মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬১২ কার্তিক ১৪৩৩ · ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ভাবনা

প্রসঙ্গ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং একটি ব্রেকিং নিউজ

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১০:৩০ · ২ মিনিটে পড়ুন
প্রসঙ্গ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং একটি ব্রেকিং নিউজ
লেখার আকার

প্রতিদিন দেশে কয় জন মানুষ মারা যান? স্যরি কয়জন হবে না- কয়
হাজার হবে। সেটাও না- ২০১১সালের সি আই এ ফ্যাক্টসবুক
অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় ১লক্ষ ৫৫ হাজার লোক মারা যায়।
কোন রোগে বেশি মারা যায়? WHO র সমীক্ষা অনুযায়ী non
communicable disease মানে হার্টের অসুখ, ডায়াবেটিস,
ফুসফুসের অসুখ, ক্যান্সার এগুলোতে মারা যায় প্রায় ৬৮ ভাগ।
সারাবিশ্ব এর ৩% লোক বাংলাদেশে বাস করে। সে হিসাবে প্রতিদিন
মারা যায় ৩ হাজার ১০০ রোগী। বাংলাদেশের
চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে সবার যে ধারণা তাতে এ সং্খ্যা কয়েকগুন
ধরার কথা। আমি ৩১০০ ই ধরলাম।
এখন আসি কোথায় কেমন রোগী মারা যান?
বাড়িতে অনেকেই
মারা যান, ধরি ২০০-৪০০।
উপজেলা হেলথ কম্পলেক্সগুলোতে
সাধারণত খুব একটা মারা যায় না – খারাপ রোগীকে রেফার
করে দেয়া হয়। তবুও উপজেলা হেলথ কম্পলেক্স এ ৫০০
রোগী মারা যায় প্রতিদিন ধরে নিলাম।
জেলা হাসপাতাল সেখানেও কম মারা যায়- রেফার হয় খারাপ রোগী।
ধরি ৬৪*৩ #১৯২ জন। সব মিলিয়ে ১০০০জন।
ঢাকার হাসপাতাল শেষ ভরসা- ধরলাম ১০০০ জন প্রতিদিন
মারা যান।আমি আগের সব হিসাবে আর ও ৫০০ যোগ করলাম। কারণ
Cardiac hospital আর Neonatal department এ
মৃত্যু অস্বাভাবিক কোন ঘটনা না।
ক্লিনিকে বেশি রোগী মারা যান
না- কারণ একটু critical condition হলেই
সরকারি হাসপাতালে রেফার করা হয়- reputation এর
একটা ব্যাপার আছে। তবুও ১০০ জন ধরলাম।
যাই হোক বাকি থাকে কত? ৫০০। এই ৫০০ রোগী প্রতিদিন
মারা যান বিভাগীয় শহরের হাসপাতালগুলোতে। সে হিসাবে প্রতিদিন
৬২ জন করে মারা যান বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে।
আমার এই লম্বা স্ট্যাটাস কোন গবেষণালব্ধ ফল না। কিছু নেট
ঘাটাঘাটি আর কিছু প্রতি লেভেলে নিজের কাজ করার অভিজ্ঞতা।
সিলেট মেডিকেলে ১ দিনে ৩২ জন মারা যাওয়াটা একটা ঘটনা-
তবে আপনি যদি সার্বিক দিক বিবেচনা করেন তবে সেটা একটা নিত্য-
নৈমিত্তিক ঘটনা। উপজেলা, জেলা সদর, বিভাগীয় পর্যায়ের সকল
খারাপ রোগী এখানে আসে রেফার হয়ে। ইমার্জেন্সিতে brought
dead, মেডিসিনের acute MI, CVD, শিশু বিভাগের LBW, HIE,
Neonatal sepsis, সার্জারিতে Acute Abdomen,
Head Injury, RTA, গাইনীতে PPH, APH এসব রোগের
কথা মাথায় থাকলে 32 people dead in a Tertiary level
hospital is a news but not at all breaking
news or a news to create panic.

ডাঃ অনুজ কান্তি দাশ

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক…

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য…

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে…

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।