ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত ফরিদপুর শহরে অবস্থিত একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে অ্যাসোসিয়েট ইন্সটিটিউশন। ৫ বছর মেয়াদি এমবিবিএস কোর্সে প্রতি বছর প্রায় ১১৩ জন ভর্তি হয় অর্থাৎ, বর্তমানে সিট সংখ্যা ১১৩।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি, যদিও ক্যাম্পাস নির্মানের কাজ শেষের পথে। এই ২৩ বছর পর্যন্ত অস্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে আসছে। অস্থায়ী ভবন ফরিপুর জেলা কার্যালয়ের (ডি.সি অফিস এবং আদালত) পাশে অবস্থিত এবং নতুন বা স্থায়ী ক্যাম্পাস ৫০০ বেড হাসপাতাল এরিয়ায় তৈরি হচ্ছে।

ইতিহাস-

১৯৭৮-৭৯ এর দিকে বাংলাদেশ সরকার চিকিৎসা শিক্ষাকে উন্নত করার জন্য কয়েকটি মেডিকেল কলেজ তৈরির পরিকল্পনা করে। তার মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ তখন প্রস্তাবনায় ছিল। কিছুদিন পরে প্রস্তাবনা বাতিল করা হয় এবং ১৯৮০-৮১ এর দিকে কার্যক্রম শুরু করার আগেই ছাত্র-ছাত্রীদের তৎকালীন চালু ৮ টি মেডিকেল কলেজে স্থানন্তর করা হয়।

দেশের স্বল্প কয়েকটি মেডিকেল কলেজ থেকে চাপ কমানোর জন্য এবং পরিপুর্ন চিকিৎসা শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৯২-৯৩ এর দিকে সরকার নতুন কয়েকটি মেডিকেল কলেজ তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। সরকার ফরিদপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, খুলনা, ও কুমিল্লায় নতুন ৫ টি মেডিকেল কলেজ তৈরির প্রতিশ্রুতি দেয়।

সেই প্রস্তাবনায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে হাসপাতালের একটি অংশে কার্যক্রম শুরু হয় এবং কিছুদিনের মধ্যেই “মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেইনিং স্কুল” (ম্যাটস) এর ভবনে কার্যক্রম স্থানান্তরিত করা হয়।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মূলত অস্থায়ী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই দূরত্বে শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রী পরিবহনের জন্য একটি বাস আছে। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। দুইটি ভিন্ন ভিন্ন ভবনে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পূর্বে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ২৫০ শয্যা ছিল, ২০১৩ সালে ৭ তলা একটি ভবনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ আরও ২৫০ শয্যা সেট মোট ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল উদ্ভোধন করা হয়।

ডিপার্টমেন্ট-

প্রি-ক্লিনিক্যাল

অ্যানাটমি

বায়োক্যামিষ্ট্রি

ফিজিওলজি

প্যারা ক্লিনিক্যাল-

কমিউনিটি মেডিসিন

ফার্মাকোলজি

প্যাথলজি

মাইক্রোবায়োলজি

ফরেনসিক মেডিসিন

ক্লিনিক্যাল-

মেডিসিন

সার্জারি

কার্ডিওলজি

পেডিএট্রিক্স

নাক কান গলা (অটোরাইনোল্যারিংগোলজি)

এনেস্থিওলজি

অপথালমোলজি

গাইনোকোলজি এন্ড অবসটেট্রিক্স

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি

রেডিওলজি

ডেন্ট্রিস্ট্রি

ব্লাড ট্রাসনফিউশন

স্কিন এন্ড ভিডি

অর্থোপেডিক্স

ইউরোলজি

রেসপাইরেটরি মেডিসিন

ফিজিক্যাল মেডিসিন

সাইকিএট্রি

অধ্যক্ষ- ডাঃ জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটো

হোষ্টেল-

ছেলেদের জন্য অস্থায়ী ক্যাম্পাসের পাশে একটি হোষ্টেল রয়েছে যা মেইন হোষ্টেল নামে পরিচিত। “ঈশান জমিদার বাড়ি” পরিমার্জিত এবং রিবিল্ড করে সামনে একটি তিন তলা ভবন এবং পরবর্তীতে পিছনে সংযুক্ত করে ৫ তলা বিশিষ্ট একটি হোষ্টেল করা হয়।

মেয়েদের জন্য হাসপাতাল সংলগ্ন স্থায়ী ক্যাম্পাসের পাশে একটি মহিলা হোষ্টেল করা হয়েছে।

ইন্টার্নী হোষ্টেলের কাজ শেষ কিন্তু এখনও শুরু হয় নি।

এছাড়াও কলেজ কমিটি থেকে নতুন আগত ছাত্র ছাত্রীদের জন্য শহরের বভিন্ন অংশে বাড়ি ভাড়া করে আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়।

ক্লাব এবং এক্টিভিটি-

সন্ধানী

মেডিসিন ক্লাব

প্রতিতী

মিউজিক ক্লাব

ডিবেট ক্লাব

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

সাম্প্রতিক পোষ্ট