মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

বেসিক সাবজেক্টে উচ্চশিক্ষা

আমেরিকায় বেসিক সায়েন্স পিএইচডি অতি মাত্রায় কম্পিটিটিভ। তার চেয়ে-ও বড় সমস্যা, আমেরিকায় পিএইচডি তে যারা আসে, বেশিরভাগ কিছু ল্যাব টেকনিক জানে। ভারত বা চীন এর মত দেশ ছাত্রদের এসব টেকনিক শেখায়। আমাদের মেডিক্যাল স্কুল গুলি না শেখানোতে আমরা কিছুটা পিছিয়ে পড়ি। আমাদের মেডিক্যাল কলেজ এর ছেলেমেয়েরা সরাসরি আমেরিকায় পিএইচডি আবেদন করলে (বেসিক সায়েন্সে) সুযোগ পাবার সম্ভাবনা খুব কম। এটা তাদের মেধার কারণে নয়, স্কিল এর কারণে। অন্যদিকে, আমেরিকায় মাস্টার্স লেভেল এ স্কলারশিপ খুব কম। টিউশন ভয়াবহ রকম বেশি। আপনি বেশ ধনীর সন্তান হলে সেলফ ফান্ড এ মাস্টার্স পড়তে পারেন। কানাডা তে মাস্টার্স ফান্ড পাওয়া যায়। কিন্তু সেখানে প্রতিযোগিতা আমেরিকান পিএইচডি এর চেয়ে কম না। এর চেয়ে বড় সমস্যা, কানাডিয়ানরা একটু গাধা ধরণের। তারা আলু আর মূলার মধ্যে পার্থক্য কম ধরতে পারে। বিদেশী স্টুডেন্ট নেবার ক্ষেত্রে তারা তাদের ট্রান্সক্রিপট অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারে না। (আমাকে এক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি জিজ্ঞেস করছিল তোমার ট্রান্সক্রিপট এত ছোট কেন) । আমেরিকা ট্রান্সক্রিপট মূল্যায়নে WES এর সাহায্য নেয়। কানাডা তা- ও নিতে চায় না। ফলে স্কলারশিপ সহ এই দেশ গুলিতে সরাসরি পড়তে আসা মেডিক্যাল স্টুডেন্ট দের জন্য একটু কঠিন।
আমেরিকা মেধা পাচারের ব্যাবসা করে মূলতঃ সায়েন্সে সবাইকে টপকে যায়। জার্মানির মত দেশগুলি একটু পরে হলেও বুঝেছে, আমেরিকার মত দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে তাদের মেধা লাগবে। মেধাবী মানুষ অপ্রচলিত জার্মান ভাষা শিখবেনা। জার্মানির অনেক ইউনিভার্সিটি এখন ইংরেজি ভাষায় পড়ার ব্যাবস্থা করেছে। http://www.uni-assist.de/uni-assist-members.html এ জার্মানির ইউনিভার্সিটি গুলির লিস্ট আছে, যেখান থেকে জানা যাবে, কোন ইউনিভার্সিটি ইংরেজিতে পড়ায়। জার্মানির খুব বড় একটা সুবিধা আছে। তাদের ইউনিভার্সিটি গুলির টিউশন অনেক ক্ষেত্রে খুব কম। কিছু ক্ষেত্রে শূন্য। এটা বড় সুবিধা বলে আমি মনে করি। বিশেষ করে, যাদের (মেডিক্যাল কলেজের প্রায় সব ছাত্র) ল্যাব এক্সপিরিয়েন্স কম/নেই, তাদের ক্ষেত্রে এরকম বিনি পয়সার দেশে মাস্টার্স করে পরে পিএইচডি এর জন্য আমেরিকায় প্রতিযোগিতা করা একটা পদ্ধতি হতে পারে। একটা উদাহরণ দেই, আমি নিজে Norwegian Institute of Science and Technology তে সুযোগ পেয়েছিলাম। (যাইনি দুটো কারণে, আমাকে ১৩ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্কে রাখতে হত থাকা খাওয়ার খরচ হিসেবে। আর আমার USMLE দেয়া, নন ইংলিশ স্পিকিং কান্ট্রি-তে যেতে আমার আগ্রহ কম ছিল।) এখন যে আজকে এমবিবিএস পাস করল, তার জন্য এগুলো ভাল অপশন হতে পারে। বেসিক সায়েন্স এর ABC এসব জায়গায় শিখে পিএইচডি আমেরিকায় করা; রেডিমেড জিনিস আমেরিকানরা খুব খায়। তাতে মাস্টার্স এর টিউশন দিতে হল না (আমেরিকায় এর পরিমাণ ৫০ হাজার ডলার) । Norwegian Institute of Science and Technology থেকে গত বছর মেডিসিনে নোবেল পেয়েছে। সুতরাং, মান কিন্তু ভাল। খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম, নরওয়েতে কাজ করে থাকা খাওয়ার খরচ মেটানো সহজেই সম্ভব (এ বিষয় আমার খুব ভাল জানা নয়)। তার মানে দাঁড়াচ্ছে কেউ যদি এসব প্রতিষ্ঠানে যায়, সে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারে মোটামুটি কম বা শূন্য খরচে। http://www.mastersportal.eu/ এ ধরণের তথ্য পাওয়া যায়। Germany, Belgium, Finnland, Norway, France এসব জায়গায় ছড়ানো- ছিটানো কিছু সুযোগ এর খবর।
আমার শিক্ষক জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলতেন, উপায় নেই কথাটা বলবেনা। আমার একটা পরামর্শ হল, উপায় বের করার ক্ষেত্রে খুব খোলা মন নিয়ে কাজ করা। ইউরোপের অর্থনীতি অনেক ছোট। সুযোগ অনেক কম। তবে, প্রতিযোগিতা তার চেয়ে-ও কম হওয়াতে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেকে তৈরি করে আরও বড় ক্ষেত্রে যাওয়া যেতে পারে।

উল্লেখ্য এটা শুধুমাত্র বেসিক সায়েন্স পাগল বোকা লোকদের জন্য। ক্লিনিক্যাল বা পাবলিক হেলথ এর লোকজনের জন্য নয়!

www.uni-assist.de/uni-assist-members.html

মূল লেখা:মুহাম্মদ তাইফুর

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা এবং পরে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা

বিস্তারিত পড়ুন
🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।