মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

রেসিডেন্সি এডমিশন টেস্ট মার্চ ২০১৭-সাবজেক্ট চয়েজ

লিখেছেন ঃ ডা. মোহিব নীরব

“DEGREE IS GUTS”- আপনার পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি আছে, টাকার অংকে সম্মান, পরিবার পরিজন সমাজের চোখে সাফল্য আছে। ডিগ্রি নেই, আপনার কিছুই নেই সহানুভূতি আর মন ছোট হয়ে থাকা ছাড়া। অথচ কেউ জানেও না, চাকরি-সংসার-খ্যাপ/চেম্বার সব মিলিয়ে কি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। যাক সে কথা।

রেসিডেন্সি এডমিশন টেস্ট মার্চ ২০১৭ আবার আরেকটা সুযোগ আপনার সামনে। এক দিনে তিন ঘন্টার একটা পরীক্ষা আপনার জীবন বদলে দেবে। তবে ক্রিকেটাররা মাঠে খেলার আগে যেমন কোচ সবার সাথে স্র্যা টেজি ঠিক করে, তেমনি নিজের ঠিক করা স্ট্র্যাটেজি ঐ তিন ঘন্টার পরীক্ষায় আপনাকে এডভান্টেজ দিতে পারে। সাবজেক্ট চয়েজের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে লিখছি।

এন্ডোক্রাইন, কার্ডিওলজি, নিউরোলজি, কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি বনাম প্যালিয়েটভ কেয়ার মেডিসিন, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন, ভাসকুলার সার্জারি। এই সাবজেক্টগুলোর নামের পেছনে কতগুলো ধাঁধাঁ আছে। আসুন সেগুলো সল্ভ করি।

পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রির সাবজেক্ট চয়েজের আগে ৪ টি বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন।

প্রথমত, আপনি এই সাবজেক্টে চান্স পাওয়ার জন্য প্রস্তুত ও যোগ্য কি না?
দ্বিতীয়ত, চান্স পাবার পর আপনি এই সাবজেক্টে পড়াশোনা চালিয়ে যাবার মত সামর্থ্য, ধৈর্য ও স্কিল রাখেন কি না?

তৃতীয়ত, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি সম্পন্ন হবার পর আপনার সাবজেক্টের চাহিদা কেমন থাকবে? সরকারি চাকরিতে কন্সাল্টেন্ট/অধ্যাপক পর্যায়ের পোস্ট ফাঁকা থাকবে? বেসরকারি এপলো, স্কয়ার, ল্যাব এইড ইত্যাদি হাসপাতালে চাকরি অথবা নিজ বিভাগীয়/জেলা শহরে স্বাধীনভাবে প্র্যাকটিস করে টিকে থাকতে পারবেন কি না?

চতুর্থত, পোস্টগ্র্যাজুয়েশন শুধু ডিগ্রি নয় আপনার ভবিষ্যত জীবন-লাইফ স্টাইল, ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছা-স্বাচ্ছন্দ্য, পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক নির্ধারণ করে দেবে। আপনি আজ যে সিদ্ধান্তটি নিচ্ছেন বাকি জীবন এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকতে পারবেন কি না?

অনেকের কাছে এই প্রশ্নগুলো অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে, তাই ব্যাখা করছি।

প্রথম চ্যালেঞ্জ চান্স পাওয়া। আপনার প্রথম পছন্দের সাবজেক্টে মোট কতটি সিট গতবার ছিল এবং এ সাবজেক্টে আনুমানিক কম্পিটিশন জানেন কি? এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, সিট এবং কম্পিটিশন অনুযায়ী আপনার প্রস্তুতি কেমন এবং পরীক্ষা হলে আপনার চান্স পাবার সুযোগ কেমন? দুটো সাবজেক্টের মাঝে তুলনা করি, কার্ডিওলজিতে মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানে সরকারি সিট ১৬, বেসরকারি ১৯, এন্ডোক্রাইনে ২টি প্রতিষ্ঠানে সরকারি ৪, বেসরকারি ৮। এবং এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় মেডিসিন ফ্যাকাল্টিতে কার্ডিওলজি, এন্ডোক্রাইন, নিউরোলজি(৫টি প্রতিষ্ঠানে ১৪টি সরকারি, ১২টি বেসরকারি সিট) এই তিনটি সাবজেক্টে সর্বোচ্চ মেধাবীরা পরীক্ষা দেবেন। আপনি যদি সর্বোচ্চ মেধাবী হন, প্রস্তুতি শতভাগ থাকে এবং এই তিনটি সাবজেক্টের যে কোন একটি আপনার পছন্দের তালিকায় থাকে তাহলে অংকের হিসেবে বলুনতো কোনটিতে আপনার সুযোগ পাবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি?
যারা এখনো সাবজেক্ট নিয়ে কনফিউজ, নিজে নিজে একটি তালিকা তৈরি করুন, হেভিওয়েট পরীক্ষার্থী এবং এক সিটের বিপরীতে কম্পিটিশন বিবেচনায় মেডিসিন ফ্যাকাল্টিতে সাবজেক্টের ক্যাটাগরি।

রেডঃ এন্ডোক্রাইন, কার্ডিওলজি, নিউরোলজি।
অরেঞ্জঃ পালমোনলজি, নেফ্রোলজি, গ্যাস্ট্রোলোজি, হেপাটোলজি, ইন্টারনাল মেডিসিন
ইয়েলোঃ স্কিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন, রিউমাটোলজি, অনকোলজি
গ্রিনঃ অবশিষ্ট বিষয় (পেডিয়াট্রিক্স এ তালিকার বাইরে)।

ব্যক্তিগতভাবে আমি এরকম এক বড় ভাইকে চিনি যিনি সার্জারি ফ্যাকাল্টির একটি সাবজেক্টের জন্য ৪ বছর চেষ্টা করেছেন যেখানে সার্জারি ফ্যাকাল্টির অন্যান্য সাবজেক্ট এ পরীক্ষা দিলে তিনি হয়ত অনেক আগেই চান্স পেয়ে যেতেন। মূল বাঁধা যখন চান্স পাওয়া, এবং কেবল প্রস্তুতি, পরিশ্রম, মেধাই সব নয়, সৌভাগ্য ও ক্যালকুলেশন ম্যাটার্স সেখানে অনুরোধ থাকবে কোন সাবজেক্টেই রিজিড না থাকার।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ চান্স পাওয়া সাবজেক্টে টিকে থাকা। গতকয়েক বছরে কোর্সে চান্স পেয়েও ছেড়ে দেয়া কয়েকজন চিকিৎসকের ঘটনা জানার দূর্ভাগ্য আমার হয়েছে, যারা ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের চেয়েও যারা টিকে আছেন তাঁদের অবস্থা মর্মান্তিক। পৃথিবীতে কোন চাকরিই যেমন সুখের নয়, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন কোন সাবজেক্টই সহজ ও অন্যান্য জটিলতামুক্ত নয়। পাশ করায় না এরকম অনেক ব্লক যেমন আছে, আবার আটটা-আড়াইটা ক্লাসের পর রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত অঘোষিত লাইব্রেরি ওয়ার্ক করতে বাধ্য করা হয় এমন বিভাগও আছে। কোন কোন বিভাগে সকল কোর্সমেট মহিলা চিকিৎসক এটাকেও চ্যালেঞ্জ মনে করেছেন কেউ কেউ, আবার ঢাকার বাইরে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে কোর্স তেমন গোছানো নয়, দেখার কেউ নেই, কামলা খাটানো হয় অথবা ক্লাস নয় কেবল পরীক্ষাই নেয়া হয় এরকম অভিযোগ আছে। খোদ মূল প্রতিষ্ঠানেই একটা সময় কোর্স টিকবে না সহ বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্য করা হত, রেসিডেন্সির বেতন ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা, স্বাভাবিক আরো অন্যান্য সমস্যাতো আছেই। ক্লাস, কেস প্রেজেন্টেশন, রাউন্ড, আউটডোর, থিসিস, ডিউটি ম্যানেজ করে রেসিডেন্সি ভাতার ১০ হাজার মুষ্টিভিক্ষার বাইরে সংসার চালাতে গিয়ে সপ্তাহে একদিন খ্যাপ, ক্লিনিকের নাইট ডিউটি করে ৫-৬ বছর টিকতে পারবেন কি না মাথায় নিয়ে কোর্সে আসবেন। পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন/ট্রেনিং চলাকালে পেরিফেরিতে অথবা বড় শহরগুলোতে আপনি নিজের স্পেশালিটির নলেজ দিয়ে স্বাধীনভাবে চেম্বার/বড় স্যারদের সহকারী হিসেবে কাজ করে নিজের খরচ চালাতে পারবেন কি? পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকের স্কিল নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা আমার নেই তবু এই দিকটাও খেয়াল রাখবেন।

তৃতীয় চ্যালেঞ্জ চিকিৎসা পেশায় আপনার এই ডিগ্রি অর্থনৈতিক ও চাকরিতে কতটুকু এগিয়ে রাখবে। পোস্টগ্র্যাজুয়েশনের পর আপনার সাবজেক্টের রোগীদের চাহিদা কেমন থাকবে? সরকারি চাকরি করতে চাইলে আপনার বিষয়ে মেডিকেল কলেজ অথবা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালগুলোতে কী পরিমাণ(কন্সাল্টেন্ট/অধ্যাপক) পদ আছে? পাশ করতে করতে কতটা ফাঁকা থাকবে অথবা নতুন পোস্ট সৃষ্টির সুযোগ আছে কিনা? সরকারি চাকরি না করতে চাইলে বেসরকারি ফাইভ স্টার হাসপাতালগুলোতে(স্কয়ার/এপোলো/ইউনাইটেড) কোন চাহিদা আছে কিনা আপনার স্পেশালিটির? পপুলার/ল্যাব এইড বা এ ধরনের সেন্টারগুলোতে মূলত সিনিয়র অধ্যাপকগণ সরকারি চাকরিতে থেকে অথবা অবসর নেবার পর কাজ করেন-এটা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি আমার নিজের স্পেশালিটি অনকোলজির একটি উদাহরণ দেই, বাংলাদেশে এ মূহুর্তে ক্যান্সার রোগী আনুমানিক ১২ লক্ষ, সে তুলনায় বিশেষজ্ঞ অনকোলজিস্টের সংখ্যা অনেক কম (সংখ্যাটি একশ জনের বেশি নয়)। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে অনকোলজিস্টের যতগুলো পোস্ট আছে সবগুলো পূর্ণ নয় এবং আগামী কয়েক বছরেও সেগুলো পূর্ণ হবার সম্ভাবনা কম। এছাড়া নতুন পদ সৃষ্টির ও সম্ভাবনা আছে (জানা মতে সরকারি পুরনো ১৪টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেডিওথেরাপি বিভাগ আছে, ৮টি তে রেডিওথেরাপি মেশিন আছে)। এ বছর অনকোলজি বিভাগ থেকে দু’জন শ্রদ্ধেয় সিনিয়র পাশ করেছেন বেসরকারি হিসেবে যাদের একজন সরাসরি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বেসরকারিতে অন্যজনের এপলো, ইউনাটেড হাসপাতালে বেশ ভালো স্যালারি(লাখের উপরে) অফার আছে । বেসরকারি খাতে বেশ অনেকগুলো ক্যান্সার হাসপাতাল ইতিমধ্যে চালু আছে নতুন করে অনেকগুলো চালু হবে আগামী কয়েক বছরে। ঢাকার বাইরে বিভাগীয় ও জেলা শহরে অনকোলজিস্টের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। আমি যে জেলায় চাকরি করতাম সেখানে অনকোলজিস্ট দু’জন মাত্র প্রাক্টিস করতেন। তবে অনকোলজিতেও প্রচুর চ্যালেঞ্জ আছে, অনিশ্চয়তা আছে সেগুলো অন্য কোন পোস্টে লিখবো। ডিগ্রি সংক্রান্ত আরো দুটো বিষয়ে খেয়াল রাখতে পারেন, ইন্টারন্যাল মেডিসিন, গাইনি বা সার্জারিতে যারা ক্যারিয়ার করবেন তাঁদের কে এমআরসিপি, এমআরসিওজি ও এমআরসিএস করা চিকিৎসকদের সাথে আসছে দিনগুলোতে কম্পিট করতে হবে। এছাড়া যে সকল বিষয়ে ডিপ্লোমা পোস্ট গ্র্যাছজুয়েট চিকিৎসক আছেন যেমন ডিএ,ডি অর্থো, ডিসিএইচ সে সকল বিষয়ে পেরিফেরিতে আপনার এমডি/এমএস ডিগ্রি নিয়েও রোগী দেখার ক্ষেত্রে উচ্চতর ডিগ্রি থাকলেও অভিজ্ঞতায় কিছুটা পিছিয়ে থাকবেন শুরুতে। তৃতীয় চ্যালেঞ্জটি নিয়ে এক লাইনে শেষ করছি- বাংলাদেশে মেডিসিনে এফসিপিএস করা চিকিৎসক আছেন আনুমানিক ৯৫০+ এর মত, সার্জারি, গাইনিতে এরকম হাজার বা এগারোশোর মত(এক্সাক্ট সংখ্যাটা আমার বাসার পিসিতে আছে, আমি এখন ঢাকার বাইরে তাই লিখতে অপারগ)। এখন আপনি যতদিনে যত কষ্টে এ সকল বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করবেন তত দিনে এ সকল বিষয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বাংলাদেশে থাকবে। আপনি নতুন করে পাশ করে এসে কতটুকু উপযোগী হবেন বিবেচনার ভার আপনার কাছেই রইলো।

সর্বশেষ কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ আপনার পেশা আপনার ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে কতটা প্রভাব ফেলবে, কতটা আপনি এলাউ করবেন, কতটা মানিয়ে নেবেন, কতটা ছাড় দেবেন। এবার রেসিডেন্সি দিচ্ছে এমন অন্তত ৩ জন আপা কে চিনি যিনি সকালে উপজেলার আউটডোরে দেড়শ রোগী দেখে, বাসায় দুগ্ধপোষ্য শিশুকে যত্ন নিয়ে, আরেক শিশুকে ঘুম পাড়িয়ে, ঘরের কাজ করে সপ্তাহে মাত্র ৭-১০ ঘন্টা পড়ার সময় পাচ্ছেন। ইনশা আল্লাহ তাঁরা চান্স পেয়েও যাবেন। কিন্তু এভাবে বাকি জীবন কি চলবে? আপনার পোস্ট গ্র্যাজু্য়েশন আপনার বাকি জীবনের অবসর, বাড়ি ফেরার সময়, পরিবারকে কতটুকু টাইম দেবেন তা নির্ভর করবে। এনেস্থেশিয়া বা প্যাথোলজি বা সার্জারি বিশেষজ্ঞের লাইফস্টাইল নিশ্চয়ই এক হবে না।

লিখতে থাকলে এ লেখা হয়ত কখনো শেষ হবে না, এখানেই থামছি। দুটো বিষয় লিখে শেষ করছি,
পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন হয়ে যাওয়াটাই শেষ কথা নয়। এরকম বেসিক সাব্জেক্ট আছে যেখানে এফসিপিএস করেও সিনিয়র অধ্যাপকের অধীনে ল্যাবে ২৫-৩০ হাজার মাসিক বেতনে চাকরি করতে হয়, ক্লিনিক্যাল সাবজেক্টে ওটিতে ফার্স্ট এসিস্ট্যান্ট হিসেবে দাঁড়াতে হয়, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের পরেও নোয়াখালি বা মৌলভিবাজারে, নাটোর, নওগাঁতে চেম্বার করতে যেতে হয়।

সেরা হতে আমরা সবাই চাই, কিন্তু একই পরিশ্রম, মেধা দিয়ে সব ফিল্ডে সেরা হওয়া যায় না। এজন্য ইচ্ছের সাথে নিজ যোগ্যতার সাথে পরিশ্রম ও মেধা ম্যাচ করে কিনা সেটা দেখেই ১০০% এফোর্ট দিলে সৌভাগ্য থাকলে মিশন কমপ্লিট হবে। সব কথার শেষ কথা, রেসিডেন্সি কোন ডেস্টিনেশন নয় বরং বিগিনিং ওফ এ জার্নি। গুড লাক।

বিঃদ্রঃ মন্তব্যগুলো সম্পুর্ণ ব্যক্তিগত ধারণা নির্ভর। রেসিডেন্সি প্রস্তুতি, বেসিক সাবজেক্ট ও অনকোলজি নিয়ে আলাদা পোস্ট ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেলে দেয়ার চেষ্টা করতে পারি।

এই বিষয়ে আরও জানতে চাইলে,

রেসিডেন্সি এডমিশন টেস্ট মার্চ ২০১৭,সিদ্ধান্ত নিন এখনই

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা এবং পরে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা

বিস্তারিত পড়ুন

7 thoughts on “রেসিডেন্সি এডমিশন টেস্ট মার্চ ২০১৭-সাবজেক্ট চয়েজ”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।