মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

কোভিড -১৯: শিশুদের নতুন জটিলতা “মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিনড্রোম ইন চিলড্রেন” 

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার 

কোভিড-১৯ আক্রান্ত বা আক্রান্ত অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিল এমন শিশু-কিশোরদের মধ্যে “মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিনড্রোম ইন চিলড্রেন”(এমআইএস–সি) দেখা যাচ্ছে। এপ্রিল মাসে এটি প্রথমে যুক্তরাজ্য ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকেরা শনাক্ত করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) সম্প্রতি এ নতুন অসুস্থতার সঙ্গে করোনাভাইরাসের (কোভিড–১৯) সংশ্লিষ্টতা পেয়েছেন। ২১ বছরের কম বয়সীরা এতে আক্রান্ত হচ্ছে। এটিকে “পেডিয়াট্রিক ইনফ্লামেটরি মাল্টিসিস্টেম সিনড্রোম”ও (পিআইএমএস) বলা হয়। কোভিডের সাধারণ উপসর্গ শ্বাসকষ্ট বা কাশি নেই, এমন শিশুদের মধ্যেও এ জটিলতা দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সিডিসি।

এদিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাদের হাসপাতালে ১৫ মে প্রথম এমআইএস–সি শনাক্ত হয়। মে মাসের শেষ দিকে আরেকটি শিশু শনাক্ত হয়। একজনের বয়স তিন মাস, অপরজনের দুই বছর। এদের প্রচণ্ড জ্বর, ডায়রিয়া, চোখ ও ঠোঁট লাল হয়ে যাওয়া এবং পায়ে হালকা ফোলা ভাব ছিল। পরে দুই বছরের শিশুটির করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। তবে এ পর্যন্ত এ হাসপাতালে এমআইএস–সি আক্রান্ত ১৭টি শিশু শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে প্রথম ঐ দুই শিশুর এমআইএস–সি আক্রান্ত হওয়ার তথ্য সিঙ্গাপুর জার্নাল অব কার্ডিওলজি তাদের সাময়িকীতে তুলে ধরে। এতে জানানো হয়, নিউইয়র্ক সিটি স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, তাদের ৬৪টি শিশুর এমআইএস–সি শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত ১৫টি শিশু শনাক্ত হয়। পাঁচ ও সাত বছর বয়সী দুটি ছেলে শিশু ৮মে মারা যায়। জন্স হপকিন্সের সাময়িকীতে ২২মে প্রকাশিত এক নিবন্ধে শিশু–কিশোরদের ক্ষেত্রে নতুন ধরনের এ সিনড্রোমকে বিরল উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, জ্বরের সঙ্গে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়, তার মধ্যে রয়েছে অস্বাভাবিক দুর্বলতা ও অবসাদ, লাল ফুসকুড়ি, পেটে ব্যথা, বমি ও ডায়রিয়া, ঠোঁট লাল হওয়া ও ফেটে যাওয়া, চোখ লাল হয়ে ওঠা এবং হাত–পা ফুলে যাওয়া এবং সেইসাথে কাওয়াসাকি রোগের অসুস্থতার মিল রয়েছে। এ দুই ধরনের অসুস্থতায় শরীরের রক্তনালিতে প্রদাহ দেখা দেয়। এ প্রদাহ রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত করতে পারে। যা হৃদযন্ত্র, কিডনি, লিভার এবং অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতিসাধন করতে পারে। এটা চিকিৎসায় ভালো হয়। ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলে বা সংস্পর্শে আসার চার সপ্তাহের মধ্যে এটি দেখা দিতে পারে। এমআইএস–সি আরোও শনাক্ত করা হয়েছে ঢাকা শিশু হাসপাতালে। পাঁচ ও সাত বছর বয়সী দুটি মেয়ে শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ১২ দিন চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ৩১ আগস্ট বাড়ি ফিরেছে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর। তবে তিন শিশুরই করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল এসেছে।

ইউনাইটেড হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মো. সেলিম শাকুর এমআইএস–সি সম্পর্কে বলেন, প্রাপ্তবয়স্কদের কোভিড-১৯ সাধারণত অস্বাভাবিক প্রদাহ ও রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধার ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ,

“বিশেষ করে ফুসফুস মারাত্মক ভাবে আক্রান্ত হতে পারে। আর শিশুদের কোভিড-১৯ এর উপসর্গ খুব কম হয়। তবে বর্তমানে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় এবং সম্ভবত ভারত উপমহাদেশেও (এখনো অপ্রতিবেদিত) পরিলক্ষিত হয়েছে যে, কিছু শিশুদের এই রকম প্রদাহ জনিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একাধিক শারীরিক প্রনালী মারাত্মক ভাবে আক্রান্ত হয়েছে। যাকে বলা হয়েছে “মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিনড্রোম ইন চিলড্রেন” (এমএসআই-সি)। আর এর মধ্যে কাওয়াসাকি বা কেডি সাদৃশ্য রোগ অন্যতম। কেডি রোগটিকে পূর্বে একটি বিরল রোগ মনে করা হলেও বর্তমানে এই রোগ বেশি করে চিহ্নিত হচ্ছে। এটি একটি মারাত্মক রোগ। এই রোগে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা সাধারণত আক্রান্ত হয় তবে কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট এমএসআই-সি ও কেডি বা কেডি সাদৃশ্য রোগ শিশুদের দেখা যাচ্ছে। উপসর্গের মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করা হয়ে থাকে এবং রোগ নির্ণয়ের কোন নির্দিষ্ট পরীক্ষা নেই। কেডি একটি সার্বক্ষণিক জ্বর জনিত রোগ এবং হৃদপিন্ডের ধমনীর প্রদাহ ও ধমনীকে অস্বাভাবিক ভাবে স্ফীত করতে (২৫%) পারে ও হৃদপিন্ডের প্রানঘাতী ক্ষতি করতে পারে। কেডি রোগ হওয়ার কোন সুনির্দিষ্ট কারণ না থাকলেও পরিবেশ জনিত কারণ বিশেষ করে ভাইরাস সংক্রমণ স্পর্শকাতর শিশুদের কেডি রোগের উপসর্গকে বিকশিত করতে পারে। কেডি এর প্রধান উপসর্গের মধ্যে কমপক্ষে ৫ দিনের বেশী বিরামহীন জ্বরের সাথে চোখ লাল হওয়া, জিহ্বা লাল হওয়া, ত্বকে লালচে রাশ, হাত, পা লাল হয়ে ফুলে যাওয়া, গলায় ব্যথা, গলার লিম্ফ গ্রন্থি ফুলে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ, হৃদপিন্ডের স্পন্দন বৃদ্ধি, পিত্তথলিতে পানি জমা (হাইড্রপস গলব্লাডার) ইত্যাদি। জ্বরের সাথে উপরের আর যে কোন ৪ টি উপসর্গ থাকলে কেডি রোগ নির্ণয় করা হয়। তবে বর্তমানে কোভিড-১৯ আক্রান্ত কেডির আরও কিছু বৈশিষ্ট্যপূর্ণ উপসর্গ দেখা যায়। যেমন- পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি, হৃদপিন্ডের মাংসপেশীর প্রদাহ, নিম্ন রক্তচাপ, হার্ট ফেইলিউর, শকে যাওয়া ইত্যাদি যা এমএসআই-সি এর অংশ।

কেডি বা এমএসআই-সি এর অন্তর্ভুক্ত কারোই ফুসফুসে ক্ষতি করে না যা প্রাপ্তবয়স্কদের তীব্র কোভিড-১৯ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। ২৫% কেডি রোগীদের অপর্যাপ্ত বা অবৈশিষ্ট্যপূর্ণ উপসর্গ থাকে যা রোগ নির্ণয়ে বিভ্রান্তি ও বিলম্ব করতে পারে ও এই ধরনের রোগীদের হৃদপিন্ডের ধমনী আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে। এই সব ক্ষেত্রে ইকোকার্ডিওগ্রাম এর মাধ্যমে হৃদপিন্ডের ধমনী স্ফীত দেখা গেলে রোগ নির্ণয় করা সহজ হয়। তবে, যথাযথ চিকিৎসা জ্বরের প্রথম ১০ দিনের মধ্যে ও হৃদপিন্ডের আক্রান্ত হওয়ার পূর্বে শুরু করলেই ভালো ফল পাওয়া যায় যদিও ঐ সময় অসম্পূর্ণ কেডি অনেক সময় নির্ণয় করা কঠিন হয়ে থাকে। কেডি বা কেডি সাদৃশ্য রোগ ছাড়াও কোভিড-১৯ সাথে অন্যান্য শারীরিক প্রনালীর প্রদাহ (এমএসআই-সি) থাকতে পারে। এর মধ্যে বিষাক্ত শক সিনড্রোম, হৃদপিন্ডের মাংস পেশীর প্রদাহ, মূত্র যন্ত্রের প্রদাহ ইত্যাদি। যুক্তরাজ্যের আরসিপিসিএইচ ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের স্বাস্থ্যবিভাগ বর্তমানে বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারীতে শিশুদের জ্বরের সাথে চোখ লাল, পেটে ব্যাথা , গলায় ব্যাথা, ত্বকে লালচে রাশ, ডায়রিয়া, হৃদপিন্ডের স্পন্দন বৃদ্ধি আছে কিনা সে ব্যাপারে শিশু চিকিৎসকদের লক্ষ্য করতে বলেছে।

এই ধরনের রোগ নির্ণয়ের ও দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও (১৫ই মে ২০২০) প্রায় একই ধরনের উপদেশ ও সতর্কতা দিয়েছে। তবে এই ধরনের কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট রোগে উদ্বিগ্ন না হয়ে শিশু বিশেষজ্ঞ ও অভিভাবকদের একটু সচেতন ও সতর্কতাই যথেষ্ট।

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা এবং পরে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।