ইকবাল-আল-আসাদ , যার বয়স মাত্র ২০ বছর । এই বয়সেই সে ডাক্তারি ডিগ্রি অর্জন করে এখন পুরোপুরি ডাক্তার সে। আসাদ মাত্র ১৪ বছর বয়সে মেডিকেল স্কুলে ভর্তি হয় এবং ২০ বছর বয়সে সে ডাক্তার হয়ে গেছে।
আসাদ তার বাবা মায়ের সাথে লেবাননের একটি ছোট্ট গ্রামে বেড়ে ওঠে। ১২ বছর বয়সে সে তার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষায় সব থেকে ভাল ফলাফল অর্জন করে। এরপর ১৩ বছর বয়সে সে কাতার মেডিকেল স্কুলে স্কলারশিপ পেয়ে যায়।
২০ বছর বয়সে, সে Cornell University’s Qatar branch, থেকে সে মেডিকেল শিক্ষা তো অর্জন করেছেই এবং বলা হয়ে থাকে আসাদই আরব রাজ্যের সব থেকে কম বয়সী ডাক্তার ।
Cornell University এর একজন অধ্যাপক ডাঃ ইমাদ মাক্কি এর ভাষায়, আসাদকে আমি প্রথম দিন থেকেই দেখছি সে অত্যন্ত মেধাবি এবং কর্মঠ একটি মেয়ে।
আসাদের স্বপ্ন,প্যালেস্টাইন এর রিফিউজি যারা লেবাননে ক্যাম্প গড়ে তুলেছে , তাদেরকে একদম বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা। মূলত, প্যালেস্টাইনের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা আর সুচিকিৎসার অভাব , এই ব্যাপারটাই তাকে সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে।
খুব শিঘ্রই ডাঃ আসাদ আমেরিকার Children’s Hospital in Cleveland, Ohio তে শিশু বিষয় নিয়ে রেসিডেন্সি করার জন্য, আমেরিকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ।
জানা গেছে, সবথেকে কমবয়সী ডাক্তার হিসেবে, তার নাম গিনেজ বুকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে ।
আমি দুনিয়ার সবচেয়ে অল্প বয়সে ডাক্তার হওয়ার গৌরব অর্জনকারীর কথা বলছি। যিনি মাত্র ৪ বছর বয়সে ক্যালকুলাস অংক করেছেন । মাত্র ১১ বছর বয়সে এইডস (AIDS) নামক রোগ নিয়া বই রচনা করেছেন। যিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে “নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি” থেকে নিউরোবায়োলজি তে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছেন। যিনি আবার ১৭ বছর বয়সে “মাউন্ট সিনাই স্কুল অফ মেডিসিন” থেকে MD কমপ্লিট করেন ১৭ বছর বয়সে। বেশি মার্ক পান নাই। মাত্র ৯৯.৫% ওই বছরই “National Merit Scholar” এর পুরষ্কার পেয়ে যান এই নাবালক শিশু ( আমাদের দেশে শিশু থেকে সাবালক হয় ১৮ বছর বয়সে, সেই হিসেবে নাবালক বলাই যায় :p) তার কথা বলে শেষ করা যাবে না। Ophthalmology তে রেসিডেন্সি করেছেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে। ফেলোশিপ করেছেন করেছেন এখান থেকেই কর্নিয়া ও রিফ্রাক্টিভ সার্জারি গবেষণায়। নাবালক থেকে সাবালক হওয়ার সাথে সাথেই প্রফেসর হয়ে যান। আমি এতোক্ষন যার কথা বলছিলাম। তার নাম “বালামুরালিন আম্বাতি”। তিনি ১৯৭৭ সালের ২৯ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু ১৯৯৫ সালে মাত্র ১৭ বছর পৃথিবীর সবচেয়ে কম বয়সী ডাক্তার হিসেবে “গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড” এ নিজের নাম লেখান। বর্তমানে তিনি University of Utah এর প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন। তার বাবাও ডাক্তার। দেশের বাড়ি ইন্ডিয়ার চেন্নাই।
Sayed Sujon