একজন ভিসি নিয়োগ হয়নি, এই জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ সকল মেডিকেল কলেজের প্রফেশনাল পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে, বন্ধ রয়েছে ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষার ফলাফল।
তিনটা প্রফেশনাল পরীক্ষা শুরু হবার কথা ছিল ২রা মে! আমাদের দেশটা আসলেই অদ্ভুত। আরো অদ্ভূত এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরীক্ষার মত ব্যাপার তাদের কাছে কোন গুরুত্ব নাই। একটা ক্লেরিক্যাল কাজের জন্য ভিসি নিয়োগ পর্যন্ত বসে থাকতে হয়।
মেডিকেল কলেজের পরীক্ষার সাথে পাবলিক সার্ভিস ও জড়িত। ৫ম বর্ষের পরীক্ষার্থীরা পাশ করলে তারা ইন্টার্নিশিপ এ যোগদান করে হাসপাতালে কাজ শুরু করবে। একটা মেডিকেলের রেজাল্টকে তারা কি ভেবেছেন? খেলা? তাদের কাছে খেলাই এটা। নইলে কিভাবে তাদের নিজস্ব বিভাগের পরীক্ষার ফল মাসের পর মাস পড়ে থাকে। এক সময় বছরের পর বছর রেজাল্ট হতনা।
এইটা বুঝতে হবে যে সময়মত রেজাল্ট দেয়া না হলে হাসপাতাল সার্ভিসেও শূন্যতা দেখা দেবে। হাসপাতালগুলো চালায়ই ইন্টার্নরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আসলে কাজটা কি? ভিসি না থাকলে এখানে কি সব কাজ বন্ধ থাকে? সত্য হচ্ছে এইসব ভার্সিটিতে আসলে একাডেমিক কার্যক্রম বলে কিছু নাই, গবেষনাতো দূরের কথা। বিশ্বের ২০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় এদের নাম থাকেনা। কেন থাকেনা এবার বুঝা গেল? এতদিনেও ভিসি নিয়োগ হয়না কেন? নিশ্চয় এই পদের জন্য ইঁদুর দৌড় চলছে। ইঁদুর দৌড়ের মাধ্যমে যারা ভিসি হন, তারা বড় জোর বিড়াল হতে পারেন, বাঘ নয়।
আমাদের আকাংক্ষা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হোক, এবং শিক্ষাই হোক তাদের ১ নং প্রায়রিটি।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২২তম উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজউদ্দিন ও ১২তম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহানের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ১৯ মার্চ।
লিখেছেনঃ ডা. আহমেদ লিংকন
১৯ মার্চ এ মেয়াদ শেষ ছিল?! 😉