শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

সার্জারির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (পর্ব-০৪)

প্রথম পর্বে উল্লেখিত সেই ক্ষতস্থানে গরম তেল ঢেলে দেওয়া আর পুরাতন কটারাইজেশন পদ্ধতি (অর্থাৎ, তপ্ত লোহার ছ্যাঁকা)-এর কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। আহত মানুষদের সেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিয়েছেন যিনি, আজ তাঁর সম্পর্কে জানলে কেমন হয়?

ষোড়শ শতাব্দীর একজন ফ্রেঞ্চ আর্মি সার্জন কীভাবে হয়ে উঠলেন সার্জারির অন্যতম জনক, আজ লিখছি সেই কথা।

আমব্রাস পাঁড়ে (Ambroise Paré) জন্মগ্রহণ করেন ফ্রান্সে, ১৫১০ সালে। ঘটনাবহুল ছিল তার জীবন।

বাবা ছিলেন কারিগর। বড় ভাই ছিলেন প্যারিসের একজন বার্বার সার্জন। প্রথমে পাঁড়ে তাঁর ভাইয়ের কাজ দেখে দেখেই শেখেন। এরপর ফ্রান্সের সবচেয়ে পুরাতন এবং একমাত্র পাবলিক হাসপাতাল থেকে শিক্ষা নেন। কিন্তু “বার্বার সার্জন” হওয়ার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার মত টাকা তাঁর কাছে ছিল না। তাই তিনি আর্মিতে ঢুকে যান। (সেটা তাঁর জন্য একদিক থেকে ভালই হয়েছিল। কেননা, তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে নিজের কাজ অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন।) আজ তিনি পরিচিত ব্যাটেলফিল্ড মেডিসিন-এর অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে।

যখনকার কথা বলছি, তখন চারপাশে যুদ্ধ লেগেই থাকতো। আহত মানুষদের সুস্থ্য করে তোলা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার ছিল। ভয়াবহতার কথা বুঝানোর জন্য ১৫৩৬ সালে মিলানের যুদ্ধের একটা ঘটনাই যথেষ্ট। পাঁড়ে সেখানে দুইজন সৈনিককে গুলিবিদ্ধ এবং দগ্ধ অবস্থায় পান। অন্য এক সৈনিক এসে পাঁড়েকে জিগ্যেস করে বুঝলো যে তাঁদের বাঁচার কোন আশাই নেই। তখন সে দ্রুত ছুড়ি বের করে দুইজনের গলা কেটে দিল। পাঁড়ে সেই দৃশ্য দেখে রাগে-দুঃখে চিৎকার করে উঠলো। সেই সৈনিক তখন বললো, নিজে এমন আহত হলে যে কেউই চাইবে কেউ তাঁকে মেরে ফেলে এই কষ্ট দূর করুক!

বন্দুকের গুলির আঘাতের জায়গায় ফুটন্ত তেল ঢেলেই পাঁড়ে প্রথমদিকে চিকিৎসা করতেন। কিন্তু একবার যুদ্ধক্ষেত্রে তেল শেষ হয়ে গেল। এদিকে তার কাছে একের পর এক আহত সৈনিক আসতে থাকলো। উপায় না দেখে তিনি রোমানদের পুরাতন পদ্ধতি অবলম্বন করলেন। ডিমের সাদা অংশ, গোলাপজল আর তার্পিন-এর মিশ্রণ ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দিলেন। তার এই কাজ দেখে আশেপাশের সবাই-ই বিরক্ত হলো। অনেকে বলেও ফেললো, এই সৈন্যরা একদিনও বাঁচবে না! এসব শুনে পাঁড়েও বিচলিত হয়ে গেছিলেন। তাই রাতের অন্ধকার কাটতেই রোগীদের দেখতে গেলেন। অবাক হয়ে দেখলেন, যাদের ক্ষতস্থানে গরম তেল দেওয়া হয়েছিল তারা ব্যাথায় কাৎরাচ্ছে, ক্ষতস্থানে লাল হয়ে ফুলে গেছে, অনেকে মারাও গেছে। কিন্তু নতুন চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীরা ঘুমিয়ে আছে। ক্ষতস্থানের অবস্থাও অন্যদের চেয়ে ভাল।

এরপর থেকে তিনি এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে লাগলেন। তবে অন্যেরা এর ব্যবহার শুরু করে ১৫৪৫ সালে তার বই (Methods of Treating Wounds) বের হওয়ার পর থেকে।

দ্রুত ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করার জন্য তখন তপ্ত লোহার ছ্যাঁক দেয়া হতো (কটারাইজেশন)। সিল্কের সুতা দিয়ে ক্ষতস্থান সেলাই করার কথা সবাই জানতো। কিন্তু তাতে রক্তপাত বন্ধে বেশি সময় লাগতো বলে কেউ সেলাই করতো না। অথচ লোহার ছ্যাঁক দেওয়ার ফলে প্রায়ই রোগী শকে চলে গিয়ে মারা যেত। এসব দেখে পাঁড়ে সেলাই করাকেই বেঁছে নিলেন। সাথে রক্তপাত কমাতে গ্যালেনের ধমনী সেলাই করার পদ্ধতিটা আবার চালু করার সিদ্ধান্ত নিলেন। এজন্য তিনি বিশেষভাবে ডিজাইন করলেন “Crow’s Beak”  নামের হেমোস্ট্যাট (Haemostat), যেটাকে আধুনিক হেমোস্ট্যাটের পূর্বপুরুষ বলা যায়।
(এছাড়াও তিনি লিম্ব প্রসথেসিস থেকে শুরু করে ওকুলার প্রসথেসিস পর্যন্ত ডিজাইন করেছেন।)

১৫৬৪ সালে প্রকাশিত তাঁর বই “Treatise on Surgery”-তে এম্প্যুটেশনের সময় রক্তপাত কমানোর এই পদ্ধতিগুলো বর্ননা করা হয়েছে। (ইনফেকশনের কারণ জানার প্রায় ৩০০ বছর আগের কাহিনী এটা! তখনো এন্টিসেপটিক সম্পর্কে কারো ধারণা ছিল না। তাই প্রচুর ইনফেকশন হলেও আগের যেকোন পদ্ধতির চেয়ে তখন পাঁড়ের পদ্ধতিগুলো সার্জারির দুনিয়া বদলে দিয়েছিল) এজন্য তাঁকে বলা হয় সার্জিকাল টেকনিকসের পথিকৃৎ।

Phantom Limb বা “ফ্যান্টম লিম্ব” খুব অদ্ভুত একটা ব্যাপার। এটা মূলত কেটে ফেলে দেওয়া অঙ্গে চুলকানো বা ব্যাথা অনুভব করা! এসম্পর্কে পাঁড়ে বর্ননা করেছেন আহত সৈনিকদের এম্প্যুটেশন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে। তখন এটা নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা কারোরই তেমন ছিল না। পাঁড়েই প্রথম ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেন যে এই অনুভূতির উৎস মস্তিষ্ক (কেটে ফেলা অঙ্গের বাকি অংশ নয়)। আজ আমরা জানি, সেটাই সঠিক!

সার্জারির সাথে সাথে তিনি কিন্তু মডার্ন ফরেনসিক প্যাথলজিরও জনক! তাঁর লেখা বিভিন্ন পদ্ধতি থেকেই মূলত আধুনিক ফরেনসিক প্যাথলজির পথচলা শুরু। তিনি কোর্টসহ বিভিন্ন লিগ্যাল রিপোর্ট লেখার পদ্ধতির প্রচলন করেছেন। আবার ভায়োলেন্ট ডেথ-এর ক্ষেত্রে ইন্টার্নাল অরগ্যান ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ভূমিকাও বর্ননা করেছেন।

১৫৪২ সালে এক ফ্রেঞ্চ কমান্ডারের কাঁধে লাগা গুলি খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন পাঁড়ে বুদ্ধি করে কমান্ডারকে ঠিক সেইভাবে দাঁড়াতে বললেন যেভাবে তিনি গুলি খাওয়ার সময় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এরপর তিনি শত্রুপক্ষের অবস্থান হিসাব করে গুলির অবস্থান বের করে ফেললেন!

ওদিকে ১৫৬৭ সালের বিখ্যাত একটা ঘটনায় পাঁড়ে ফরেনসিক টক্সিকোলজিতেও ছাপ ফেলেন। তখনকার দিনে এক ধরনের পাথরকে Bezoar stone) সবরকম বিষের এন্টিডোট হিসেবে বিশ্বাস করা হতো। এটা নিয়ে পাঁড়ের সন্দেহ ছিল। তখনই এক রাধুনীকে চুরির অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। পাঁড়ে তখন একটা পরীক্ষা চালালেন। তিনি রাধুনীকে বিষপানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করানোর জন্য রাজি করালেন এই শর্তে যে, বিষপানের পর এই পাথরের জন্য যদি সে বেঁচে যায় তাহলে সে মুক্তি পাবে। কিন্তু দেখা গেল ৭ ঘন্টা পর প্রচণ্ড কষ্ট নিয়ে ঠিকই তার মৃত্যু হলো। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হল যে এই পাথর সব ধরনের বিষের জন্য এন্টিডোট হিসাবে কাজ করে না।

পাঁড়ে অন্যদের মত গতানুগতিক পদ্ধতিতে অন্ধের মত বিশ্বাস করতেন না, বরং চিন্তাভাবনা করে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে ফলাফল দেখতেন। তাঁর “Journeys in Diverse Places” নামক বইতে তিনি সেসব অভিজ্ঞতার কথাই লিখেছেন।

তিনি ১৫৫২ সালে রাজদরবারে “বার্বার সার্জন” হিসেবে যোগদান করে পরপর চারজন ফ্রেঞ্চ রাজার (দ্বিতীয় হেনরি, দ্বিতীয় ফ্রান্সিস, চতুর্থ চার্লস এবং তৃতীয় হেনরি) সান্নিধ্যে কাজ করেন।

১৫৭৫ সালে তিনি তাঁর সবগুলো লেখা মিলিয়ে বই আকারে বের করলেন। যথরীতি তাঁকে মিথ্যুক-জোচ্চোর ইত্যাদি উপাধিতে ভূষিত করে তিরস্কার করতে থাকলো মেডিকেল কমিউনিটির সবাই। তখন এই ফিল্ডে তিনটা লেভেল ছিলঃ

১মঃ ফিজিশিয়ান বা চিকিৎসক
২য়ঃ মাস্টার সার্জন
৩য়ঃ বার্বার সার্জন

পাঁড়ে ছিলেন সর্বনিম্ন লেভেলে। হিংসার বশে নিয়ম করা হলো যে মেডিকেলের কোন বই-ই ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিন অর্থাৎ, ফিজিশিয়ান লেভেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা যাবে না! কিন্তু সরাসরি রাজার হস্তক্ষেপ থাকায় পাঁড়েকে এসবে ভ্রূক্ষেপ করতে হয়নি। ১৫৮৫ সালে তিনি তাঁর অপমানের উচিত জবাবসহ প্রকাশ করেন “The Apology and Treatise of Ambroise Paré”

মজার ব্যাপার হচ্ছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানের এত বড় দিশারী হওয়ার পরেও ধর্মের দিক থেকে তার নিস্তার ছিল না! ১৫৭২ সালের ২৪ আগস্ট ফ্রান্সের ভয়ংকর ধর্মযুদ্ধে প্রচুর মানুষ মারা পড়ছিল। পাঁড়েও খুব ঝামেলায় পড়েন। কিন্তু রাজা চতুর্থ চার্লস তাঁকে লুকিয়ে রেখে সেই যাত্রায় বাঁচিয়ে দেন। পরে ১৫৯০ সালে তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে।

চিকিৎসকরা প্রায়শই বলে থাকেন “আমাদের যতটুকু করা সম্ভব আমরা করেছি, বাকিটা উপরওয়ালার হাতে”। ১৫৩৭-৩৮ সালের দিকে ক্যাপ্টেন র্যাটের চিকিৎসার পর নিজের নোটপত্রে পাঁড়ে প্রথম লেখেন “I bandaged him and God healed him”। রোগী ভাল হয়ে গেলে তিনি সর্বদা বলতেন “I treated him. God cured him)”… অর্থাৎ, চিকিৎসকদের বহুল ব্যবহৃত এই বাক্যটার প্রবক্তা কিন্তু স্বয়ং পাঁড়ে!

ঈদ মোবারক সবাইকে! ঈদের পর আশা করি নতুন কিছু আসছে!
আদিবা তাসনিম
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ
সেশনঃ ২০১২-১৩
সম্পাদনাঃ তানজিল মোহাম্মাদীন

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

World Health Organization

কলেরা, মেনিনজাইটিস ও প্লেগের সর্বশেষ বৈশ্বিক প্রবণতা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্ল্যাটফর্ম প্রতিবেদক: এস এম এম মুসাব্বির উদ্দিন বিশ্ব  স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে প্রতিবেদন করা কলেরা আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। সর্বশেষ Weekly Epidemiological Record-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে

বিস্তারিত পড়ুন
ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।