• নিউজ

March 23, 2015 1:06 pm

প্রকাশকঃ

images (1)

দুটি শীর্ষ স্থানীয় পত্রিকায় চিকিৎসক এবং চিকিৎসা পেশা নিয়ে মনগড়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া (চিকিৎসক হিসেবে একটি ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া)
প্রথম সংবাদের সংক্ষেপঃ বোয়ালখালী উপজেলায় একজন এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটলে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে থানায় খবর দেন। নিয়ম মাফিক থানায় লাশ নিয়ে গেলে রোগীর স্বজনেরা ক্ষিপ্ত হয়, স্থানীয় জন প্রতিনিধিসহ তারা চিকিৎসকের উপর চড়াও হয়, হাসপাতাল ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। তারা অভিযোগ করেন চিকিৎসক স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটনা পুলিশকে লিখিতভাবে জানিয়ে তিল কে তাল করে বিড়ম্বনার সৃষ্টি করেছেন।
এবার সংবাদের ভেতরেই অসংগতিগুলোঃ
“স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডীর দরফপাড়ায় মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মো. সুজন (১৮) অজ্ঞান হয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে থানায় খবর দেন”। (দ্বিতীয় প্যারা)
“ হালিমা বেগম(মৃতের মা) বলেন, ‘সকালে ছেলের সাথে চা খেতে বসি। সুজন চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলে উঠে আমার বুকের ভেতর কেমন যেন লাগছে। এ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার বুকের ধনকে মৃত ঘোষণা করে পুলিশে খবর দেন”। (চতুর্থ প্যারা)
একবার বলা হলো কথাকাটাকাটি আরেকবার একই সংবাদে চা খেতে খেতে অসুস্থ হবার কথা।
এবার আসেন ইমোশনাল টুইস্টেঃ এলাকাবাসী জানান, সুজন মায়ের একমাত্র সন্তান। বিয়ের এক বছরের মাথায় স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় এক মাস বয়সি সুজনকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে আসেন মা হালিমা বেগম। বাসা বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে অনেক কষ্টে সুজনকে পড়ালেখা করাচ্ছিলেন। সে কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ থেকে আগামী ১ এপ্রিল শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। (এই অংশটির সাথে মৃত ব্যক্তির মারা যাবার কোন সম্পর্ক নেই তবে রোগীর আত্মীয় স্বজন কত অসহায় সেটার বাণিজ্যিক প্রচার আছে, এবং কসাই ডাক্তার তাঁদের কে ভোগান্তিতে ফেলেছে)
এই পর্যন্ত পড়ে ডাক্তারকে সবাই ঘৃণা করতে শুরু করবে, রোগী মরেছে তো মরেছে তাঁর উপর সন্তান্ত হারা মাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
এবার আসি ডাক্তারিবিদ্যা এবং সাংবাদিকতা টেকনিক্যাল দিক যা সাধারণ মানুষ বুঝবেনাঃ
“’ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি গিয়ে সরেজমিন তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে হৃদরোগে আক্রান্তের কারণে তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কেন যে হাসপাতালের চিকিৎসক লিখিতভাবে জানিয়ে বিড়ম্বনার সৃষ্টি করেছেন তা বোধগম্য নয়(আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য)”(পঞ্চম প্যারা)
“’১৮ বছরের কিশোরটির হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু হয়। ফলে হঠাৎ ছেলেটি কীভাবে মারা গেল তা পরীক্ষারও উপায় নেই। তাই আমরা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে আমাদের কর্তব্য পালন করেছি”। (উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বক্তব্য) (ষষ্ঠ এবং শেষ প্যারা)
একজন ১৮ বছরের তরুণের মৃত্যু হলো, এবং সেটা হৃদরোগে স্বাভাবিক মৃত্যু হলো এটা একজন চিকিৎসকই যখন বুঝতে পারছেন না ( উপজেলা পর্যায়ে কোন চিকিৎসকের পরীক্ষানিরিক্ষা করেও সেটা বলার সুযোগ নেই) তখন জাতীয় পর্যায়ের একটি দৈনিকে কিভাবে একজন নন মেডিকেল দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে কোট করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়? উপজেলা হাসপাতালে কোন রোগীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে সেটা স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো কর্তব্যরত চিকিৎসকের আবশ্যিক দায়িত্বের মাঝে পরে । কিন্তু এ জন্যে তাঁর উপর স্থানীয় জন প্রতিনিধি যদি হামলা করে সেটা ফলাও করে, সমর্থন করে ( আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্তাব্যক্তির বক্তব্য তাই সমর্থন করছে) সংবাদ প্রকাশ কি প্রমাণ করে?
শেষ কথাঃ
“বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনুমতি নিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়া সুজনের লাশ দাফন করা হয়”(প্রথম প্যারা) ।
এই তথ্যটা দু’রকম সম্ভাবনা নির্দেশ করে, প্রথমত হয়ত মৃত ব্যক্তির আগে থেকেই হৃদরোগের রোগী ছিল যার স্বপক্ষে রোগীর আত্মীয় স্বজন পরবর্তিতে পূর্বের ব্যবস্থাপত্র প্রদর্শন করায় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় উক্ত নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু এটা হওয়ার সম্ভাবনা শূন্য কারণ সেক্ষেত্রে সংবাদের কোথাও উল্লেখ নেই মৃত ব্যক্তির হৃদরোগ ছিল আগে থেকেই, এবং থাকলেও সেটা কর্তব্যরত চিকিৎসককে জানানো হয় নি। দ্বিতীয়ত, মৃত ব্যক্তির আত্মীয়রা আপোষে ময়না তদন্ত করতে রাজি হননি। এজন্যে বিজ্ঞ কর্মকর্তা আইনগতভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
কিন্তু এই সংবাদের মূল ভিক্টিম কে? জনগণকে কি মেসেজ দেয়া হচ্ছে? কারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে? কারা জিম্মি? কাদের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা উচিত? কারা সাধারণ মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে(অথবা টেকনিক্যাল জ্ঞানের অভাব অথবা ভুল করে) নেতিবাচক ধারণা দিচ্ছে? সাধারণ মানুষকে ইমোশনালি কারা উস্কে দিচ্ছে?
এবার আসি দ্বিতীয় সংবাদে, একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকীয় কলামে লেখা হল আরো একজন রোগীর মৃত্যু সংবাদ।
হেড লাইনঃ অবহেলায় মৃত্যু
দ্বিতীয় সাব হেড লাইনঃ চিকিৎসক হলেই দোষ মাফ হয় না।
প্রথম অভিযোগঃ চিকিৎসক, সেবিকা, ব্যবস্থাপক কেউ এগিয়ে এলেন না।
খণ্ডনঃ “কর্তব্যরত চিকিৎসক বাইরে থেকে স্যালাইন ও ওষুধ কিনতে বলেই খালাস” সংবাদের এই অংশের প্রথম শব্দঃ “কর্তব্যরত চিকিৎসক____স্যালাইন এবং ওষুধ কিনতে বলেই খালাস” সরল ব্যাখ্যা হলো রোগী হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হবার পর একজন চিকিৎসক তাঁকে এটেন্ড করেছেন, শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন, এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। তাঁর মানে রোগীর চিকিৎসা প্রক্রিয়ার চিকিৎসকদের অংশটুকু সম্পূর্ণ হয়েছে। একজন শীর্ষ স্থানীয় সংবাদ পত্রের সম্পাদক একজন সম্মানিত পেশাজীবীর কাজ কে “খালাস” জাতীয় শব্দ ব্যবহার করে অপমানিত করেছেন। সম্পাদক সাহেবের জানা উচিত এই স্যালাইন এবং ওষুধ কিনতে বলা হয় না, রোগীকে কিছু সময় নিয়ে পরীক্ষা করে একজন চিকিৎসক তাঁর ক্লিনিকাল ডিশিসন নেন, সেটা রোগীর ফাইলে নিজ হাতে লিপিবদ্ধ করেন, নিজ হাতেই রোগীর প্রয়োজনীয় ড্রাগ লিস্ট লিখে দেন। অথচ বিজ্ঞ সম্পাদক মহোদয় “খালাস” বলেই দায়িত্ব খালাস করলেন, তিনি চিকিৎসার এই ধাপগুলো জানেন না সেটা আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, আর জেনেও যদি এই শব্দটা লিখেন তাহলে তাঁর উদ্দেশ্য হয়ত অন্য ছিল। এবার আসি “বাইরে থেকে _______কিনতে বলে”। সরকারি হাসপাতালে কয়টা রোগী ভর্তি হয় জানেন? সরকারি ওষুধ, রোগীর বিছানাপত্র, কয়জনের জন্য বরাদ্দ থাকে জানেন? আর আমরা কয়জন রোগীকে সার্ভিস দেই সেটা জানেন? এবং সকল ওষুধের সাপ্লাই থাকে কিনা জানেন তো? কোন দিন আপনার ক্ষুরধার লেখনীতে তো সকল রোগী সকল সরকারি হাসপাতালে যেন বিনামূল্যে সকল ওষুধ সাপ্লাই পাবে এই দাবি দেখিনি, কিন্তু যখন একটা ঘটনা ঘটবে সেটা CASH IN করতে তো পিছপা হচ্ছেন না? কারণ…? “ব্যবস্থাপক” বলতে কি হাসপাতালের পরিচালক মহোদয়, সহকারী ডিরেক্টর থেকে শুরু করে হাসপাতালের টিকেট ম্যানকে বুঝিয়েছেন???
রোগী যে সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় সে সময় কি হাসপাতালের পরিচালক মহোদয়ের ডিউটি আওয়ার না সহকারী ডিরেক্টরের বলতে পারবেন? টিকিটম্যান, দারোয়ান, ক্লিনার, ট্রলিম্যান কাজ করেছে তাঁর প্রমাণই তো রোগী ওয়ার্ড পর্যন্ত গিয়েছে এবং ভর্তি হয়েছে? এটা কী হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার অংশ না? সরকারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা অযোগ্য এটা আপনি প্রমাণ করে দিতে পারলে , দেশের সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিতে পারলে কার লাভ সম্পাদক সাহেব?? ভারত, চীন, মালয়শিয়া, ব্যংকক, সিঙ্গাপুরের ঐ চমৎকার ব্যবস্থাপনার হাসপাতাল গুলর তাই না? অথবা মেডিকেল কলেজগুলোতে চিকিৎসা না পেলে মধ্যবিত্তরা কোথায় যাবে? দেশের ফাইভ স্টার বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে তাই না? লাভের অংকটা কার পকেটে লোকসানের টাকাটাই বা যায় কার পকেট থেকে?
দ্বিতীয় অভিযোগঃ স্যালাইন প্রস্তুত ছিল, কিন্তু শরীরে দেওয়ার সুচ লাগাননি কেউ। অথচ সেখানেই উপস্থিত ছিলেন কমপক্ষে দুজন সেবিকা। মাথার কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেও শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা গেলেন রোগী। সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কেউ-ই এগিয়ে আসেননি।
খণ্ডনঃ সন্ধ্যা ৭:৪০ থেকে ১০টা, পর্যন্ত রোগী হাসপাতালে ছিল আপনি ই জানালেন এবং সম্ভবত ১০টায় রোগীটা মারা যান। ৭ঃ৪০ মিনিটে রোগী রিসিভ হয়, রোগীটাকে কে প্রথম রিসিভ করে জানেন? সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সেবিকা, তিনি রিসিভ করে পেপার ওয়ার্ক শেষ করে রোগীকে একটি বিছানা বরাদ্দ দেন, সে বিছানায় চাদর বালিশ দেবার পর চিকিৎসক কে ইনফর্ম করেন। কি মনে হয় সম্পাদক সাহেব বিভাগী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কতজন রোগী ভর্তি হয় সন্ধার সময়? ঐ একজন রোগী? না গড়ে অন্তত ৩০-৪০ জন? আপনি নিজেই তো বললেন সেবিকা কয়জন ছিল? ২ জন? চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র দেবার পর রোগীর লোক ওষুধ নিয়ে আসতে আসতে সর্বনিম্ন কতক্ষণ লাগতে পারে জনাব? “মাথার কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেও শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা গেলেন রোগী? জনাব জীবনে কখনো সরকারি হাসপাতালে গেছেন? বেডে বেডে কি অক্সিজেন সিলিণ্ডার লাগানো থাকে নাকি? ঐ রোগীর বেডের কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল মানে অক্সিজেন অবশ্যই দেয়া হয়েছে কারণ যে ওয়ার্ড বয় অক্সিজেন সিলিন্ডার টেনে অন্য জায়গা থেকে রোগীর বেডে নিয়েছে সে তাঁকে অক্সিজেন দিতেও পারার কথা। সহজ ক্যালকুলেশনকে এত ইমোশনাল পর্যায়ে নিয়ে জনগণের সেবক কে ভিলেন, কখনো দানব হিসেবে পরিচয় করায় দিচ্ছেন ? কী কারণ? আর শ্বাসকষ্টের রোগী চিকিৎসক মাত্রই বুঝবেন সবার আগে তাঁর নেবুলাইজার পাবার কথা, এবং যেহেতু আপনি উল্লেখ করেন নাই তারমানে রোগী নেবুলাইজার পেয়েছে।
অভিযোগঃ কতিপয় চিকিৎসক স্রেফ উন্নাসিকতার বশে কর্তব্যে অবহেলা করেন।
খণ্ডনঃ চিকিৎসকেরা দায়িত্ব ছিল রোগীর চিকিৎসা দেয়া (প্রেস্ক্রাইব করা)। এই ঘটনার সাথে উন্নাসিকতা কোথায় পেলেন বোধগম্য না। না অতীতে কোন ক্ষোভের বহিপ্রকাশ সেটাও জানা গেল না। কিছু সংখ্যাক চিকিৎসকের উপর দায় চাপানো হলো( হ্যাঁ এটা সত্যি কোন কোন ক্ষেত্রে) কিন্তু কিছু সংখক চিকিৎসক বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলে সম্পাদক সাহেবও তো দায় এড়িয়ে গেলেন।
চিকিৎসা সেবার অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা দূরে থাকুক কোন গঠনমূলক , দিকনির্দেশণামূলক কোন সংবাদ প্রকাশ না করে শুধু মাত্র বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলোকে একেক সময় সামনে নিয়ে এসে আসলে কোন লক্ষ্যে পৌঁছাতে চান একজন চিকিৎসক হিসেবে বোধগম্য হচ্ছে না।
একজন রিজিয়া বেগম মারা গেছেন, সেটা অসুস্থতার স্বাভাবিক পরিণতিও হতে পারে, আবার অবহেলাও হতে পারে কিন্তু সেটা একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশ কেন যেন অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা, প্রতিক্রিয়াশীলটা বলে মনে হয়, সত্যি সত্যি যদি দেশের স্বাস্থ্য সেবার উন্নতি জনগণের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে চান তাহলে আপনার সামর্থ্যে এমন অনেক কিছু করার আছে যা আমাদের পর্যায়ের ক্ষুদ্র চিকিৎসকদের মাধ্যমে সম্ভব নয়, তাই BLAME GAME খেলা বন্ধ করেন, দেশে অন্তত ৭০ হাজার রেজিস্টার্ড চিকিৎসক আছেন, এই মুহুর্তে দেশের সকল মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল কলেজ মিলে সাড়ে নয় হাজার ছাত্র ছাত্রী প্রতি ব্যাচে আছে, চিকিৎসক এবং ছাত্রছাত্রীর পরিবার বর্গ মিলে চিকিৎসা পেশার সাথে সম্পর্কিত মানুষ ৪/৫ লাখের ও বেশি এবং ইনারা সবাই পত্রিকার পাঠক। আপনার পত্রিকার সার্কুলেশন কত? একযোগে আমরা চিকিৎসকরা আপনার পত্রিকা বয়কট করলে আপনার মিথ্যের ব্যবসা কত দিন টিকবে চিন্তা করেন।

সংবাদ দুটোর লিঙ্কঃ
http://www.kalerkantho.com/print-edition/2nd-rajdhani/2015/03/22/201494
http://www.prothom-alo.com/opinion/article/482848/%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81

শেয়ার করুনঃ Facebook Google LinkedIn Print Email
পোষ্টট্যাগঃ সাংবাদিকতা,

পাঠকদের মন্তব্যঃ ( 0)




Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Advertisement
Advertisement
.