মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬১ কার্তিক ১৪৩৩ · ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
প্রথম পাতা

চলে গেলেন না ফেরার দেশে জাতীয় অধ্যাপক এম. আর. খান

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০১৬, ৮:০৯ · ২ মিনিটে পড়ুন
চলে গেলেন  না ফেরার দেশে জাতীয় অধ্যাপক  এম. আর. খান
লেখার আকার

দীর্ঘদিন যাবত মানুষটি আই সি ইউতে ভর্তি ছিলেন। ভুগেছেন নানা রকম জটিলতায়। আজ বিকেল ৪.২৫ মিনিটে আল্লাহতায়ালা তাঁর বান্দাকে তাঁর কাছে নিয়ে যান। মনটা যে কী ভারাক্রান্ত লাগছে তা বর্ণনাতীত। জাতি কী এক অমূল্য সম্পদ হারালো তাও কল্পনাতীত। বাংলাদেশের মেডিকেল সোসাইটি হারালো তার সর্বোচ্চ অভিভাবককে। আল্লাহ উনার সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন।

এম আর খান…

এই একটি নামের মাঝেই যে লুকিয়ে আছে কতো অনুপ্রেরণা, কতো শ্রদ্ধা, কতো ভালোবাসা, কতো সামনে এগিয়ে যাবার হাতছানি–তা বাংলাদেশের চিকিৎসক কিংবা চিকিৎসা শিক্ষার্থী মাত্রই জানে। যদিও এই নামেই তিনি বেশি পরিচিত, তবে তার আসল নাম কিন্তু মোহাম্মদ রফি খান। ১৯২৮ সালের ১ আগস্ট সাতক্ষীরায় এই প্রথিতযশা শিশু বিশেষজ্ঞের জন্ম। ১৯৫২ সালে কোলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে তিনি এমবিবিএস পাশ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে তিনি এম আর সি পি, এফ আর সি পি, এফ সি পি এস, ডিসিএইচ ইত্যাদি ডিগ্রি লাভ করেন।

বড় বর্ণাঢ্য এই জাতীয় অধ্যাপকের কর্মজীবন। দেশে-বিদেশে নানা সময়ে তিনি সহকারী রেজিস্ট্রার থেকে শুরু করে অধ্যাপক হিসেবে নানা জায়গায় কাজ করেছেন। ১৯৭৮ সালে তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালে অধ্যাপক ও পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি তার সুদীর্ঘ চাকুরী জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

চিকিৎসক হিসেবে তিনি যেমন অনন্য, মানুষ হিসেবেও তিনি অনেক মহান। পেনশনের টাকা দিয়ে মা ও শিশুদের জন্য গড়ে তোলেন ডা. এম আর খান ও আনোয়ারা ট্রাস্ট। এ ট্রাস্ট থেকে শিশু স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় অনুদান, হাসপাতাল ও স্কুল প্রতিষ্ঠা, মেধাবী ও গরিব শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে ভালো অবদানের জন্য দেয়া হয় ডা. এম আর খান ও আনোয়ারা ট্রাস্ট স্বর্ণপদক।

শিক্ষা, চিকিৎসা, শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, দুর্গত অসহায় মানুষের সেবাসহ সমাজকল্যাণমূলক কাজে অসামান্য অবদান রাখায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ডা. এম আর খানকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী স্বর্ণপদক দেয়। এছাড়া তিনি ২০০৯ সালে একুশে পদক এবং ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পান।

লিখেছেন ঃ ডাঃ মারুফ রায়হান খান

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক…

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য…

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে…

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।