সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

তাসুকো হোনজীর নোবেল বিজয়ী গবেষনায়, বাংলাদেশী ডা. হেলেনা ইসলাম এর গল্প

হেলেনা ইসলাম,নোবেল বিজয়ী ইমিউনলজিস্ট তাসুকো হোনজো’র গবেষনায়

সম্প্রতি ঘোষণা হয়ে গেল ২০১৮ সালে চিকিৎসায় নোবেল বিজয়ীদের নাম । ক্যান্সারের চিকিৎসায় ইমিউনলোজির প্রয়োগের জন্য এ বছর চিকিৎসায় নোবেল পান যুক্তরাষ্ট্রের জেমস পি এলিসন ও জাপানের তাসুকো হোনজো ।
এই তাসুকো হোনজো’স গবেষনা কার্যের সাথে গত ৪ বছর ধরে যুক্ত আছে বাংলাদেশের একজন কৃতি সন্তান হেলেনা ইসলাম । এমবিবিএস পাশ করার খুব ভালোভাবেই কাজ করছিলেন নবীন চিকিৎসক হবার পরেও । চিকিৎসক হিসেবে দেশেই ছিল উজ্জ্বল সম্ভাবনা। তবু গবেষনা কাজের প্রতি আগ্রহ তাকে টেনে নিয়ে গেছে জাপানে । তাও এমন একজন অধ্যাপকের তত্ত্বাবধানে,যাকে এখন চেনে দুনিয়ার প্রতিটা মানুষই ।


তাসুকো হোনজো’র নোবেল প্রাপ্তির পর এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন হেলেনা ইসলাম। বলেছেন তাসুকো হোনজোর সম্পর্কে, বলেছেন তার অনুভূতির কথা ।

তার ভাষায়ই তুলে ধরি –
– “যদ্যপি আমার গুরু”
হ্যা কিছু লিখতে চাই।
আমার পিএইচডি প্রফেসর তাসুকো হোনজোকে নিয়ে।
এই দুঃসাহস দয়া করে ক্ষমার সৌন্দর্য মেখে পড়বেন।
আপনারা সবাই জানেন , ২০১৮ সালের চিকিৎসায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেমস পি এলিসন ও জাপানের তাসুকো হোনজো।

প্রফেসর তাসুকো হোনজো, হোনজো সেনসি নামে যিনি সমগ্র জাপানে সুপরিচিত। না না অত্যন্ত সুপরিচিত।
সেনসিকে নিয়ে আজ সারা জাপান যে সরব ব্যাপার তা নয়, অনেক বছর সেনসি জাপানে একজন তারকা বিজ্ঞানী।
আমি, আমরা যারা উনার দুনিয়াখ্যাত গবেষণাগারের সদস্য , বছরে এই সময়, চাতকের মত সদা অপেক্ষমান সাংবাদিক চ্যানেলওয়ালাদের দেখতাম স্যারের অফিস ঘরের বাইরে। পর পর দুইবার মূল তালিকায় থাকা স্যারের নাম শেষ পর্যন্ত নোবেল জয়ীর ঘোষণায় না আসাতে আমরা খুব হতাশ হতাম। যদিও স্যার কিংবা তাঁর সেক্রেটারীদের এই বেপারে ভালো মন্দ কোন প্রকাশ ভঙি দেখিনি , বুঝতে পারিনি।

এর শুরুটা ছিল কেমন ? কিভাবেই বা হেলেনা ইসলাম তাসুকো হোনজোর সাথে কাজ করার সুযোগ পেলেন ?
– ২০১৩ সালের অক্টোবরে আমি জাপানের ওসাকায় পা রাখি ।
এটাই আমার প্রথম জাপানে আসা। দিনাজপুরে একজন নবীন চিকিৎসক হিসেবে আমার শুরুটা বেশ ভালো আর নিজের কাজ মারাত্বক আগ্রহ নিয়ে করছিলাম।
তবুও কেন যেন হঠাৎ জাপান চলে আসলাম সব থামিয়ে।
১৫ই এপ্রিল ২০১৪ সাল, কিয়োতো ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট ঘেঁটে , এড্রেস নিয়ে , স্যারকে জানিয়েছিলাম আমার গবেষণা পরিকল্পনা। একটা কমন ইমেইল যা আমি আরো বেশ কয়েকটা ইউনিভার্সিটির গবেষণাগারে পাঠিয়েছিলাম।
বিকাল ৩:৩২ এ করা ইমেইলের উত্তর পাই ৫৪ মিনিট পর। স্যার আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে গবেষণাগার পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালেন ।
প্রচন্ড আনন্দে স্তব্ধ , ততক্ষনে ইউটিউব, উইকি ঘেঁটে উপলব্ধির কেবল শুরু যে উনি সাধারণ কোন প্রফেসর নন।
নাগোয়া এলাকার বড় ভাই , ডঃ শাহীন, স্যারের নাম যেই না শুনলেন , ঘন্টাখানেক শুধু বুঝিয়েছেন হোনজো সেনসি আর হোনজো সেনসির গবেষণাগারের উচ্চতা।
১৯ আর ২১ এপ্রিল স্যারের সময় আছে জানিয়ে, সেক্রেটারি আমাকে ফিরতি ইমেইল করেন।
প্রথম সাক্ষাতে ১ ঘন্টা সময় দেন স্যার , আর সবশেষে এটাও বলেন , আমি কখন থেকে কাজে যোগ দিতে পারবো, জানাতে।

১ ঘন্টায় তাঁর উচ্চারিত প্রতিটি শব্দ মুক্তার মত উজ্জ্বল হয়ে আমার চোখের সামনে যেন ভাসছিল এবং সেটা আজ এখনো।
আমার মত অতি সামান্য-নগন্য এক ছাত্রকে স্যার এইভাবে সময় আর সুযোগ দিয়ে দিবেন কোন দূরতম ভাবনাতেও ছিলনা।
এইতো , হয়ে গেলাম দুনিয়ার সেরা ইমিনোলোজী গবেষণাগারের এক নগন্য সদস্য। অতি অতীব সৌভাগ্যবান আমি।
হ্যা,সৌভাগ্যবান তো বটেই,কিন্তু তার কর্মদক্ষতা ও মেধাই তাকে নিয়ে গেছে সেরাদের কাতারে। তিনি সুযোগ পেয়েছেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপকের অধীনে পিএইচডি করার সুযোগ ।
তাসুকো হোনজো সম্পর্কে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন হেলেনা ইসলাম। একজন নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী কর্মক্ষেত্রে কেমন ,মানুষ হিসেবে কেমন তাও জানিয়েছেন তিনি ।


– হোনজো সেনসি সবসময় ‘সৌভাগ্য’ নিয়েই একটা কথা বলেন, যে একজন ইমিওনোলোজীস্টের ভাগ্য খুব সুপ্রসন্ন হতে হয়।
আমরা ইঞ্জিনিয়ার না , আমাদের পক্ষে প্রোগ্রাম করে , ডিজাইন করে কিছু করা সম্ভব না। আমরা শুধু একাগ্রতা আর অধ্যাবসার নিয়ে খুঁজে যেতে পারি। বাকিটা ভাগ্য কিংবা সৌভাগ্য। নোবেল প্রাপ্তির আগে বা পরে স্যার বিশেষ/সাধারন প্ৰাসংগিক যে কোন আলোচনায় এই কথাটা সবাইকে জানিয়ে দেন।
নোবেল কমিটির ফোন প্রথম রিসিভ করেন হোনজো সেনসির সবচে গুরুত্বপূর্ণ সেক্রেটারি ফুকুই সান। প্রতক্ষদর্শী যারা ছিলেন সবাই জানিয়েছেন ফুকুই সান ঝরঝর করে কান্না করছিলেন আর হোনজো সেনসি তাঁকে খুশিতে জড়িয়ে ধরেন।
হোনজো সেনসি নোবেল প্রাপ্তির সংবাদ আমাদের সাথে খুব দ্রুত শেয়ার করেন এবং আমরা টিম মেম্বাররা সাথে সাথেই গ্রূপ ছবি তুলি। এই ছবি নোবেল কমিটি খুব দ্রুত টুইট করে।
হোনজো সেনসি তাঁর নোবেল প্রাপ্তিতে কিভাবে রেগুলার কেমন রুটিন থেকে একটুও পাল্টাননা আমি অবাক হয়ে ভাবি এবং ভাবছিই..

নোবেল প্রাপ্তি সংবাদে তিনি অনেক উৎফুল্ল হন। এইটুকুই , এর কয়েকমিনিট পর আমাদের এক সহকর্মী ছাত্র’র কাছে এই বলে ক্ষমা চান যে তিনি পরেরদিন উল্লেখিত ছাত্রের জার্নাল সেশনে যোগ দিতে পারবেন না।
আমরা সবাই ধরেই নেই যে স্যার পরেরদিন সুপার বিজি হয়ে যাবেন এবং হয়তো ল্যাবে আসবেন না, সময় দিতে পারবেন না..
স্যার যথারীতি এসেছেন। এসেই আমাদের খুব আন্দিত হয়ে জানালেন, “জানো আমি ৪০০ শুভেচ্ছা মেইল রিসিভ করেছি “, এবং নিষ্পাপ শিশুর হাঁসি।
পরদিন ৩ তারিখ , উনি ল্যাবে আসেন , গুরুত্বপূর্ণ মিটিং, সাক্ষাৎকার সব সামলে আমাদেরকে পুরা দিনটাই দিয়ে দেন।
আমরা যতবার খুশি ছবি পেয়েছি, অটোগ্রাফ নিয়েছি। এক নির্মল শিশুর হাসি নিয়ে উনি ঘন্টাখানিক কোশেশ করে শ্যাম্পেনের ছিপিতে নাম সাইন করেছেন( একবার অবশ্য বলছিলেন.. কাজটা অনেক কঠিন ) শুধু আমাদের জন্য।
শেষবিকেলে সবাইকে উপহারের ফুল আর উপটৌকন ভাগ করে নিতেও বলেছেন।
তাসুকো হোনজোর তত্ত্বাবধানের তার দলের কাজ ছিল মূলত ২ ধরনেরঃ
১. “পিডি-1” [ Programmed Cell Death Protein 1 (PD-1) ]
২. “এ আই ডি” [ Activation-induced Cytidine Deaminase (AID) ]
নোবেল পেয়েছেন পিডি-১ এর আবিষ্কারের জন্য । তার এই নোবেল প্রাপ্তিতে পিডি-১ থেরাপিতে সরকার নতুন করে মনযোগ দিবেন,রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি পলিসিতে অন্তর্ভুক্ত করবেন । নোবেল পাওয়ার আনন্দের সাথে তাসুকো হোনজোর আনন্দিত,আশাবাদী পিডি-১ থেরাপীর সহজলভ্যতার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হওয়ায়। কারণ বর্তমানে পিডি-১ থেরাপি খুবই ব্যয়বহুল একটি থেরাপী।
কর্মস্থলে ও মানুষ হিসেবে তাসুকো হোনজো দায়িত্বশীল,কর্মঠ ও ভালো মানুষ।

– আমাদের গবেষণাগারে মান্য ,গন্য, নগন্য সকল সদস্যের কাজের খোঁজ হোনজো সেনসি শতভাগ নিজেই রাখেন, কাজ সংক্রান্ত যে কোন সমস্যা , সমালোচনা , আলোচনা খুব মনযোগি শ্রোতা হয়ে শোনেন। আর সমস্যা শেয়ার করলে অপ্রত্যাশিত সফলতা দিয়ে সমাধান ও করে দেন।
আমার দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম জাপানের ওসাকায় ২০১৬ তে। এই সময়ে হোনজো সেনসি টানা ৬ মাস ছুটি কাটতে দেন আমাকে। আমার একমাত্র ছোট বোন যে তিন রকমের কেন্সারের সাথে টানা ২ বছর যুদ্ধ করে গত মাসে আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেছে। আমি পর পর ২ বার লম্বা ছুটি নিয়েছি। হোনজো সেনসি আমার ছুটির কারনে যে ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে কখনোই আমাকে হীনমন্য না করে ক্রমাগত সাহস দিয়েছেন। গতমাসে আমাকে হটাৎ বলে উঠলেন, হেলেনা সান, যতবার খুশি তুমি তোমার বোনকে দেখতে বাংলাদেশ যেতে পার, আমি পারমিশন দিলাম।
এই মহামানবের চেম্বারে, যতবার হতোদ্যম , হতাশ হয়ে কথা বলতে এসেছি, ফিরেছি ঐশ্বরিক শান্তি , অসাধারণ মনোবল আর সফল হবার শক্তি নিয়ে।
নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক,বিজ্ঞানী তাসুকো হোনজো’র এই অবদানের পাশাপাশি আমরা একজন বাংলাদেশী হিসেবে হেলেনা ইসলামের এই গবেষনা কার্যে অবদানের জন্য গর্বিত হতেই পারি।

প্ল্যাটফর্ম ফিচার রাইটারঃ জামিল সিদ্দিকী
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ,গাজীপুর

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

World Health Organization

কলেরা, মেনিনজাইটিস ও প্লেগের সর্বশেষ বৈশ্বিক প্রবণতা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্ল্যাটফর্ম প্রতিবেদক: এস এম এম মুসাব্বির উদ্দিন বিশ্ব  স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে প্রতিবেদন করা কলেরা আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। সর্বশেষ Weekly Epidemiological Record-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে

বিস্তারিত পড়ুন
ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।