সরকারি হাসপাতালের দর্শনার্থী ব্যবস্থাপনায় নতুন নির্দেশনা

রবিবার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে দেশের সকল সরকারী হাসপাতাল গুলোতে এক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনাপত্রে হাসপাতালে দর্শনার্থী ও চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়াদি আলোকপাত করা হয়। নির্দেশনাপত্রে উল্লেখ করা হয়,
দেশের সকল সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদান বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় এই স্বাস্থ্যখাতের অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। মানসম্মত ও নিরাপদ চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হলে রোগীর সাথে আগত দর্শনার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করা অতীব জরুরি। কেননা অনেকেরই স্বাস্থ্য বিষয়ক অজ্ঞতা এবং রোগ জীবাণুর সংক্রমণ রোধে করণীয় বিষয়ে পরিপূর্ণ ধারণার অভাবে অধিকাংশ সময়ই কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ বা পরিস্থিতির অবনতি হয়।এছাড়াও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত দর্শনার্থী হওয়ায় হাসপাতালের নীরবতা, পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা , ইউটিলিটি সার্ভিসিং, রোগীর গোপনীয়তা এবং চিকিৎসাসেবা প্রদানকারীদের নিরাপত্তাসহ প্রভৃতি বিষয় বিঘ্নিত হয়। এমতাবস্থায় দেশের সকল সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে নিচে উল্লেখিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো-

১/প্রত্যেক হাসপাতালে দর্শনার্থী পাশ চালু করতে হবে এবং প্রতিটি পাশের জন্য নিরাপত্তা জামানত চালু করা যেতে পারে।
২/রোগীর অসুস্থতা বিবেচনায় ১ জন রোগীর সহায়তার জন্য সর্বোচ্চ ২ জন দর্শনার্থীকে পাশ দেয়া যেতে পারে।
৩/হাসপাতাল ত্যাগের পূর্বেই পাশ ফেরত প্রদানপূর্বক নিরাপত্তা জামানত ফেরত নিতে পারবেন।
৪/হাসপাতালের সকল চিকিৎসক ও নার্স সহ কর্মচারীগণ বৈধ পরিচয়পত্র দৃশ্যমাণভাবে বহন করবেন।

৫/আগত দর্শনার্থীদের জন্য পাশ ইস্যু করার সময় নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, পরিদর্শনের কারণ ইত্যাদি তথ্য রেজিস্টারের নিকট সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
৬/গবেষণা, জরিপ, অন্য কোণ তথ্য বা সংবাদ সংগ্রহের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। বিনা অনুমতিতে হাসপাতালের অভ্যন্তরে রোগী বা স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের কোনো স্থিরচিত্র বা ভিডিওচিত্র ধারণ করতে পারবেন না। সংগৃহীত তথ্য প্রকাশের আগেই বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সম্মতি গ্রহণ করতে হবে।
৭/দর্শনার্থী বিষয়ক নিয়মাবলী রোগী ও রোগীর সাহায্যকারীকে অবহিত করতে হবে।
৮/এছাড়া দর্শনার্থী বিষয়ক নিয়মাবলী সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে প্রদর্শন করবেন।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমিতক্রমে এ নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

চীফ রিপোর্টার
ওয়াসিফ হোসেন

হৃদিতা রোশনী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Next Post

একুশে বইমেলায় আসছে ডা. ফাল্গুনী আলমের "শ্রাবণ মেঘের গল্প"

Mon Jan 13 , 2020
১৩ জানুয়ারি ২০২০: ফাল্গুনী আলম। জন্ম ১২ মার্চ, ১৯৯২ সালে পটুয়াখালীর গলাচিপাতে। বেড়ে ওঠা পদ্মার পাড়ের জেলা ফরিদপুরের রােদ, বৃষ্টি আর ধুলাের সঙ্গে। পড়াশোনা শেষ করেছেন ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর থেকে। শিক্ষানবিশ ডাক্তার হিসেবেই আছেন এখন এ হাসপাতালে৷ তার আরেকটি পরিচয় আছে যার জন্য নিজ ক্যাম্পাসের বন্ধুবান্ধব ও সবার […]

সাম্প্রতিক পোষ্ট