মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

সার্জারির সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ পর্ব -০১

অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে স্যার-ম্যাডামদের সার্জারি দেখে মুগ্ধ হয়নি, এমন মানুষ খুব কমই আছে! আবার সার্জারি প্লেসমেন্টের সময় সার্জন হতে চায়নি, এমন মানুষও হয়তো কমই আছে! বিশ্বের ধনী পেশাজীবীদের র‍্যাংকিং-এ আজ সার্জনরা সবচেয়ে উপরে। তবে সবসময় কিন্তু এমনটা ছিল না! সার্জারির ইতিহাস অনেকই বিশাল! আমি আজ শুধু এর ভূমিকাটুকু লিখছি। পর্যায়ক্রমে এর বিভিন্নদিকে অবদান রাখা মানুষগুলোর সম্পর্কে আমরা জানতে পারবো।

যাই হোক, প্রথমেই বলি সার্জারিকে কেন “হাতের কাজ” হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। রহস্যটা আসলে এই শব্দের মধ্যেই লুকানো আছে। সার্জারি (Surgery) শব্দটা এসেছে গ্রিক শব্দ “Cheirourgia” থেকে। “Cheir” অর্থ হাত এবং “Ergon” অর্থ কাজ।

৩টি প্রধান অসুবিধাকে কেন্দ্র করে সার্জারির পথচলা- রক্তপাত (Bleeding), ব্যথা (Pain) এবং সংক্রমণ (Infection)। প্রাচীনকাল থেকে যত সাধ্যসাধনা, এই ৩টা ব্যপারকে দূর করার জন্যই। আর তাই যখনই সেটা সম্ভব হয়েছে, সার্জনরা চিকিৎসাক্ষেত্রে দেখেছেন নতুন আলো!

প্রাচীনকাল থেকে শুরু করা যাক। প্রাচীন সভ্যতার খোঁজ করতে গেলে সারা পৃথিবী জুড়েই বিভিন্ন সার্জিকাল ইন্সট্রুমেন্টের দেখা পাওয়া যায়। তার সাথে বিভিন্নরকম পদ্ধতির কথাও জানা যায়। যেমন ভারত ও দক্ষিণ আমেরিকায় ক্ষতস্থান উইপোকা বা গুবরেপোকার মাধ্যমে সেলাই করা হতো! (ক্ষতস্থানে পোকাগুলো কামড় দিলেই মাথাটা সেখানে রেখে বাকি দেহ ফেলে দেওয়া হতো, যা অনেকটা স্টেপলারের মত কাজ করতো। মায়ান সভ্যতা নিয়ে মুভি Apocalypto-তেও ব্যাপারটা দেখানো হয়েছে)। মায়ানদের মধ্যে দাঁতের ক্যাভিটিতে মূল্যবান পাথর ভরে ডেন্টাল সার্জারি করার উদাহরণও আছে।

এখন পর্যন্ত প্রাচীনতম অপারেশন হিসাবে Trepanation- এর কথা জানা গেছে (খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ সাল), সেটা মূলত মাথার খুলি ফুটো করে ইনট্রাক্রেনিয়াল প্রেসার কমানো, মাইগ্রেন ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসার চেষ্টা করার একটা পদ্ধতি।

প্রাচীনকালে খুব জনপ্রিয় একটা ব্যাপার ছিল রক্তমোক্ষণ (Blood letting), অর্থাৎ রোগীর শরীর থেকে কিছু রক্ত বের করে নেওয়া। এটা চালু করেছিল গ্রীকরা। তাঁদের ধারণা ছিল- মানুষের শরীর চারটি মোলিক উপাদানে গঠিত- মাটি, আগুন পানি, বাতাস। এগুলো থেকে চারটি দেহরসের সৃষ্টি হয়- কালো পিত্ত (Black bile), হলুদ পিত্ত (Yellow bile), শ্লেষ্মা (Phlegm) এবং রক্ত (Blood)। সমস্ত প্রাচীন চিকিৎসাবিদ্যার ভিত্তিই ছিল এই যে, এই চারটি দেহরসের কোন একটির মাত্রা বেড়ে গেলেই রোগের সৃষ্টি হয়। আবার পরিমাণ আগের মাত্রায় আনলেই রোগ সেরে যায়। তাই কিছুটা রক্ত বের করে দেওয়াই এর সমাধান!

অনেক বছর পার করে মধ্যযুগে চলে আসলেও, মানুষের কতগুলো বদ্ধমূল কুসংস্কারের জন্য বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি বেশি দূর এগোতে পারেনি। তখন যারা সার্জারি করতো তাঁদের তেমন কোন পুঁথিগত বিদ্যা ছিল না। এসম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়ানোও হতো না। এটাকে মোটামুটি নিম্নস্তরের পেশা বলে মনে করা হতো। অনেক নাপিতরাও তখন সার্জারি করতো। অনেকে নিজে নিজেই শিখে ফ্রিল্যান্সিং উপায়ে সার্জারি করতো। এর জন্য ব্যবহার করা হতো ধারালো কড়াত, হাতুড়ি, বাটাল, ছুড়ি, লোহার রড, ইত্যাদি।

যুদ্ধ বাঁধলে তাদের চাহিদা বেড়ে যেত। প্রথমদিকে আহত সৈনিকদের একমাত্র চিকিৎসা ছিল আহত অঙ্গ কেটে ফেলে দেওয়া (Amputation)। মনে করা হতো, বিপক্ষ দলের অস্ত্রে বিষ আছে। আর সেই বিষ যাতে শরীরে ছড়াতে না পারে, এজন্য যত দ্রুত সম্ভব Amputation করা হতো। তখনো এনেসথেসিয়া সম্পর্কে কারো ধারণা না থাকায় সজ্ঞান অবস্থায়ই এটা করা হতো। এসবের জন্য যে প্রচুর রক্তপাত হতো, তা গরম লোহার ছ্যাকা দিয়ে বন্ধ করা হতো। তার জন্য লম্বা লোহার রডকে আগুনে পুড়িয়ে লাল করা হতো, এরপর রক্তপাতের জায়গায় সেটাকে চেপে ধরা হতো। এই পদ্ধতির নাম ছিল কটারাইজেশন (Cauterization)।

বন্দুকের গুলিকেও বিষাক্ত বলে মনে করা হতো। এজন্য গুলিবিদ্ধ লোকের গুলি বের করে ক্ষতস্থানে ফুটন্ত তেল ঢেলে দেওয়া হতো বিষ নষ্ট করার জন্য। আঘাতের যন্ত্রণার থেকে চিকিৎসার যন্ত্রণা বেশি হতো। আবার চিকিৎসা করালেও খুব কম মানুষ বাঁচত।

অসুখ সম্পর্কে মানুষের দুর্বলতা স্বাভাবিক। মজার ব্যাপার হচ্ছে, আজকের দিনের মত তখনো হাতুড়ে ডাক্তার বা কোয়াকরা মানুষের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পেশা জমাবার চেষ্টা করতো। সহজ-সরল লোকদের চিকিৎসার নামে কুচিকিৎসা করে তখনো প্রায়ই তাঁদের জীবন সংশয় করে তুলতো। রোগ নিরাময়ের পরিবর্তে রোগীর জীবন নিয়ে টানাটানি চলতো। তাঁদের প্রধান ওষুধের মধ্যে অন্যতম ছিল রক্ত, থুথু, মোরগের ঝুটি, পশুপাখির পালক, নখ, সাপের চামড়া, পশম, উকুন, ঘাম ইত্যাদি!

১৫৪৩ সালে আন্দ্রে ভিসেলিয়াস (Andreas Vesalius) প্রথম মানবদেহ ব্যবচ্ছেদ করার আগ পর্যন্ত এনাটমি শিখতে জন্তু-জানোয়ারের দেহ ব্যবচ্ছেদ করা হতো। মনে করা হতো, সব মানুষ এবং অন্যান্য পশুর দেহের অভ্যন্তরের গঠন একই রকম! সেই হাস্যকর পদ্ধতির বিরুদ্ধে প্রমাণসহ কথা বলতে গিয়েও ভিসেলিয়াসকে কম অপদস্থ হতে হয়নি।

হাসপাতালে তখন মুষ্টিমেয় সার্জন ছিলেন, যারা শুধু ক্ষতের চিকিৎসা করতেন। এছাড়া শিক্ষিত কিছু ডাক্তার ছিলেন। কিন্তু তাঁরা ছিলেন সম্মানিত লোক এবং প্রায় সবাই-ই রাজা-রাজড়াদের চিকিৎসক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন বলে সাধারণ লোকের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতেন।

আরও প্রায় ৩৫০ বছর লেগে গেছে লোহার ছ্যাকা ও তেল ঢালার বদলে ক্ষতস্থান সেলাই করার নিয়ম চালু হতে হতে। কিন্তু তবুও রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা কমেনি। তখন হাসপাতালে অপারেশনের সময় যন্ত্রপাতি, ক্ষতস্থান, ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করার কোন নিয়ম ছিল না। সার্জনরা কালো রঙের লম্বা গাউন পরতেন যেটা কখনো ধোয়া হতো না। ধুলাবালি ও রক্তে ভরা এই পোশাক তাঁদের পেশার চিহ্ন ছিল। মনে করা হতো, যার গাউন যত বেশি ময়লা ও পুরাতন, তিনি তত বেশি অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী। ফলস্বরূপ, ৯৫% রোগী গ্যাংগ্রিন হয়ে মারা যেত। (যদিও কেউই বুঝতে পারতো না এই মৃত্যুর কারণ কী)। মৃত্যুর ব্যপারটাকে সবাই খুব সহজভাবে নিত। কথিত আছে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়া সৈনিকের চেয়েও অপারেশন টেবিলে শোয়ানো রোগীর জীবনের ঝুঁকি অনেক বেশি বলে মনে করা হতো।

মাত্র দেড়শো বছর আগেও পেটের (এবডোমিনাল) অপারেশনে মৃত্যুর হার ছিল শতকরা ৯৯% । যদিও আজ এরকম অপারেশনে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু তখনকার দিনে প্রচলিত ছিল যে, পেটের ক্ষত খুবই মারাত্মক! এক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটলে চিন্তা করার কিছু নেই, বেঁচে গেলেই বরং সেটা বিস্ময়কর!

মানুষের এই অসহায় মৃত্যু দেখে অনেক সার্জনই মনে মনে দুঃখ পেতেন। কিন্তু তবুও গৎবাঁধা পদ্ধতিগুলোকেই সবাই নীরবে মেনে চলতেন। পুরাতন নিয়মগুলোকেই সম্মান করতেন, ফলে আর কোন নতুন গবেষণা চালানো হতো না। কিন্তু তাই বলে কি কখনোই কেউ গবেষণায় এগিয়ে আসেননি? এসেছিলেন। আর এসেছিলেন বলেই আজ সার্জারির ক্ষেত্রে এমন আকাশপাতাল উন্নতি সাধন সম্ভব হয়েছে!

আধুনিক সার্জারির এত সফলতা মূলত তিন ক্ষেত্রে উন্নতির জন্য-

১) বৈজ্ঞানিক উপায় অবলম্বন
২) এনেস্থেসিয়ার ব্যবহার
৩) স্টেরিলাইজেশন এবং এন্টিসেপটিকের ব্যবহার

পরের পর্বগুলোতে এক এক করে সেই আবিষ্কারের রহস্যগুলো উম্মোচিত হবে, যেগুলোর সাথে সাথেই মানুষের মৃত্যুহার জাদুবলের মত কমে গিয়েছে!

লিখেছেনঃ

আদিবা তাসনিম
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা এবং পরে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা

বিস্তারিত পড়ুন

One thought on “সার্জারির সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ পর্ব -০১”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।