• নির্বাচিত লেখা

December 15, 2015 10:26 pm

প্রকাশকঃ

লেখক- ডাঃ মোঃ মারুফুর রহমান

শিরোনামটা নাটকীয় মনে হচ্ছে?! কিছুটা নাটকীয় বটে, নাহলে আজকাল বড় পোস্ট কেউ পড়ে না, “পাবলিক খায়না”! আমি চাই এই লেখাটা পাবলিক খাক, গপগপিয়ে খাক, খেয়ে সচেতন হোক কারন অস্ত্রটা পারমানবিক না হলেও আনুবীক্ষনিক এতে কোন সন্দেহ নেই এবং এর বিধ্বংসী ক্ষমতা পারমানবিক অস্ত্রের চেয়েও ব্যাপক এতেও কোন সন্দেহ নেই! মজার ব্যাপার হচ্ছে এটা বানাতে কোন খরচ নেই, এটা একটা বাই-প্রোডাক্ট, উপজাত, নৈতিক অবক্ষয়ের উপজাত! এটা আকাশপথে বোম্বার বিমানে সাই করে নামে না, স্থলপথে ট্যাংকবহরে করে আসে না, জলপথে সমর জাহাজ থেকেও আসেনা তবু জল-স্থল-আকাশ-বাতাস সব দিক থেকেই আসতে পারে বাতাসের ভরে, খাবারের ফাকে, জলের তরংগে কিংবা হাতে হাতেই। বলছি এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট জীবানুর কথা।

20110402_bbd001

জ্বি, এটাই এ যুগের সবচেয়ে ভয়াবহ অস্ত্র হতে চলেছে যা প্রকৃতি আমাদের উপর প্রয়োগ করবে আমাদের কৃতকর্মের ফল ভোগের জন্য মহামারীর মত গ্রাম শহর উজাড় করে মেরে ফেলতে। ২য় বিশ্বযুদ্ধের কিছু পূর্বে ১৯৪০ পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানী আলেক্সান্ডার ফ্লেমিং এর ম্যাজিক বুলেট, “পেনিসিলিন” সূচনা করেছিলো এন্টিবায়োটিক যুগের। সেই থেকে এন্টিবায়টিক বাচিয়ে আসছে লক্ষ কোটি মানুষের জীবন। যে সাধারন কলেরা, প্লেগ, সিফিলিস, ডায়রিয়ায় গ্রামের পর গ্রাম উজাড় হয়ে যেত সেই ভয়ংকর রোগগুলোকে একেবারে সাধারন রোগ বানিয়ে সুস্থ করার ম্যাজিক এর নাম এন্টিবায়োটিক। আমরা জীবানুদের পিষে মেরেছি। আসলেও কি তাই? জীবানুরাও জীবন্ত প্রানী বটে! আণুবীক্ষনিক খোলের নিচে তাদের জেনেটিক কোডের ভিতরে পরিবর্তন করে তারাও শিখে নিতে শুরু করলো এন্টিবায়োটিক কি করে প্রতিরোধ করে বেচে থাকতে হয়! এই পরিবর্তিত কোড তারা ছড়িয়ে দিতে থাকলো প্রতিবেশি জীবানুদের, নতুন ঢালে সজ্জিত হলো জীবানুরা। আমরাও উন্নত হলাম, দিনে দিনে নতুন নতুন এন্টিবায়টিক আসতে লাগল, ওদিকে জীবানুরাও বানাতে থাকলো নতুন ঢাল তলোয়ার। এ যুদ্ধে জয়ী কে?

যদি বলি কিছুদিন আগেই ডেনমার্কে টাইফয়েড সৃষ্টিকারী জীবানু সালমোনেলা পাওয়া গেছে যার উপর এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত কোন এন্টিবায়োটিক কাজ করে না, আতংকিত হবেন? হ্যা আতংকিত হোন, কারন চিত্রটা আরো ভয়াবহ। সব এন্টিবায়টিক প্রতিরোধী করার কারিগর ছোট্ট MCR-1 জিন বহনকারী ব্যাক্টেরিয়া পাওয়া গেছে চীনের ১৫% কাচা মাংসে এবং টেস্ট করা হয়েছে এমন এক পঞ্চমাংশ পশুতে। এছাড়াও ১৬ জন রোগীর শরীরেও কোন এন্টিবায়োটিক কাজ করেনি। চীন থেকে আমদানি হয়ে জার্মানী হয়ে আসা ৫টি মুরগীতেও পাওয়া গেছে MCR-1 জিন বহনাকারী জীবানু। আরো ভয়ংকর ব্যাপার হল এই MCR-1 জিন এতটাই সক্রিয় এবং চলনশীল যে এটি যেকোন এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে খুব দ্রুত যেকোন ব্যাক্টেরিয়ায় স্থাপিত হতে পারে। আরো ভয়ের ব্যাপার নতুন এন্টিবায়টিক আবিষ্কারের হার এখন প্রায় শুন্য। সর্বশেষ এন্টিবায়টিক আবিষ্কৃত হয়েছে পূর্ববর্তী এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের প্রায় ৩২ বছর পরে।

এই অবস্থার কারন কি তাহলে? আজ এই পোস্ট পড়ার আগে আপনি কি জানতেন গবাদি পশু, হাস-মুরগী, গরু-শূকর ইত্যাদি পশুকে মুড়ি মুড়কির মত এন্টিবায়টিক খাওয়ানো হয়? খোদ আমেরিকাতেই মানুষের জন্য খুবই জরুরী প্রায় ৭০% এন্টিবায়োটিক গবাদী পশুকে খাওয়ানো হয়। চীনে শূকর এবং মুরগিকে নিয়মিত খাওয়ানো হয় এন্টিবায়টিক জগতের শেষ ভরসা কোলিস্টিন। এই MCR-1 জিন কোলিস্টিনও প্রতিরোধী। আচ্ছা, গবাদী পশুকে খাওয়ালে সমস্যা কি? পশুগুলো সুস্থ থাকলো, আমরাও ভালো “গোশত” পেলাম! ব্যাপারটা এত সহজ নয়। আপনি পশুর মাংসের সাথে এই এন্টিবায়োটিক ও গ্রহন করছেন। কিন্তু সঠিক মাত্রায়, সঠিক নিয়মে, সঠিক দিন পর্যন্ত নয়। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম, ধরুন সাই-ফাই সিনেমার মত পৃথিবীতে উচ্চ প্রযুক্তির এলিয়েন ব্যাটেলশিপ আক্রমন করে সব মানুষ মেরে ফেললো, কিংবা নির্দিষ্ট পরিমান ব্যাটেলশিপ না পাঠিয়ে ভুলক্রমে একটা ব্যটলশিপ দু-চারটা লেসার গান নিয়ে পৃথিবীতে আসল, কিছু মানুষ মরল, এরপর আমরা সেটাকে ভূপাতিত করে টেকনলজিটা শিখে নিলাম, এরপর যখন এলিয়েনের পুরো বহর আসলো তখন আমরা আগে থেকেই প্রস্তুত, বেচে গেল পৃথিবী! এন্টিবায়োটিকের ব্যাপারেও তাই, অজান্তে কিংবা জান্তেও আমরা ইচ্ছামত এন্টিবায়টিক খেলাম ভুল পরিমানে, ভুল নিয়মে, ভুল সময় ধরে, ব্যাস প্রযুক্তি শিখে নিল ব্যাক্টেরিয়া, বেচে গেল তারা আর মরে গেলেন আপনি সহ সবাই! সবাই কেন? কারন ব্যাক্টেরিয়াতো শুধু আপনার গায়ে বসে থাকবে না, তারা তাদের নাতি পুতি সহ জল স্থল আকাশ বাতাস সব পথে ছড়িয়ে যাবে গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে দেশ, দেশ থেকে মহাদেশ এবং পুরো পৃথিবী।

এতো গেল পশুর উপর এন্টিবায়টিক এর কথা। আমেরিকা, ইউরোপ কিংবা চীনেও আপনি প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন এন্টিবায়োটিক কিনতে পারবেন না, অথচ আমাদের দেশে? ডায়রিয়া হলে একটা ফ্ল্যাজিল খেলে ঠিক হয়ে যাবে, এমন ধারনা করেন না এমন কতজন মানুষ আছে বলেন তো? কিংবা ঠান্ডা কাশি জ্বর ২-১ দিনের হলেই দোকানে গিয়ে একটা দুটো জিম্যাক্স কেনেন নি কতজন?! আপনি শিক্ষিত মানুষ হয়েই এটা করছেন আর গ্রামে যেখানে ওষুধের দোকানদারই বড় ডাক্তার সেখানে? উপজেলায় চাকরির সুবাদে এমন এক প্রেসক্রিপশন পেয়েছিলাম, জরায়ু ইনফেকশনের এক রোগী গ্রামের এক ওষুধের দোকানদারের “পেছকিপশন” নিয়ে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে লিনযোলিড গ্রুপের এন্টিবায়োটিক খেতে যেটা আমরা বাংলাদেশে রিজার্ভ ড্রাগ/শেষ অস্ত্র গ্রুপে রাখি! অবস্থাটা সহজেই অনুমেয়। কোম্পানির লোকেরা এন্টিইবায়টিক বেচাতে পারলেই খুশি, চাকরি পাকা আর ইনসেনটিভ, তাই ডাক্তারের সাথে দেখা করার চেয়ে দোকানে দোকানে এটা সেটা দিয়ে কিংবা নানা রকম উপায়ে হলেও এন্টিবায়টিক যেকোন ভাবে বেচাতে পারলেই চলে। আর দোকানদারেরও লাভ, কোম্পানি ভেদে কেনাদামের চেয়ে ১০ গুন বেশি লাভেও এন্টিবায়টিক বিক্রি করে লাভ করা যায়! সাধারন মানুষেরও লাভ, “হাই পাওয়ার” এর দু-চারটে এন্টিবায়োটিক খেলেই জ্বর-টাইফয়েড ভালো হয়ে যায় ওত খাবার দরকার কি?! সুতরাং বাংলার গ্রামে গ্রামে পরমানু বোমা তৈরির কারখানা বললে কি সেটা ভুল হবে?

প্লেগে ইউরোপের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা গিয়েছিলো শোনা যায়। বাংলাদেশের মত ঘনবসতি-পূর্ন, স্বাস্থ্য সচেতনার প্রায় শুন্য হার ও এন্টিবায়োটিক কে মুড়ি বানিয়ে ফেলা দেশে MCR-1 জিনবাহী ব্যাক্টেরিয়া কত শতাংশ মানুষ মারবে বলে মনে করেন? বি স্কেয়ারড, বি ভেরি স্কেয়ারড।

ব্যাপারটা ভালো হচ্ছে না। ভয়ে দেখিয়েই চলে গেলাম, পৃথিবীকে বাচাবে কে!? Well, আমি ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট নই! কিন্তু আপনি সেটা হতে পারেন! এই সুপারবাগ তথা এন্টিবায়টিক রেজিস্টেন্ট ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে দু-ভাবে লড়াই করা যেতে পারে।

প্রথমত অবশ্যই প্রতিরোধ, অর্থাৎ যেন সুপারবাগ তৈরি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। এজন্য সাধারন মানুষ হিসেবে আজকেই প্রতিজ্ঞা করেন এই কাজগুলো করবেন নাঃ
সর্দি জ্বর হলেই ৫-৬ দিন না পেরুতেই এন্টিবায়োটিক খাওয়া,
ডায়রিয়া হলেই ডাক্তার না দেখিয়ে ভুল ডোজে এন্টিবায়োটিক খাওয়া,
ডাক্তারের পরামর্শ (প্রেসক্রিপশন) ছাড়া যেকোন ধরনের এন্টিবায়োটিক খাওয়া,
রোগের উপসর্গ কমে গেলেই ডাক্তারের বলা ডোজে এন্টিবায়োটিক না খেয়ে বাদ দিয়ে দেয়া,
বাসার ওষুধের বাক্সে ইচ্ছামত এন্টিবায়োটিক রাখা,
নিজে যে এন্টিবায়োটিকে সুস্থ হয়েছেন সেটা অন্যকে একই ধরনের বা অন্যধরনের উপসর্গে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই খেতে বলা।

আর আপনি যদি ব্যবসায়ী হন, গবাদী পশুপালক হন তাহলে আপনার হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ আপনি নিজে বাচতে এবং গোটা বাংলাদেশ তথা পৃথিবীকে বাচাতে আপনার খামারে পশুর উপর এন্টিবায়োটিক ব্যাবহার বন্ধ করুন এবং পশু সুস্থ সবল রাখতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট এবং উপজেলা কৃষি অফিশের সহায়না নিন।
আপনি যদি সরকারের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের কেউ হন তাহলে স্যার I beg most respectfully, দয়া করে যথেচ্ছ এন্টিবায়োটিক ক্রয়-বিক্রয়, ওষুধের মান নিয়ন্ত্রন, প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রয়, অবৈধ ফার্মেসি, ইত্যাদি বন্ধ করতে প্রতিজ্ঞা করুন এখনই এবং কাজ শুরু করুন আজই। নচেত, সিংগাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথও বাচাতে পারবেনা আপনাকে আমাকে।
আর আপনি যদি চিকিৎসক হন তাদেরও বলি, ভাই/বোন কিংবা স্যার দয়া করে কোন বাধ্যবাধকতায় বাধ্য হয়ে কিংবা সিম্পল অবহেলায় ইন্ডিকেশন ছাড়া এন্টিবায়টিক লিখবেন না। আপনার বোমাটা কিন্তু বাউন্স করে আপনার এবং আপনার পরিবারের উপরেই আসবে।

দ্বিতীয়ত প্রযুক্তির উন্নয়ন। হ্যা আমাদের দেশে চিকিতসা সেবার মান বৃদ্ধি মানেই নিত্য নতুন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন। এর বাইরেও যে চিকিতসা সংক্রান্ত গবেষনা হতে পারে এই ধারনা আমাদের চিকিৎসক, শিক্ষক, নীতিনির্ধারক কারো মাঝেই আসেনি। অথচ ভারত পাকিস্তানের মত দেশও বায়টেকনলজির ও অন্যান্য চিকিতসা গবেষনার ফসল তুলছে গোলা ভরে। আমাদের দেশেও বায়োটেকনওলজি ফসল ফলিয়েছে প্রকৃত অর্থেই কৃষি ক্ষেত্রে, কিন্তু মেডিকেল বায়োটেকনলজি এখনো স্বপ্ন। প্রযুক্তির উন্নয়ন মানেই হাজার কোটি টাকার ল্যাবরেটরি না। উপজেলা পর্যায়ে ব্যাক্টেরিয়া কালচার ও সেনসিটিভিটি টেস্ট করার ব্যাবস্থা রাখা, কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যন্ত মনিটরিং, ইভালুয়েশন, রিপোর্টিং এবং স্যাম্পল কালেকশন এর ব্যাবস্থা রাখা, ডাক্তার, প্যারামেডিক, জীববিজ্ঞানী, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারসহ টিম গঠন করে বিদেশ থেকে উন্নত বায়োটেকনলজির প্রশিক্ষন দেয়া যেমন র‍্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট যা মিনিটেই ভাইরাস নাকি ব্যাক্টেরিয়া তা সনাক্ত করতে পারে, সংক্রমন প্রতিরোধে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পারসোনাল হাইজিন প্র্যাকটিস এর ব্যাবস্থা করা ইত্যাদি ছোট কাজগুলোই অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারে। সেই সাথে দেশে একাধিক আন্তর্জাতিক মানের মেডিকেল বায়টেকনলজি ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করে মাইক্রোবিয়াল জেনোম এডিটিং, RNA-guided nuclease এর মাধ্যমে জেনেটিক টার্গেট বেইজড কম্পাউন্ট তৈরি, নতুন এন্টিবায়োটিক ও ভ্যাকসিন আবিষ্কার, মাইক্রোবিয়াল জেনোম সিকয়েন্সিং, মাইক্রোবিয়াল জেনোমজিনিয়ারিং ইত্যাদি প্রযুক্তির ফুল স্কেল কর্মকান্ড শুরু করতে পারলে আমরাই হতে পারি ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট। বাংলাদেশ হোক স্বাস্থ্য গবেষনা ও সচেতনতার রোল মডেল।

শেয়ার করুনঃ Facebook Google LinkedIn Print Email
পোষ্টট্যাগঃ antibiotic resistance, MBT, medical biotechnology, এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স, চিকিৎসা জীবপ্রযুক্তি, জীবানু, মেডিকেল বায়টেকনোলজি,

পাঠকদের মন্তব্যঃ ( 1)

  1. লেখক- ডাঃ মোঃ মারুফুর রহমান and Ishrat Jahan Mouri, I appreciate your thinking, appreciation is too little for your writing in this issue. Biological bomb will be inactive here in Bangladesh, I used to say science last 25 years. When America was saying Saddam has Chemical bomb, Biological bomb, I use to say BD 100% safe from Biological (organism) bomb, because BD culture organism country wide, they are living with organism, they are eating, inhaling,bathing with organism. Program of WHO “Health Beyound 2000” was to endure good health for all. but BD taken this program to spoil or destroy the health of each individual living in BD by promoting Village Doctor by Govt. at that time and till now. They are the initial element to produce MDR (multi drug resistance) organism. Government has no antibiotic policy,infection controll policy, hospitals do not have antibiotic policy and Infec. control policies, I use to say absolutely no need of Health Ministry and Food Ministry in BD. People are saying Population is the National Problem. I disagree 2000 times, the problem you raised, the health problem is the top most problem in BD. Think about Brazil, suppose Brazil became super power but their new generation became small headed with abnormal brain. I know in a highly specialized 30 bedded ICU a patient was admitted with multi drug resistance Acinetobacter Baumannii, very fast spread and no one survived. Not only decontamination total renovation of that ICU was done. How panic condition was there; many staff left their government job with saying let me save my life. “Plat Form” please give priority of this kind of writing also and keep up your good works. — Golam Azam Khan




Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Advertisement
Advertisement
.