মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

রোজায় ডায়াবেটিক রোগীর খেয়াল রাখতে হবে যে বিষয়গুলো

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০

আর এক সপ্তাহ পরই রোযা। এ মাসে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমদের সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযা রাখার আদেশ করা হয়েছে। তবে অসুস্থতাজনিত কারণে রোযা রাখার ক্ষেত্রে শিথিলতা আছে। পবিত্র কুরআনে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে,

“আর তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে বা সফরে থাকলে তারা অন্য সময় তা পূর্ণ করে নেবে।” (সূরা বাকারা : ১৮৫)

সেই হিসেবে ডায়াবেটিক রোগীদের রোযা রাখার ক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে তারা চাইলে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন মেনে সিয়াম সাধনা করতে পারেন। রোযা রাখার ক্ষেত্রে ডায়বেটিস রোগীদের ৩ টি বিষয় সম্পর্কে খেয়াল রাখতে হবে-

১। ডায়বেটিস সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান রাখা, যেমন: কমে গেলে কি হতে পারে, বাড়লে কি হতে পারে। এমন কিছু হলে প্রাথমিকভাবে কি করণীয়, এবং কোন ধরণের বিশেষ সেবা গ্রহণ করতে হবে।
২। নিয়মিত বা জরুরী প্রয়োজনে ব্লাড গ্লুকোজ চেক করার সুযোগ আছে কিনা। বাসায় গ্লুকোমিটার আছে কিনা।
৩। রোগী যে ওষুধ গুলো খায় বা ইনসুলিন নেয়, সেগুলো রমজানের রুটিনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা। ওষুধ পরিবর্তন করতে হলে রোযার কমপক্ষে ১ মাস আগেই সেটি করতে হবে, যাতে করে নতুন ওষুধগুলো শরীরের সাথে খাপ খেয়ে নিতে পারে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট সময় পায়। তাই যারা ডায়াবেটিক রোগী তাদের উচিৎ রোযা শুরু হওয়ার আগেই ডাক্তারের কাছে যেয়ে ওষুধ এডজাস্ট করে নেয়া।

★ প্রচলিত Biphasic ও Rapid acting insulin ইঞ্জেকশন, এবং মুখে খাওয়ার ওষুধের মধ্যে Insulin Secretagogues (Sulphonylureas) যেমন Glimepiride, Gliclazide ও Glipizide গুলো Hypoglycaemia করে অর্থাৎ গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। রমযান মাসে Fasting এর জন্য রক্তে গ্লুকোজ এমনিই কিছুটা কমে যায়, তার উপর উপরের ওষুধগুলো যেহেতু হাইপোগ্লাইসেমিয়া করে, তাই এসব ওষুধ গ্রহণকারী রোগীদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। রোযা রাখা অবস্থায় কখনো হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে, রোযা ভেঙে ফেলতে হবে।
এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআন ও হাদীসে বলা হয়েছে,

“তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে হত্যা করোনা। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের প্রতি অতিশয় দয়ালু।” (সূরা নিসা : ২৯)

ওষুধের ডোজ এডজাস্টমেন্ট করার সময় যেটা মনে রাখতে হবে, স্বাভাবিক সময়ে দিনের প্রধান খাবার সকালের নাস্তা হলে, রোযায় প্রধান খাবার কিন্তু ইফতারি। তাই সকালে নাস্তার সময় যে ডোজে ওষুধ খেত সেটা সে খাবে ইফতারিতে। আর রাতে যে ওষুধ খেত সেটা খাবে সেহরীতে। এবার একটা বিষয় চিন্তা করতে হবে। ইফতারীর সময় অনেক বেশি খাওয়া হয়, মাঝে রাতেও আবার খাওয়া হয়, কিন্তু সেহরীর পর দীর্ঘ সময় থাকতে হয় না খেয়ে। তাই সেহরীর ডোজকে স্বাভাবিক ডোজের চেয়ে কমাতে হবে! কতটুকু কমাতে হবে? ২৫-৫০% কম। অর্থাৎ স্বাভাবিক ওষুধের অর্ধেক বা তিন ভাগের দু ভাগ খাবে সেহরীতে।

★ Sulphonylurea – Glimepiride সকালে ১ বেলা খেলে, রোযার সময় সেটি ইফতারে খাবে। আর Gliclazide দিনে দুবেলা খেলে, রোযার সময় স্বাভাবিক ডোজের অর্ধেক সেহরিতে ও পুরোটা ইফতারে খাবে। যেহেতু এই ওষুধগুলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া করে, সেহেতু ইফতারির সময় হালকা কিছু দিয়ে ইফতারি করে, এরপর ওষুধটা খেয়ে তার ৩০ মিনিট পর ভারী ইফতারি করতে হবে।
Biphasic Insulin এর ক্ষেত্রে উপরের ওই একই নিয়ম। অর্থাৎ, সকালের ইনসুলিন ইফতারীতে, আর রাতের ইনসুলিনের অর্ধেকটা সেহরীতে। এরপরেও ইফতারীর পর ও সেহরীর আগে গ্লুকোমিটার দিয়ে ব্লাড গ্লুকোজ চেক করে ডোজ এডজাস্ট করা যাবে।

★ কিন্তু যারা ৩ বেলা Rapid acting insulin নেয়, তাদের ক্ষেত্রে সেটি চেঞ্জ করে উপরের নিয়মে সেহরি ও ইফতার এই দু’বেলা Biphasic insulin দেওয়া যেতে পারে।

★ Insulin এর ক্ষেত্রে আর একটি ভাল অপশন Long acting insulin, যা প্রতিদিন সন্ধ্যায় ১ বার নিলেই হয়, আবার হাইপোগ্লাইসেমিয়াও করে না। তাই যারা Biphasic বা Rapid acting insulin নেয়, রমযান মাসে তাদের জন্য একটি ভাল বিকল্প হল এই Long acting insulin. তবে প্রবলেম হল – এর দাম বেশি, সহজলভ্য নয়, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় নেয় বেশি।

★ রমযান মাসে আর একটি ভাল অপশন হল GLP-1 agonists যেমন Exenatide, Liraglutide. এগুলোও ইনসুলিনের মত injectable ওষুধ। Insulin এর বিকল্প হিসেবে এগুলো দেওয়া যায়। এগুলোর সুবিধা হল, এরা Glucose dependent insulin secretagogue. গ্লুকোজ বাড়লেই কেবল এরা insulin secretion বাড়ায়, তাই তারা হাইপোগ্লাইসেমিয়া করে না; অন্যদিকে insulin এর মত তারা weight gain ও করে না, তাই obese patient দের ক্ষেত্রে সহজেই এদের ব্যবহার করা যায়।

★ আর যারা injectable agent নিতে চায় না, আবার sulphonylurea ব্যবহারে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি আছে, তাদের জন্য মুখে খাওয়ার ওষুধের মধ্য সবচেয়ে ভাল হল incretin mimetics (DPP-4 inhibitors) যার মধ্যে আছে sitagliptin, vildagliptin, linagliptin ইত্যাদি। GLP-1 agonist এর মত এরাও glucose dependent insulin secretagogue, অর্থাৎ রক্তে গ্লুকোজ বাড়লে insulin secretion বাড়ায়, তাই এদের ক্ষেত্রেও হাইপোগ্লাইসেমিয়া হওয়ার ঝুঁকি নেই।

উপরের আলোচনা থেকে একটি বিষয় ক্লিয়ার, আর সেটি হল – রমযানে ডায়বেটিস রোগীদের অন্যতম ঝুঁকি হল হাইপোগ্লাইসেমিয়া!

রোযা রেখে তাই-
> হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয় এমন ড্রাগ খুব সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা।
> সবচেয়ে ভাল হয় DPP-4 inhibitors বা GLP-1 agonists এর মত incretin mimetics ব্যবহার করা যারা হাইপো করে না।
> আর একটা বিষয় যা আমরা সবাই জানি, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রধান দুটি নিয়ামক হল Diet ও Discipline. রমযান মাসে Diet control করতে যেয়ে যেন ইফতারির পর রাতের খাবার মিস না হয়। আর নিয়ম মানতে গিয়ে যেন দিনের বেলায় অতিরিক্ত পরিশ্রম করা না হয়। কারণ meal skipping (খাবার বাদ দেয়া) ও strenuous exercise (শারীরিক পরিশ্রম) দুটোই হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

পৃথিবীর সকল অসুস্থ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠুক, এবং চিকিৎসকরা সেই সুস্থতার আস্থাশীল নিয়ামক হিসেবে কাজ করুক, এই কামনায় শেষ করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

? রোযা অবস্থায় রোগী অসুস্থ হয়ে গেল, কারণ যদি হয় Hypoglycaemia তবে যে symptoms গুলো থাকবে,
> দূর্বলতা
> ঘাম হওয়া
> বুক ধরফর করা
> হাত পা কাঁপা
> কনফিউশন
> অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

এসব প্রকাশ পেলে ভাল হয় সাথে সাথে ব্লাড গ্লুকোজ চেক করে দেখা। যদি সেটা 4 mmol/L এর নিচে নেমে যায় তাহলে কনফার্ম Hypoglycaemia! চেক করা সম্ভব না হলেও যেহেতু symptoms আছে তাই,
> যদি রোগীর জ্ঞান থাকে তাহলে সাথে সাথে গ্লুকোজ বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন চিনির পানি, মিষ্টি, শরবত বা অন্য কোন শর্করা যা আছে বাসায় সেটাই খাইয়ে দিতে হবে।
> আর জ্ঞান না থাকলে সোজা হাসপাতাল, চিকিৎসা সেখানেই হবে, গ্লুকোজ শিরায় দিতে হবে।

আর এরকম কোন ঘটনা ঘটলে একটু খোঁজ খবর নিয়ে দেখতে হবে স্বাভাবিক খাবার গ্রহণে তার কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা। যদি তেমন কিছু হয় সেটা ঠিক করা। আর সেটা ঠিক থাকলে রোযা না রাখতে নিরুৎসাহিত করা এবং রোগীকে এ ব্যাপারে বুঝিয়ে বলা।

COVID-19 এর দুঃসময়ে সবাই সকল সমস্যা কাটিয়ে ঠিকভাবে রোযা রাখতে পারে সেই কামনা করছি। ধন্যবাদ।

ডা. কাওসার
ঢামেক, কে-৬৫
একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর, পোস্টগ্রাজুয়েট এডুকেশন, প্ল্যাটফর্ম একাডেমিয়া।

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা এবং পরে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।