নর্দান মেডিকেল কলেজে বসন্ত বরন উৎসব ১৪২৫

বসন্ত বরণ উৎসব ১৪২৫

নর্দান (প্রা:) মেডিকেল কলেজে বসন্ত বরণ উৎসব গত ২৮/০২/২০১৯ ইং, বাংলা ১৬ ফাল্গুন ১৪২৫ তারিখ
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

“ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক কাল বসন্ত” এই শ্লোগানে মুখরিত হয়ে বসন্তের শুরুটা কিছুদিন আগে হলেও মেডিকেলীয় প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে নর্দান মেডিকেলের ক্যাম্পাসে পালিত হলো “বসন্ত বরণ উৎসব”। এটাকে শুধু উৎসব বললে ভুল ই হবে কেননা নবীন-প্রবীন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকার মিলন মেলায় পরিনত হয়েছিলো পুরো কলেজ ক্যাম্পাস। এই উৎসবে কিছু কিছু আয়োজন নিয়ে উপস্থিত হয় কলেজের দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীরা। সাথে বাড়তি পাওনা ছিল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অসাধারণ উপস্থাপনা। পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে ছিলো বসন্তেরি বিলাস,ছিলো মেহেদী উৎসব,বাহারি ফুলের মেলা,আলপনার লাল-নীল রঙে রঙিন ক্যাম্পাসের মনোরম সাজসজ্জাকে আকর্ষণ করবে যে কাউকেই। আরোও ছিলো পিঠা উৎসব,বিভিন্ন গেইমিং ইভেন্ট, র‍্যাফেল ড্র ইভেন্ট, স্টেজ পারফরমার দের নাচ-গান, কবিতা আবৃতি সহ শ্রদ্ধেয় প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা:মোঃখলিলুর রহমান স্যারের মহা মুল্যবান বানী সমৃদ্ধ বক্তব্য।

পুরো অনুষ্ঠানটি ৪ টি ভাগে ভাগ করা হয়, প্রথম ভাগ ছিলো সকাল ১০ ঘটিকা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত এসময় শুভেচ্ছা বানী দিয়ে দিনটির শুভ সুচনা করা হয়।এরপরই পিঠা স্টল পরিদর্শন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। ১ টার সময় নামাযের বিরতি দেওয়া হয়। এরপর ২ টায় দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়।দুপুরের খাবার শেষে অত্র কলেজের প্রিন্সিপাল স্যার অধ্যাপক ডা:মোঃখলিলুর রহমান স্যারের হাত ধরে র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত ও পুরুষ্কার বিতরনী পর্ব শেষ করা হয়।এরপর শ্রদ্ধেয় শিক্ষক শিক্ষিকাদের অংশগ্রহনে গান,কবিতা আবৃতি,কৌতুক,নৃত্য অনুষ্ঠিত হয়।

এই ফাগুনে প্রকৃতি সৃষ্টি করে উদ্দোপনা আর ভালোবাসার। ফাগুনের ঝড়ে যাওয়া পাতা নতুন পাতার জন্মদেয়,নতুনের পরশে ছুয়ে যায় প্রকৃতি ও মনে।
এই বসন্ত উৎসবকে ভিত্তি করে উৎফুল্ল হয়ে উঠুক কলেজ ও হাসপাতালের সাথে সম্পৃক্ত সকল স্টাফ,নার্স,ডাক্তার,শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলীদের মন।

ছবিতে বসন্ত বরন উৎসব ১৪২৫:

প্ল্যাটফর্ম ফিচার ডেস্ক:
মো. মিনহাজুল কারীম তুষার

ওয়েব টিম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Next Post

ইচ্ছা পূরণ | ছোটগল্প

Sat Mar 2 , 2019
হারু কাকা, পুরো নাম হারুনোর রশীদ। আমাদের গাঁয়ের মাঝি। আমরা হারু কাকা বলি। যেবার আমি মেডিকেলে চান্স পেলাম, সেবার পুরো গ্রাম উৎসবে মেতে উঠেছিল। সবাই বাড়িতে এসে আমাকে দেখে গেলো, দোয়া করে গেলো। সন্ধ্যা হয় হয়, তবুও হারু কাকা উঠানের এক পাশে বসে থাকলো। শেষে বাবা বললো, “কি রে হারু, […]

সাম্প্রতিক পোষ্ট