মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬৮ কার্তিক ১৪৩৩ · ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
প্রথম পাতা

ঢামেকে নারী চিকিৎসককে মারধর!

Moin Uddin Ahmad Sibliপ্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ২:৫১ · ২ মিনিটে পড়ুন
ঢামেকে নারী চিকিৎসককে মারধর!
লেখার আকার

সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের এক নারী চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মারধরের শিকার চিকিৎসকের নাম মানার হাফিজ।

এই ঘটনায় শম্পা (৩৯) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে হাসপাতালে নিউরো সার্জারি বিভাগে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় নিউরো সার্জারি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলের একজন চিকিৎসকে রোগীর স্বজনরা মারপিট করেছেন এমন অভিযোগে শম্পা নামে এক নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এই ঘটনায় হাসপাতালে একজন ওয়ার্ড মাস্টার শাহবাগ থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বর্তমানে ওই নারী শাহবাগ থানা হেফাজতে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জানা গেছে, হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের ২০০ নম্বর ওয়ার্ডে ডিউটি করছিলেন মানার হাফিজ নামের একজন চিকিৎসক। অন্যদিকে শম্পা নামে ওই নারীর বোন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরে ডাক্তার মানার হাফিজ গেলে সামান্য বিষয় নিয়ে শম্পা ওই নারী চিকিৎসকের গায়ে হাত তোলেন। পরে বিষয়টি হাসপাতালে পরিচালককে জানানো হলে তিনি হাসপাতালে আসেন এবং অভিযুক্ত শম্পাকে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়। আহত নারী চিকিৎসক মানার হাফিজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চিকিৎসক জানান, গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষার্থী আহসানুল হক দীপ্তর অবহেলাজনিত মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) ঢুকে চিকিৎসকদের মারধরের ঘটনা ঘটে। হামলায় নিউরো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ইমরান, মাশরাফি ও জুবায়ের আহত হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকে এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবিতে তারা বিক্ষোভ মিছিল এবং কর্মবিরতি পালন করেন।

প্ল্যাটফর্ম/

সে সময় চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বেশ কয়েকটি শর্ত দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পরে হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশ মোতায়ন করা হয়। এর প্রায় চার মাস পরে ফের এই ধরনের ঘটনা ঘটল।

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক…

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য…

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে…

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।