রক্তের গ্রুপ না মিললেও কিডনি দান করা সম্ভব

Renal Transplant এর রুগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে।ESRD রুগীদের জন্য এটি এখনও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা কারন এতে শুধু জীবন যাত্রার মান উন্নয়নই হয়না সাথে ডায়ালাইসিস জনিত ভোগান্তিও কমায়। যেকোনো Solid organ transplant এর প্রথম শর্ত হল ব্লাড গ্রুপের মিল হওয়া দ্বিতীয়ত HLA match। ABO antigen গুলো vascular endothelium,Distal convulated tubule এবং Collecting ducts of the kidney এর মাঝে থাকে।
Naturally occuring antibody গুলো গ্রহীতার শরীরে অনুপস্থিত থাকে কিন্তু দাতার অঙ্গে উপস্থিত থাকে পর্যাপ্ত পরিমানে তাই Antibody mediated rejection হয়ে যায়। মিনিটের মাঝে Rejection হয়ে যাওয়ায় ABO incompatibilty টাই Renal Transplant এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ।
Desensitization এর মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা খুবই সম্ভব। এর মাধ্যমে ৩০% পর্যন্ত ডোনারের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব। ডোনারের এই দুস্প্রাপ্ততার মাঝে এই বা কম কি?
Desensitization করা হয় Therapeutic Plasma Exchange এর মাধ্যমে যেহেতু antibody সব প্লাজমার মধ্যেই থাকে, একে বদলিয়ে ফেললে ঝুকি কমে যায়। তার আগে anti A এবং anti B এর Titre দেখে নিতে হয়। টার্গেট লেভেল < ৮। এই লেভেলে নিয়ে আসলে Rejection ঝুকি থাকেনা বললেই চলে। এরপর Immunosuppressive চিকিৎসা(tacrolimus,Mycophenoliate mofetil,Prednisone,Daclizumab,Rituximab,Bortezomib,Eculizumab) শুরু করলে চিকিৎসার সফলতা আশা করা যায়।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইতিমদ্ধে একটি রুগীর Renal Transplant সম্পন্ন হয়েছে যা আমরা পত্রিকা মারফত সবাই জানতে পেরেছি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগেও এই সেবা পাওয়া যাবে।উক্ত বিভাগে বিভাগীয় প্রধান প্রোফেসর ডা. Mazharul Hoque Tapan স্যার বলেছেন এই সেবাটি সরকার নির্ধারিত মুল্যে বাংলাদেশের মাঝে সবচেয়ে কমে পাওয়া যাবে ডে কেয়ার ভিত্তিতে।

লেখক:
ডাঃ আশরাফুল হক
রেসিডেন্ট ডাক্তার,ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রান্সফিউশন মেডিসিন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

ফিচার রাইটার : জামিল সিদ্দিকী
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ,গাজীপুর
সেশন: ২০১৫-১৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Next Post

প্রফেসর ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী স্যার চলে গেছেন না ফেরার দেশে...

Fri Aug 17 , 2018
শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮, ভোর ৬টায়, মাইক্রোবায়োলজির বিশিষ্ট প্রফেসর ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী বিএসএমএমইউ তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার স্ত্রী বিএসএমএমইউর ডারমাটোলজি ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ডা. নার্গিস আখতার।তার একজন পুত্র এবং কন্যা সন্তান রয়েছে। কর্মজীবনে তিনি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল […]

সাম্প্রতিক পোষ্ট