মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬৯ কার্তিক ১৪৩৩ · ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
sticky

“বিসিএস(স্বাস্থ্য) ক্যাডার নিয়ে কিছু ভাবনা”

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১০:০৩ · হালনাগাদ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ · ২ মিনিটে পড়ুন
লেখার আকার

বিসিএস(স্বাস্থ্য) পরীক্ষায় পাশ করে ডাক্তাররা সরকারি চাকুরীতে নিয়োজিত হয়। তারপর এক একজন এক একদিকে চলে যায়। কেউ কাঙ্খিত বিষয়ে পোস্টগ্রাজুয়েশন করতে পারে, কেউ পারে না। এ ক্যাডারটি অনেক বড়। তাই এ ক্যাডারের ম্যানেজমেন্টও বেশ কঠিন। বিসিএস(স্বাস্থ্য) ক্যাডারটিকে ভেঙ্গে ক্লিনিক্যাল, মেডিকেল এডুকেশন এবং মেডিকেল এডমিনিস্ট্রেশন এই তিন ভাগে ভাগ করে ফেলা উচিত। বিসিএস(ক্লিনিক্যাল) এ যারা যাবে তারা প্রচলিত ক্লিনিক্যাল সাবজেক্ট যেমন মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি ইত্যাদি বিষয়ে পোস্টগ্রাজুয়েশন করবে এবং পর্যায়ক্রমে মেডিকেল অফিসার থেকে জুনিয়র কনসালটেন্ট/সহকারী অধ্যাপক, সিনিয়র কনসালটেন্ট/সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক হিসাবে প্রমোশন পাবে। ডিগ্রি না হলে মেডিকেল অফিসার থেকে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার, চিফ মেডিকেল অফিসার, ডিস্ট্রিক্ট মেডিকেল অফিসার ইত্যাদি পদে প্রমোশন দিয়ে বেতনের প্রতিটি গ্রেডে পৌঁছানোর সুযোগ রাখতে হবে। ক্লিনিক্যাল ক্যাডারের কর্মকর্তারা ইন্সটিটিউশনাল প্রাকটিস করবে, বাইরে প্রাকটিস বন্ধ করে দিতে হবে। সরকারি হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসার কনসেপ্ট বদলাতে হবে। রোগী সব সেবার জন্য চিকিৎসককে নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করবে, অতিদরিদ্র হলে রাষ্ট্র ভর্তুকি দেবে। প্রাইভেট ডাক্তাররাই কেবল প্রাইভেট প্রাকটিস করবে।
বিসিএস(মেডিকেল এডুকেশন) ক্যাডারের ডাক্তাররা মূলত নন-ক্লিনিক্যাল সাবজেক্টে পোস্টগ্রাজুয়েশন করবে এবং প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক হিসাবে প্রমোশন পাবে। তাদের নন-প্রাকটিসিং ভাতা দিতে হবে। ইউজার ফি চালু রাখতে হবে। বিসিএস (মেডিকেল এডমিনিস্ট্রেশন) ক্যাডারের ডাক্তাররা হেলথ ম্যানেজমেন্ট, হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ের উপর পড়ালেখা করবে এবং সহকারী ইউএইচএ, ইউএইচএ, ডেপুটি সিএস, সিএস, ডিভিশনাল ডিরেক্টর, ডিজি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ স্বাস্থ্য প্রশাসনের সব পদে তারা থাকবে। তাদেরকেও নন-প্রাকটিসিং ভাতা দিতে হবে। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন ক্লিনিক মনিটরিং, ডায়াগনস্টিক মনিটরিং, ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি কাজে তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হবে। এসব করা গেলেই সরকারি ডাক্তারদের মানোন্নয়ন হবে এবং জনগণও কাঙ্খিত সেবা পাবে বলে বিশ্বাস। সরকারি ডাক্তারদের পোস্টিং, প্রমোশন, যৌক্তিক দাবি ইত্যাদি নিয়ে অব্যবস্থাপনায় রেখে তাদের কাছ থেকে রোগীদের জন্য সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার আশা করা হাস্যকর নয় কি?

ডাঃ এম আমির হোসেন
জুনিয়র কসালটেন্ট(মেডিসিন)

helth20150809201715

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

রেসিডেন্ট শিক্ষার্থীদের ভাতা বৃদ্ধি পেল ও চালু হলো পরিবহণ সুবিধা বিএসএমএমইউ তে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে গেল আজ বেসরকারি রেসিডেন্টদের পারিতোষিক বৃদ্ধি ও পরিবহন চালু - এর উদ্বোধনি অনুষ্ঠান। আমাদের দেশের তুলনায় বিভিন্ন দেশে রেসিডেন্ট শিক্ষার্থীদের ভাতা অনেক বেশি। পূর্বে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ কালে ভাতা প্রাপ্তি হবে বিষয়টা অভাবনীয় ছিল। ভাতা…

২২ নভেম্বর ২০১৭বিস্তারিত পড়ুন

মুক্তামনির হাতে চামড়া লাগানোর কাজ সমাপ্ত

পুরো হাতে চামড়া লাগলো মুক্তামনির মুক্তামনির পুরো হাতে চামড়া লাগানোর কাজ শেষ করেছেন চিকিৎসকরা। সোমবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মুক্তামনিকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয় এবং দেড় ঘণ্টা পর তাকে বের করা হয়। বর্তমানে তাকে আইসিইউ বা ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে…

৭ নভেম্বর ২০১৭বিস্তারিত পড়ুন

৬১ তম সিএমসি ডেঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ- আমার গর্ব

২৬ মার্চ, ১৯৭১। স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে তখন চাঞ্চল্য, দ্বিধা, উত্তেজনা। রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড, কেউ কেউ নিচ্ছেন সশস্ত্র সংগ্রামের প্রস্তুতি। তখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে চলছে অন্য এক প্রস্তুতি। ইতিহাসে কল্পনা চলে না, তিনটি…

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭বিস্তারিত পড়ুন

৯টি মন্তব্য

  1. অসাধারণ! তবে একটা ব্যাপার, ক্লিনিক্যালদের প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ করলে এমনিই আয়ের সমতা আসবে, তাইলে আর ননপ্রাক্টিসিং ভাতা কেন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।