মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬৬ কার্তিক ১৪৩৩ · ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
প্রথম পাতা

১০০ শয্যার হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছে ৩০০ জন!

Moin Uddin Ahmad Sibliপ্রকাশ: ৮ জানুয়ারি ২০২৫, ১০:১৫ · ২ মিনিটে পড়ুন
১০০ শয্যার হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছে ৩০০ জন!
লেখার আকার

বুধবার, ০৮ জানুয়ারি, ২০২৫

১০০ শয্যার লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড না থাকায় ফ্লোরে ও বারান্দায় ঠাঁই হচ্ছে এসব রোগীদের। এক বেডের বিপরীতে ভর্তি হচ্ছেন তিন-চারজন রোগী। ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে শিশুসহ সব বয়সী রোগী ও স্বজনরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল। এ হাসপাতালে শীতের প্রকোপ বাড়ার পর থেকে প্রতিদিনই ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে রোগীরা।গত এক সপ্তাহে শুধু এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৬০০ এর বেশি রোগী। গড়ে প্রতিদিন ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া ওয়ার্ডে ৭০/৮০ রোগী। এসব রোগীসহ প্রতিদিন তিনশ থেকে সাড়ে তিনশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অথচ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেড রয়েছে ১৫টি। যেখানে প্রতি বেডে এক শিশু চিকিৎসা নেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে প্রতি বেডে চিকিৎসা নিচ্ছে ৩/৪ শিশু।

এছাড়া মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনিসহ প্রতিটি ওয়ার্ডের চিত্র একই। বেড সংকুলন না হওয়ায় হাসপাতালের বারান্দায় বা ফ্লোরে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছে শিশুসহ নানা বয়সী মানুষ। হাসপাতালের বেডের তুলনায় ৫-৬ গুণ রোগী ভর্তি হচ্ছে। এতে করে অতিরিক্ত রোগীর চাপে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও নার্সরা।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, যতই শীত বাড়ছে,ততই ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সে অনুপাতে বেড নাই। নাই চিকিৎসক ও নার্সও। এ শীতের মধ্যে বারান্দায় বা ফ্লোরে থেকে ছোট-ছোট শিশুদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে করে রোগীর সঙ্গে স্বজনরাও অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

সদর হাসপাতালে কর্মরত একজন কনসালট্যান্ট বলেন, ঠাণ্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এটি সামনে আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স না থাকায় এসব রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। তারপরও চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। সাধ্যমতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সদর হাসপাতালের আরেকজন আবাসিক মেডিকেল অফিসার বলেন, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স না থাকায় এসব রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। তারপরও চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। সাধ্যমতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ১০০ শয্যার হাসপাতাল হলেও রোগী ভর্তি রয়েছে ৩০০ জন। শুধুমাত্র শীতজনিত রোগে প্রতিদিন গড়ে ৭০/৮০ রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে।

প্ল্যাটফর্ম/

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক…

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য…

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে…

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।