বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে মেজর পদবীতে যোগ দিতে চট্টগ্রাম আসার পথে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় সঞ্জিতাদের বহনকারী বাসের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সঞ্জিতা।
বাবা সুনীল শান্তি বিশ্বাস এবং মা সুপ্তি চৌধুরী’র মেয়ে সঞ্জিতার ২০১২ সালে বিয়ে হয় ঢাকা শিশু হাসপাতালের সহকর্মী চিকিৎসক শান্তনু করের সঙ্গে।
মাত্র আটাশ বছর বয়সেই সাফল্যের ঝুঁড়ি বেশ ভারি। ২০০৮ সালে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি ও বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান অ্যান্ড সার্জন থেকে এফসিপিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১১ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনারারি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১২ সালে ঢাকা শিশু হাসপাতালে অনারারি মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন। ২০১৩ সালে পেডিয়াট্রিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে(পিজি)। শনিবার সেনাবাহিনীতে মেডিকেল কোরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে মেজর পদবীতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।
সঞ্জিতার চাচা বলেন,‘পরিবারের ছেলে মেয়েদের মধ্যে সঞ্জিতা ছিল সবচেয়ে মেধাবী। ছোট বেলায় তাদের বাবা মারা যায়। তাদের মা সন্তানদের কষ্ট করে বড় করেছেন। ডাক্তারি পড়িয়েছেন। মেয়ে এভাবে চলে যাবে এটা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।’
She was known to me. She was my trainee in DMCH. She was very talent doctor. She got the FCPS degree with in very short period. I am shocked.