মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ · ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৮
ইউএস-বাংলা মেডিকেলে কলেজ

ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ শুরু

Editorপ্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪ · ২ মিনিটে পড়ুন
ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ শুরু
লেখার আকার

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজের নতুন ও স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পাইলিং কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) নতুন ক্যাম্পাসের নির্ধারিত স্থানে আনুষ্ঠানিকভাবে পাইলিং কাজের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএস-বাংলা গ্রুপের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (MD), ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সম্মানিত অধ্যাপকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কলেজের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিটি দীর্ঘদিন ধরে ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান দাবি হিসেবে উঠে এসেছে। শিক্ষার্থীদের মতে, একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজের জন্য আধুনিক একাডেমিক অবকাঠামো, পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, হাসপাতাল, আবাসিক সুবিধা এবং নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। সর্বশেষ আলোচনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও ইউএস-বাংলা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজ পাইলিং কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তারা দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা নতুন ক্যাম্পাসের পাশাপাশি একটি আধুনিক ও মানসম্মত হাসপাতাল, শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসিক সুবিধা এবং ক্যাম্পাসের সঙ্গে সংযোগকারী রাস্তা ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, তাদের লক্ষ্য শুধু একটি নতুন ভবন পাওয়া নয়; তারা ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজকে বাংলাদেশের অন্যতম মানসম্মত ও আধুনিক বেসরকারি মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চান।

কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পূর্বে জানানো হয়েছে, নতুন ক্যাম্পাসের প্রথম ধাপের একাডেমিক কার্যক্রম ১৮ আগস্ট ২০২৭-এর মধ্যে শুরু করার লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, নির্ধারিত পরিকল্পনা ও সময়সীমা অনুযায়ী নির্মাণকাজ ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাবে।

পাইলিং কাজের সূচনাকে শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রথম দৃশ্যমান পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

শিক্ষার্থীদের ভাষায়,
“আজ শুরু হলো ভিত্তি, ইনশাআল্লাহ একদিন এখানেই দাঁড়াবে আমাদের স্বপ্নের পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস।”

ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও কাজের অগ্রগতি ইতিবাচকভাবে পর্যবেক্ষণ করার কথা জানিয়েছেন।

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যুবরণ করলেন ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, শুক্রবার, ২ জুলাই, ২০২১ আজ শুক্রবার (২ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ঃ৪০ ঘটিকায় প্ল্যাটফর্ম ঢাকা উত্তর জোনাল পরিষদের অন্তর্গত ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজের এক্টিভিস্ট মোঃ আরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বরণ করেন।( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) আজ শুক্রবার…

২ জুলাই ২০২১বিস্তারিত পড়ুন

নিরাপদ চিকিৎসা কর্মস্থল দিবস উপলক্ষ্যে ইউএস-বাংলা মেডিকেলে প্ল্যাটফর্মের ক্যাম্পেইন

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ২৭ নভেম্বর ২০২০, শুক্রবার "নিরাপদ কর্মস্থল সৃষ্টি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের অন্যতম শর্ত" এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে আগামী ৩০ নভেম্বর,২০২০ পালিত হতে যাচ্ছে "নিরাপদ চিকিৎসক কর্মস্থল দিবস"। এবারে, চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মস্থল দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল…

২৭ নভেম্বর ২০২০বিস্তারিত পড়ুন

কলেরা, মেনিনজাইটিস ও প্লেগের সর্বশেষ বৈশ্বিক প্রবণতা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্ল্যাটফর্ম প্রতিবেদক: এস এম এম মুসাব্বির উদ্দিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে প্রতিবেদন করা কলেরা আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। সর্বশেষ Weekly Epidemiological Record-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫…

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

১টি মন্তব্য

  1. A practical detail that is often overlooked is verification: text that looks empty can behave differently across editors, forms, and messaging platforms. Invisible Text helps make that distinction clearer by letting people copy a character, create blank text to a specific length, and test it before using it elsewhere. That is especially useful when a layout, validation rule, or paste target treats whitespace and nonprinting characters differently.

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।