বারবার খাওয়া হতে পারে স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী!

American Heart Association এর সাম্প্রতিক একটি গবেষণা অনুসারে খাবার গ্রহনের সময়ের সাথে হৃদরোগের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। দেখা গেছে মানুষ কখন এবং কত সময় পর পর কি ধরনের খাবার খায় তার সাথে হৃদরোগ, স্থুলতা, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগের সম্পর্ক রয়েছে।

এর মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হলো সকালের খাবার। যারা সকালের খাবার বাদ দেয় তাদের সারাদিনের গৃহীত খাবারে এনার্জির পরিমান যারা সকালে খাবার খায় তাদের চেয়ে বেশি! এছাড়াও যারা সকালে খাবার বাদ দেয় তাদের অনেক ভিটামিন এবং মিনারেল এর ঘাটতি থেকে যায়। সকালের খাবার বাদ দেয়ার সাথে মোটা হবার সম্পর্ক আরো অনেক গবেষণাতেই প্রমানিত হয়েছে। একটি মেটা এনালাইসিসে দেখা যায় যে গ্রুপে সকালের খাবার বাদ দেবার প্রবণতা যত বেশি তারা তত বেশি মোটা বা Obese । এছাড়াও সকালের খাবার বাদ দেবার সাথে শর্করাজাতীয় খাদ্যের বিপাক ক্রিয়ার সমস্যা, টাইপ ২ ডায়বেটিস হবার প্রবণতা, হৃদরোগ ও স্ট্রোক এর সম্পর্ক আছে। দেখা গেছে যারা প্রতিদিন নিয়মিতভাবে সকালের নাস্তা খাচ্ছে তাদের রক্তে LDL (ক্ষতিকারক চর্বি) এর পরিমান কম, উচ্চরক্তচাপ হবার প্রবণতা কম।

গবেষণাটিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যারা যত ঘন ঘন খাবার খান তার মোটা হবার সম্ভাবনা তত কম! যারা দিনে ৪ বার বা তার বেশি খাবার খান তাদের মোটা হবার প্রবণতা যারা ৩ বার বা তার কম বেলা খাবার খান তাদের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।

যারা বেশি রাত করে বা গভীর রাতে খান তাদেরও মোটা হবার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় বেশি। রাতে দেরি করা খাওয়া বা গভীর রাতে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

সুতরাং বারবার কিন্তু অল্প করে সুষম খাবার খাওয়ার উপরে জোর দিন এবং হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস এর মত দীর্ঘমেয়াদী রোগ এর প্রকোপ থেকে বাঁচুন।

লেখকঃ ডা. মারুফুর রহমান অপু

Ishrat Jahan Mouri

Institution : University dental college Working as feature writer bdnews24.com Memeber at DOridro charity foundation

One thought on “বারবার খাওয়া হতে পারে স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Next Post

ফ্যামিলি মেডিসিন ও রেফারেল সিস্টেমঃ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভবিষ্যত না স্বস্তিদায়ক বিকল্প

Tue Jan 31 , 2017
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থায় এক গুমোট পরিবেশ বিদ্যমান। একদিকে মাঠ পর্যায়ে চিকিৎসক সংকটের সুযোগে কোয়াক ওষুধের দোকানদার নির্ভর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা। অন্যদিকে প্রাইভেট ক্লিনিক, বাণিজ্যিক হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চেম্বার কেন্দ্রিক উচ্চমূল্যের বিশেষায়িত সেবা। এর মাঝে বাংলাদেশ সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার কম্যুনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন সাব সেন্টার সহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সদর হাসপাতাল, […]

সাম্প্রতিক পোষ্ট