেন না।
৮। তদবির, বিজ্ঞাপন ও মিথ্যা শিরোনাম ব্যবহার করাঃ
-রোগী বৃদ্ধির জন্য তদবির বা বিজ্ঞাপন (এজেন্টের মাধ্যমে বা সরাসরি)
– পেশাগত সুবিধার জন্য যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা, জ্ঞান বা সেবার যথেচ্ছা প্রচার করা
– লিফলেট, নোটিশ, বই-পত্র, ম্যাগাজিন, সংবাদ-পত্র, রেডিও- টেলিভিশনের মাধ্যমে আত্ম-প্রচার করা
– টাইটেল বিভিন্ন-ভাবে ব্যবহার করা যা তার আরো অতিরিক্ত দক্ষতা সম্পর্কে ভুল ধারণা দেয়
ইত্যাদির ক্ষেত্রে কাউন্সিল উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে
৯। রেডিও টেলিভিশন সম্পর্কিত ঘোষনাঃ
রেডিও-টেলিভিশনে তাদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে তারা পরিচয় প্রকাশ করবেন না এবং করতেও দিবেন না। তবে এই নিয়ম যারা প্রাইভেট প্রাকটিস করেন না এবং যারা অপেশাগত কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করবেন তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। রেডিও-টেলিভিশনে তাদের উপস্থিতি শুধু স্বাস্থ্যশিক্ষা বিষয়েই সীমাবদ্ধ্ব থাকা শ্রেয়।
১০। ঠিকানার পরিবর্তন বা প্রাকটিসের অবস্থার পরিবর্তনঃ
এই জাতীয় পরিবর্তন হলে তারা ঘোষণা দিতে পারেন-
– বি,এম,এ এর লোকাল শাখার মাধ্যমে বা মেডিকেল তথ্যভিত্তিক জার্নালের মাধ্যমে
– স্থানীয় সংবাদ-সংস্থার মাধ্যমেঃ একবার করে তিনটি ভিন্ন পত্রিকায়, তিনবার একই পত্রিকায় পরপর তিনদিন। এবং ঘোষণাটি বড় বিজ্ঞাপন আকারে দেওয়া যাবে না, সাধারনভাবে দিতে হবে।
১১। এমন কোন আইন নেই যেখানে মেডিকেল/ডেন্টাল প্রফেশনালরা অন্য মেডিকেল/ডেন্টাল প্রফেশনালদের কাছ থেকে ফি বা চার্জ নিতে পারবে না। তবে খুশীমনে বা বিশেষাধিকার বলে তাদের প্রফেশনাল ভাইদের কাছ থেকে এবং তাদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যাদের কাছ থেকে এবং কোন মেডিকেল/ডেন্টাল স্টুডেন্ট-দের থেকে ফি/চার্জ রাখা উচিত নয়।

সংগ্রহে তন্ময় শেখর বিশ্বাস

images

ডক্টরস ডেস্ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Next Post

স্বাগতম হে নবীনঃ প্রথমবর্ষ ২০১৫

Mon Jan 5 , 2015
স্বাগতম হে নবীন! -ফয়সাল আবদুল্লাহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ১। মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা একটু ভিন্ন ধরনের, ভার্সিটি কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে একেবারেই আলাদা। স্কুল কলেজে যেমন সবকিছু একেবারে বুঝিয়ে সুঝিয়ে দেয়া হত, [মানে স্পুনফিডিং আর কি! ], এখানে তেমনটা হয় না।তাই ক্লাস শুরুর আগে কিছু ব্যাপার জেনে গেলে খুব কাজে আসবে, […]

সাম্প্রতিক পোষ্ট