মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬৫ কার্তিক ১৪৩৩ · ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
World Health Organization

বিউবনিক প্লেগঃ উচ্চ ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২০, ৫:৩৫ · ২ মিনিটে পড়ুন
বিউবনিক প্লেগঃ উচ্চ ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
লেখার আকার

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ১১ জুলাই, ২০২০, শনিবার

সম্প্রতি চীনের উত্তরের মঙ্গোলিয়া অঞ্চলে এক পশুপালক ব্যক্তির দেহে প্রাচীন বিউবনিক প্লেগ দেখা গিয়েছে। তবে  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, তারা আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে রোগটি পর্যবেক্ষণ করছে; এ থেকে উচ্চ ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই এবং রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

বিউবনিক প্লেগ কি?
‌ Xenopsylla cheopis ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট বিউবনিক প্লেগ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক মহামারীর জন্য দায়ী। মধ্যযুগের শেষদিকে (১৩৪০-১৪০০) ইউরোপে এ ভয়ঙ্কর রোগের প্রাদুর্ভাব হয়। ১৩৪৭ সালে কুখ্যাত বিউবনিক প্লেগের মহামারী হয়, যা প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোকের প্রাণহানি ঘটায়। ইতিহাসে এটি ব্ল্যাক ডেথ নামে পরিচিত। ১৬৬৫ সালে এ মহামারী চলাকালীন সময়ে লন্ডনের জনসংখ্যার প্রায় পঞ্চমাংশ এবং চীন ও ভারতে ১৯ শতকের সময়ে ১২ মিলিয়নেরও বেশি লোক মারা যায়।

বিউবনিক প্লেগ এক সময় বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রোগ ছিল, তবে এখন সহজেই অ্যান্টিবায়োটিক এর মাধ্যমে চিকিৎসা করা সম্ভব। চিকিৎসা না করা অবস্থায়, রোগটি সাধারণত অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হয়। এ রোগে মৃত্যুর হার ৩০-৬০%।

প্লেগের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • উচ্চ জ্বর,
  • ঠান্ডা লাগা,
  • বমি বমি ভাব,
  • দুর্বলতা এবং
  • ঘাড়, বগল বা কুঁচকি এর লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস বলেন,

“বিউবনিক প্লেগ বহু শতাব্দী ধরে আমাদের সাথে ছিল এবং সর্বদা আমাদের সাথে রয়েছে। চীনের ঘটনাটিকে এই মুহুর্তে আমরা উচ্চ ঝুঁকি বিবেচনা করছি না। তবে আমরা এটি সাবধানতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছি।”

বিউবনিক প্লেগ সাধারণত বিরল একটি রোগ, তবে সময়ে সময়ে এই রোগের কয়েকটি ঘটনা রয়েছে। ২০১৭ সালে, মাদাগাস্কারে ৩০০ টিরও বেশি কেস দেখা যায়। মেডিকেল জার্নাল দ্য ল্যানসেটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এ সময় ৩০ জনেরও কম লোক মারা গিয়েছিল।

গত বছরের মে মাসে মঙ্গোলিয়ায় এ রোগে দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল, ইঁদুরের কাঁচা মাংস খাওয়ার কারণে।

স্ট্যানফোর্ড হেলথ কেয়ারের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শান্তি কপ্পগোদা নিউজ সাইট হিথলাইনকে জানান,

“পরিস্থিতি বর্তমানে ১৪ শতাব্দীর মত নয়, এখন আমাদের এটি সম্পর্কে ধারণা রয়েছে। আমরা জানি কীভাবে রোগটি প্রতিরোধ করা যায়। তাই, মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।”

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ

ট্যাগ:plagueWHOপ্লেগ
খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

কলেরা, মেনিনজাইটিস ও প্লেগের সর্বশেষ বৈশ্বিক প্রবণতা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্ল্যাটফর্ম প্রতিবেদক: এস এম এম মুসাব্বির উদ্দিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে প্রতিবেদন করা কলেরা আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। সর্বশেষ Weekly Epidemiological Record-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫…

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

কুকুরের মাধ্যমে সংক্রমিত জলাতঙ্ক নির্মূলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেল চিলি

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম দেশ হিসেবে চিলি কুকুরের মাধ্যমে সংক্রমিত জলাতঙ্ক (Rabies) জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে নির্মূল করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এই স্বীকৃতি দেশটির ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানবদেহে কুকুর-সংক্রমিত জলাতঙ্কের কোনো…

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ ও সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা অগ্রগতিতে অংশীদারত্ব নবায়ন করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও কমনওয়েলথ সচিবালয়

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং কমনওয়েলথ সচিবালয় আজ চার বছরের জন্য তাদের সমঝোতা স্মারক (MoU) নবায়নের মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত ৫৬টি সদস্য দেশের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত…

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।