মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬৮ কার্তিক ১৪৩৩ · ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
নিউজ

স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৭ পেলেন বাংলাদেশের গাইনী অবসের জীবন্ত কিংবদন্তী ডা. টি এ চৌধুরী

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০১৭, ১২:০১ · ২ মিনিটে পড়ুন
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৭ পেলেন বাংলাদেশের গাইনী অবসের জীবন্ত কিংবদন্তী ডা. টি এ চৌধুরী
লেখার আকার

স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৭তে ভূষিত হয়েছেন ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁদের হাতে পদক তুলে দেন। মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য, সংস্কৃতি, উন্নয়নসহ জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করা হয়। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে তিন লাখ টাকার চেক, ১৮ ক্যারেট সোনার একটি পদক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য এবার রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মানের স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী।

TMPSNAPSHOT1490463552553
ডাঃ তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী (জন্ম: ১০ অক্টোবর, ১৯৩৭) হলেন একজন বাংলাদেশী চিকিৎসক, যিনি ডাঃ টিএ চৌধুরী নামে অধিক পরিচিত। তিনি ইন্সটিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন এ্যান্ড রিসার্চ এর পরিচালক ছিলেন। ২০১৭ সালে চৌধুরী চিকিৎসা শাস্ত্রের গাইনোকোলজী এবং অবসটেট্রিক্সের অন্যান্য অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কারে ভুষিত হন।

তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী ১৯৩৭ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬০ ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন এবং অনার্স মার্কসহ প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরে তিনি লাহোরের কিং এডওয়ার্ড কলেজে এফআরসিএস পড়ার জন্য ভর্তি হন। প্রথম বর্ষ পড়ার পর সরকারি বৃত্তি নিয়ে ইংল্যান্ডের রয়েল কলেজ অব সার্জনস অব এডিনবার্গ যান এবং সেখানে থেকে এফআরসিএস সম্পন্ন করেন। তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী ১৯৬৫ সালে রয়েল কলেজ অব অবসটেট্রিশিয়ান এ্যান্ড গাইনোকোলজিস্ট থেকে এমআরসিওজি পাশ করেন।

তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী দেশে ফিরে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। সেখানে তিনি ৬ বছর ছিলেন। এরপর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে বদলি হন। ১৯৮০ দশকে চৌধুরী তৎকালীন ইন্সটিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন এ্যান্ড রিসার্চ (IPGMR) যোগদেন এবং ১৯৮৭ সালে এর পরিচালক হিসাবে নিয়োগ পান। ১৯৯৪ সালে তিনি সরকারি চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি বারডেম হাসপাতালে অবস. এ্যান্ড গাইনোকোলজী বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চৌধুরী অবস. এ্যান্ড গাইনোকোলজী সোসাইটি বাংলাদেশে’র প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ও পরবর্তীতে সভাপতি দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও তিনি এশিয়া এ্যান্ড ওশেনিয়া ফেডারেশন অব অবস. এ্যান্ড গাইনোকোলজী’র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ‘সাউথ এশিয়া ফেডারেশন অব অবস. এ্যান্ড গাইনোকোলজী’র প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ছাত্র জীবনে চৌধুরী এমবিবিএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করায় এটিসিও গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন। নেপালে স্নাতকোত্তর চিকিৎসক বৃদ্ধিতে কাজ করায় নেপালের রাজা তাকে সে দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার গোর্খা দক্ষিণ বাহু গোল্ড মেডেল প্রদান করে।

[ তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া ]
সংবাদদাতা: বনফুল

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

ভোলায় অবহেলায় রোগী মৃত্যু অভিযোগে চিকিৎসককে মারধর

শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫ ভোলায় অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে চিকিৎসককে মারধর করার ঘটনা ঘটেছে। আজ (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে। এসময় প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি দল চিকিৎসককে মারধর করেন। পরবর্তীতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা…

১১ এপ্রিল ২০২৫বিস্তারিত পড়ুন

২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে মার্কিন কোম্পানি

বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫ দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে মার্কিন কোম্পানি বাংলা ইউএস এলএলসি। আগামি ২০২৬ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের এ হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকায় চারদিনের বিনিয়োগ সম্মেলনে বাংলা ইউএস এলএলসি-এর প্রধান…

১০ এপ্রিল ২০২৫বিস্তারিত পড়ুন

চিকিৎসকের সহায়তায় স্পিডবোটেই সন্তান প্রসব

বুধবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৫ গতকাল মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে স্পিডবোটে যাত্রা করা এক প্রসূতি স্পিডবোটেই সন্তান প্রসব করেন। কাকতালীয়ভাবে স্পিডবোটে এক চিকিৎসক থাকায় প্রসূতিকে কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পেকুয়ার মগনামা ঘাটের…

৯ এপ্রিল ২০২৫বিস্তারিত পড়ুন

১৯টি মন্তব্য

  1. অফ টপিক, আমার শ্বশুরমশাই ও পেয়েছেন এবার, মুক্তিযুদ্ধকালীন তার অসামান্য অবদানের জন্য। তিনি, আশরাফুল আলম।

  2. অবাক হলাম, কোন কশাই আবার স্বাধীনতা পুরষ্কার পায় কি করে ? (মাপ করবেন স্যার, পেশা এবং সহকর্মীদের প্রতি সহমর্মিতা থাকলে এটা আপনার প্রত্যাক্ষান করা উচিত ছিল l )

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।