• টিউটোরিয়াল

April 15, 2017 12:18 pm

প্রকাশকঃ

আগেই বলি এখন খুব বেশি পড়ার দরকার নেই।
Important ছাড়া Unimportant কোন টপিকস পড়ার চিন্তা মাথাতেই এনো না। মনে হতে পাড়ে আহারে Guyton, Ganong , Lippincott কিছুইতো ঠিকমতো পড়িনি, এখন একটু সময় পাইছি এখন পড়ি।
ভাই, জ্ঞান অর্জন করার টাইম বহুত পাইবা (প্রফের পর), এখন আগে পাশ করা দরকার।

written এর জন্য এখন শুধু DU এর Questions গুলোই পড়ো, যেহেতু হাতে খুব কম সময় (৮০-৯০ % Common পড়বে ইনশাআল্লাহ্‌)
এই পড়াতেই ভাইভার ৬০-৭০ % পড়া হয়ে যাবে।
আর এখন পড়তে পড়তে সব শেষ করতে না পারলে 3rd Term skip করতে পারো, কারন এই টার্ম কিছুদিন আগেই দিয়েছ & সাধারণত এই টার্ম খুব ভাল ভাবেও পড়া হয়।
আর যারা কিছুদিন আগে যেই কার্ড-টার্ম Supple দিয়েছ তারা ওইগুলো Skip করতে পারো (যেহেতু পড়া হয়ে গেছে)।

প্রতিটা মেডিকেল কলেজেই ভাইভার জন্য কিছু card প্রশ্ন বানানো থাকে, যা প্রফে ভাইভার সময় তুলতে হয়। Just ওই গুলো পড়ে গেলেও Easily প্রফ পাস।
আর ওই Card questions Related সকল প্রশ্নই পড়ে ফেলতে হবে যাতে Examiner কোন ভাবেই তোমায় আটকাতে না পাড়ে।
যখন Written এর জন্য একটা সাবজেক্ট পড়া শেষ হয়ে যাবে, তখন ওই কার্ড প্রশ্নগুলো হাতে নিয়ে পড়ে দেখবে যে প্রায় ৮৫% ই পারো। বাকি প্রশ্নগুলো একটু কষ্ট করে বই-গাইড থেকে খুঁজে নিলে।
এতে তোমার মনের অজান্তেই আরো একবার একটা সাবজেক্ট রিভিশন হয়ে যাবে। (এইটা ব্রেইন এর একটা খুব সুন্দর মেকানিজম, দেখবা পরিক্ষার দিন সকালে কোন কিছু না পড়ে শুধু গুন গুন করে বই এর পৃষ্ঠা উল্টালেই রিভিশন হয়ে যায় এমনকি এক্সাম হলে খুব ভালো মনেও থাকে। কিন্তু এই রিভিশন টা না দিলে পরিক্ষার হলে অনেকের কিছু মনেও থাকেনা ঠিক মত)

ভাইভা নিয়া Tension করার কোন কারনই নাই,
কারন প্রতিটা ভাইভা এক্সাম এর আগে ৩-৭ দিনের মত সময় পাওয়া যাবে।
তোমার আগে যারা ভাইভা দিয়েছে অবশ্যই তাদের ভাইভায় কি কি জিজ্ঞাসা করেছে তা জেনে নিবে। কারন তারা একই প্রশ্ন বারবার সবাইকে ask করে। নিজেদের কিছু paid কোশ্চেনই ask করে।
আর ইন্টার্নালতো লেকচার ক্লাসে যেই কথা বার বার বলে, কার্ড-টার্মে যেই প্রশ্ন ধরে ঠিক ওই প্রশ্নই প্রফে ask করে।

ভাইভা দিতে যাওয়ার সময় অবশ্যই Smart হয়ে যেতে চেষ্টা করবে (Not Over Smart)।
সবসময় মনে কনফিডেন্স রাখতে হবে ( আপনিও যেই বই পড়েছেন, আমিও সেই বই পড়েছি)।

কোন ভাবেই একটা-দুইটা প্রশ্ন না পারলে ভয় পাওয়া (Sympathetic Activity) যাবে না, ভয় পেলে কিন্তু পরের পারা প্রশ্নগুলারও ঠিকভাবে answer দিতে পারবে না।(বেশিরভাগ ফেইল এ কারনেই হয়, Throat Block)
এই Sympathetic Activity এড়াতে সকাল বেলা একটা propranolol HCl 10 mg খেয়ে যেতে পারো।(আমি নিজে খেয়ে গেছি কিন্তু Suggests করবো না)।
আর কোন টপিকস সম্পর্কে ভালো জানা থাকলে এক্সামিনার কে লিড দিয়ে অনেকদূর নিয়ে যেতে পারবে। এতে Impression ও ভালো হবে & অনার্স পাওয়ার চান্সও বাড়বে।

যেই জিনিস তুমি মোটামুটি জানো, এক্সামিনারকে একটু কনফিউজড দেখছো, অই জিনিস তুমি বলে আসতে পারো।
কিন্তু যেই জিনিস সম্পর্কে তোমার একেবারেই ধারনা নাই বা এক্সামিনার পুরাই কনফার্ম অই জিনিস চাপা মারতে গেলেই ফেল।
যেই প্রশ্নগুলো এক্সামিনার সাধারণত হঠাৎ অথবা নিজ থেকে করে ওই গুলোতে সে কনফার্ম থাকে।
আর যেই প্রশ্নগুলো লিডিং দিয়ে আ সে(কেন, কেন করতে করতে আসে) ওইগুলায় ভাল বলা যায়, কারন ওই কেন গুলার উত্তর একটা ধারায় আসে।

কিন্তু কোন ভাবেই এক্সামিনার এর Against এ কথা বলা বা answer দেওয়া যাবে না। (যদিও সেটা বইয়ে আছে, তুমি শিউর দেখাতে পারবে)
এটাকে উনারা বেয়াদবি হিসেবে নিয়ে ফেল করাবে, যদিও তুমি সঠিক, তুমি মেইন বই এনে রেফারেন্সও দেখাতে পেরেছো।
তুমি বলবা, ম্যাম, আমি বইয়ে মনেহয় এরকম পড়েছিলাম কিন্তু এখন exact মনে পড়ছে না( নিজের সত্যটা তুলে ধরা ও ম্যাম এর ভুলকে সায় দেওয়া)।
এতে কোন ক্ষতি নেই বরং লাভ আছে।
এই জিনিস টা যখন ম্যাম নিজে কনফার্ম হয়ার জন্য বাসায় গিয়ে আবার দেখবে, তখন সে অনুতপ্ত হবে,তোমার প্রতি ভালবাসাও বাড়বে ( নাম্বারও বাড়বে)।
আর answer যত সংক্ষেপে দেওয়া যায় ততই ভাল।
তাদের বুঝাতে যাওয়ার কোন দরকারই নেই, কারন তারা তোমার থেকে খুব ভাল বুঝে।
সবসময় মনে রাখতে হবে, সবগুলো পয়েন্টের মধ্যে Important পয়েন্ট গুলো সবার আগে বলতে হবে then less Important গুলা। Important পয়েন্টস গুলো মুখস্ত টানা না বলে ধীরে ধীরে বলতে থাকলে ওইগুলো থেকেই লিডিং কোশ্চেন ধরা শুরু করবে।(ভাইভায় এই একটা সুবিধা, ১০ টা পয়েন্ট এর মধ্যে ১০ টা মনে রাখার দরকার নেই, শুধু Important গুলো মনে থাকলেই Enough.)
আর কিছু কিছু টিচার কিছু প্রশ্নের উত্তর তাদের নিজেদের মত করে শুনতে চায়। (এভাবে না, এভাবে বলতে হবে, এই adjective টা add করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি) এগুলোর answer সবচেয়ে ভাল বলতে পারবে তোমাদের আগে যারা এক্সাম দিবে তারা & তোমাদের সিনিয়র ভাইয়া-আপুরা।

অনেক বেশি কথা বলে ফেললাম।
তোমাদের সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা ও দোয়া রইল।
আল্লাহ যেন তোমাদের সবাইকে তার অশেষ ভান্ডার থেকে উত্তম প্রতিদান দান করেন।

লিখেছে:
আল আমিন
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ

শেয়ার করুনঃ Facebook Google LinkedIn Print Email
পোষ্টট্যাগঃ এমবিবিএস, প্রফ,

পাঠকদের মন্তব্যঃ ( 8)




Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

Advertisement
Advertisement
.