মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬৭ কার্তিক ১৪৩৩ · ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
প্রথম পাতা

চিকিৎসক নয়, প্রতারণার আশ্রয়ে অপারেশনসহ দিতেন চোখের যাবতীয় চিকিৎসা

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ১১ মে ২০২৫, ১:৩৬ · ২ মিনিটে পড়ুন
লেখার আকার

রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

নিজে কোনো এমবিবিএস চিকিৎসক নন, অথচ দিব্যি চোখের ছানিপড়া থেকে শুরু করে চোখের জটিল রোগের চিকিৎসা দেয়ার পাশাপাশি করতেন সব ধরনের চোখের অপারেশন। এমনকি ব্যবহার করছিলেন অন্য এক চিকিৎসকের বিএমডিসির নিবন্ধন। এভাবেই বহু বছর ধরে প্রতারণা করে আসছিলেন এই প্রতারক।

সবশেষ শনিবার (১০ মে) দুপুরে মেহেরপুরের মুজিবনগরের যতারপুর গ্রামে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েন তাফহিমুল হুছাইন নামের এই প্রতারক।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ মণ্ডল। আর তার সহযোগী সাগর আলীকে (২৩) এক মাসের কারাদণ্ড ও গাড়িচালক ইমনকে (২৫) ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আটক তাফহিমুল ঠাকুরগাঁওয়ের বহরমপুর গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে। তার সহকারী সাগর গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের ইয়ারুল ইসলামের ছেলে। গাড়িচালক ইমন একই উপজেলার বাশবাড়িয়া গ্রামের সামসুল ইসলামের ছেলে।

ঠাকুরগাঁওয়ে তার নিজ এলাকায় প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করে জানা যায়, এলাকার সবাই তাকে ডাক্তার বলেই জানে। গতকাল তার প্রতারণার খবর সামনে এলে এলাকাবাসীর অনেকই বিশ্বাস করতে পারেননি। এমনকি বিভিন্ন সময়ে নিজ এলাকায়ও এভাবে ক্যাম্প করতেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ মণ্ডল জানান, তাফহিমুল বেশ কয়েক মাস ধরে গাংনীতে অবস্থান করছিলেন। নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে গাংনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে চোখের ছানিপড়া থেকে শুরু করে অপারেশন করে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। তার প্রতারণার কাজে ব্যবহার করছিলেন ‘হামিদুল ইসলাম প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নাম।

জেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নামে বিনামূল্যে চক্ষু সেবার ক্যাম্প বসাতেন তিনি। শনিবার দুপুরে মুজিবনগরে একটি হোটেলে চক্ষু চিকিৎসা সেবা নামের একটি ক্যাম্প করছিলেন। এসময় মানুষের সন্দেহ হয়। তাদের আটকে রেখে খবর দেয় পুলিশে।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাফহিমুল হুছাইনের কাছে চিকিৎসকের কাগজপত্র চাইলে কিছুই দেখাতে পারেননি। এমনকি তার বিএমডিসির নিবন্ধন ঘেঁটে দেখা যায়, অন্য একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের নিবন্ধন ব্যবহার করছেন তিনি।

এসময় তাকে ও তার তার সহকারী সাগর আলী ও গাড়িচালককে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের জেল-জরিমানা করা হয়।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সুপ্রিয়া গুপ্তসহ পুলিশের একটি দল।

প্ল্যাটফর্ম/এমইউএএস

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক…

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য…

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে…

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।