বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের করোনা “ভ্যারিয়্যান্ট” এক নয়

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২০, শুক্রবার

লেখাঃ ডা. মো. মারুফুর রহমান
ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (মেডিকেল বায়োটেকনোলজি)
এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ভুল তথ্য/মিথ্যা খবরঃ বাংলাদেশে করোনার নতুন স্ট্রেইন পাওয়া গেছে/ যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনের সাথে মিল পাওয়া গেছে/ যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইন পাওয়া গেছে।

প্রকৃত তথ্যঃ করোনাভাইরাসের এখন পর্যন্ত স্ট্রেইন/প্রকরণ একটাই। তবে এর অনেকগুলো ভ্যারিয়েন্ট/ধরন আছে যা প্রতিবার বিভিন্ন মিউটেশনের মাধ্যমে তৈরি হয়। চলমান মহামারীর করোনাভাইরাসে প্রায় প্রতিমাসে দুটি করে মিউটেশন ঘটে যা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। যতবার আলাদা মিউটেশন ঘটে ততবারই আলাদা ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হয় সে হিসেবে সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসের এখন বহু ভ্যারিয়েন্ট আছে। যুক্তরাজ্যে যে ভ্যারিয়েন্টটি পাওয়া গেছে সেটিতে ১৭টি সুনির্দিষ্ট মিউটেশন আছে। এই ১৭টির মাঝে মাত্র একটি মিউটেশনের সাথে আংশিক মিল পাওয়া গেছে বাংলাদেশের আরও ২ মাস আগের ৫টি নমুনায়। এই তথ্য দিয়ে কোনভাবেই বলা যায় না যে, বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের ধরনটি পাওয়া গেছে বা মিল আছে। আমি যদি বলি আমার চাচাতো ভাই এর চোখের মণির রঙ গাঢ় বাদামী আর আমারটা হালকা বাদামী তাই আমরা আসলে একই লোক, এটি যেমন ভুল কথা হবে তেমনি উপরের খবরটিও ভুল। একটি ভাইরাসের একটি ভ্যারিয়েন্ট আরেকটি ভ্যারিয়েন্ট এর সাথে কতটা সম্পর্কিত সেটি জানার জন্য বিজ্ঞানীরা ফাইলোজেনিক ট্রি বানান যেটি অনেকটা বংশ ধারার ছকের মত। সারাবিশ্ব থেকে প্রতিনিয়ত জমা হওয়া করোনাভাইরাসের জিনোম নিয়ে এই বংশধারা নিয়মিতভাবে বানানো হচ্ছে Nextstrain নামের ওয়েবসাইটে। সেই ওয়েবসাইট থেকেই বাংলাদেশের ২ মাস আগের ধরনটি এবং যুক্তরাজ্যের আলোচ্য ধরনটির মাঝে মিল কতটুকু সেটির ছবি নিয়েছি (ছবি-১)।

দেখা যাচ্ছে বংশগতির সম্পর্কের বিচারে বাংলাদেশের ধরনটি (যেটির সাথে যুক্তরাজ্যের মিল আছে বলে কথা হচ্ছে) তার সাথে যুক্তরাজ্যের আলোচ্য ধরনটির সম্পর্ক বহু বহু বহু দূরের। অনেকটা সে আমার পরদাদার পরদাদার পরদাদার পরদাদার পরদাদার চাচাতো ভাইয়ের ফুফাতো বোনের নানীর বড় ছেলের মেঝ শালার আপন মামার দূর সম্পর্কের চাচার………তো ভাই। সুতরাং বুঝতেই পারছেন মিলটা কোথায়! আমাদের সেই আলোচ্য ধরনটির সাথে বরং নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার কিছু নমুনার মিল আছে (ছবি-২)।

ভুল/মিথ্যা খবরঃ বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা/বিসিএসআইআর ২ মাস আগেই করোনার নতুন ধরনের/স্ট্রেইনের সন্ধান পেয়ে জানায়নি বা চুপ করে ছিলো।

প্রকৃত সত্যঃ আগেই বলেছি নতুন নতুন মিউটেশনের মাধ্যমে নতুন নতুন ধরন তৈরি হওয়া ভাইরাসের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এমন প্রত্যেকটা নতুন ধরনের সংক্রমণ ও রোগ তীব্রতা তৈরির প্রবণতা ভিন্ন না। এর মাঝে কোনো কোনোটির হয়তো ভিন্ন হতে পারে। ফলে প্রত্যেকবার জিনোম সিকোয়েন্স করে প্রত্যেকটি মিউটেশনের সম্ভাব্য ব্যাখ্যা (তাও সব সময় জানা সম্ভব না) দেবার কোন মানে নেই, সেটি তামাম দুনিয়ার বিজ্ঞানীরদের গবেষণার জন্য এমনিতেই উন্মুক্ত ডাটাবেইজে জমা দেয়া হয়। যেটি গুরুত্বপূর্ণ সেটি নিয়ে হয়তো সংবাদ সম্মেলন করা যায় যেটি বিসিএসআইআর প্রায়শই করে। তাই, ২ মাস আগে যখন তারা ৫টি নমুনাতে P681R মিউটেশনটি পায় সেটি ঘটা করে জানায়নি তবে সারাবাংলা অনলাইন পোর্টালে খবরটি এসেছিল। যুক্তরাজ্যের নতুন ধরনটির ১৭টি মিউটেশনের একটি এই একই জায়গায় ঘটেছে সেটি হলো P681H। এখন এই জায়গাটি স্পাইক প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ তাই করোনার বংশবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা বলেননি যে এই একটি মিউটেশনের কারণেই তাদের ধরনটির সংক্রমণ প্রবণতা বেশি বরং তারা ১৭টির সম্মিলিত ফলাফল নিয়েই চিন্তা করেছেন এবং এর মাঝে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন N501Y নামের মিউটেশনটির ব্যাপারে যেটি বাংলাদেশের নমুনায় নেই। বাংলাদেশের নমুনার মিউটেশনটির সাথে সংক্রমণ কম বেশি হবার সম্পর্ক আছে কিনা সেটি বিসিএসআইআর এর কাছে যে তথ্য আছে তা দিয়ে বোঝা সম্ভব না। তবে কম্পিউটেশনাল এনালাইসিস করে হয়তো কিছুটা ধারনা বের করা সম্ভব। বাংলাদেশ থেকে তিন শতাধিক জিনোম এর উপরে এ ধরনের একটি কম্পিউটেশনাল এনালাইসিস আমরা করেছি গত সেপ্টেম্বরে যেটি এই লিংকে পাওয়া যাবেঃ
shorturl.at/fsLX1
সুতরাং বিসিএসআইআর নতুন স্ট্রেইন পেয়েছে এবং কাউকে জানায়নি এটি আসলে ভুল কথা। বিসিএসআইএর বরং ধন্যবাদ প্রাপ্য যে তারা অযথা প্যানিক তৈরি করেনি। আরও একটি কারণে তাদের ধন্যবাদ প্রাপ্য, সেটি হলো-

আন্তর্জাতিক ডাটাবেইজের তথ্য অনুসারে যুক্তরাজ্য এখন পর্যন্ত ১৩৫৫৭২টি করোনাভাইরাস নমুনার জিনোম সিকয়েন্সিং করেছে যার মাঝে নতুন ধরনটিরই ৩৫৪৭টি নমুনা। তারা এই সিকয়েন্সিং ডাটার সাথে পেশেন্ট ডাটা মিলিয়ে দেখেছে নভেম্বর থেকে এই ধরনটি বাড়ছে এবং এটির সংক্রমণ প্রবণতা ৭০ শতাংশ বেশি। আমাদের দেশ থেকে এ পর্যন্ত ৪৮৯ টি করোনাভাইরাস নমুনার পূর্নাঙ্গ জিনোম সিকয়েন্সিং করা হয়েছে যার মাঝে বিসিএসআইআরই করেছে ২৮০টির, অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি। বিসিএসআইআর ছাড়াও আরও ১০টির বেশি ল্যাব সিকয়েন্সিং করেছে এর মাঝে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিডিডিআরবি, আইইডিসিআর, ডিএনএ সল্যুশন, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, বিআইটিআইডি, এনআইবি অন্যতম। সুতরাং কাজের অনুপাত বিচারে সর্বোচ্চ অবদান বিসিএসআইআর এর। এতদিন এর গুরুত্ব কেউ বোঝেনি, তাদের ধন্যবাদ দেয়নি এখন সিকয়েন্সিং এর গুরুত্ব প্রকাশিত হওয়ায় আমরা উল্টো তাদের পেছনে লেগেছি ভুলভাল নিউজ করে।

হতাশা আর আশংকার ব্যাপার হলো বাংলাদেশের সিকয়েন্সিং নমুনায় যুক্তরাজ্যের অধিক সংক্রামক ভ্যারিয়েন্টটি পাওয়া যায়নি তার মানে এই না যে সেটি বাংলাদেশে নেই বা আসবে না। এমনকি যুক্তরাজ্য থেকে না এসে সেটি অন্য জায়গা থেকেও আসতে পারে বা স্বতন্ত্রভাবে বাংলাদেশেও তৈরি হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত ইউরোপের মত আমাদের দেশে দ্বিতীয় ঢেউ এর তীব্রতা অনেক বেশি নয় যা থেকে আমরা বলতে পারি যে আমাদের দেশে অধিক সংক্রামক কোনো ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হয়েছে। আবার আমাদের মাঝে টেস্ট করার প্রতি উদাসীনতাও তৈরি হয়েছে, করোনার সাধারণ লক্ষণ (জ্বর, কাশি, গলাব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, নাকে গন্ধ না পাওয়া) প্রকাশ পেলেও বা আক্রান্ত মানুষের কাছে গেলেও অনেকে টেস্ট করাচ্ছেন না। নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হচ্ছে কিনা সেটি জানার জন্য যে পরিমাণ সিকয়েন্সিং দরকার তা বাংলাদেশে হচ্ছেনা। আমার নিজের প্রতিষ্ঠানে আমরা ৩ মাস ধরে বসে আছি, কিটের অভাবে সিকয়েন্সিং করতে না পেরে। এইসব গবেষণা খাতে বরাদ্দ অনেক অনেক কম, জটিলতা অনেক অনেক বেশি এবং সত্যিকার অর্থে এই ধরনের গবেষণায় বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে প্রশিক্ষিত জনবল নেই এমনকি এ সংক্রান্ত ডিগ্রীও প্রচলিত নেই বা থাকলেও তা বিএমডিসি অনুমোদিত নয়। ২০১০ সালের গেজেটের আলোকে সেন্টার অফ এক্সিলেন্স হিসেবে জাতীয় মেডিকেল বায়োটেকনোলজি ইনস্টিটিউট তৈরি হবার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ডিপিপিই তৈরি হয়নি নানা জটিলতায়। যাহোক, এসব সমস্যার আশা করি দ্রুত সমাধান হবে। মেডিকেল বায়োটেকনোলজি সেক্টর বাংলাদেশে বিকশিত হবে এবং তা সকলের গবেষণার জন্য উন্মুক্ত হবে এই আশা নিয়ে এখনো টিকে আছি।

সুতরাং, আতঙ্কগ্রস্ত হবেন না। তবে সচেতন হোন, লক্ষণ থাকলে বা লক্ষণযুক্ত কারও সংস্পর্শে এসে থাকলে পরীক্ষা করান, আগে আগে চিকিৎসা শুরু করলে জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তারও আগে মাস্ক পরুন ও জনসমাগম এড়িয়ে চলুন। কারণ মিউটেশনে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা যদি কমেও যায় মাস্ক বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কার্যকারিতা কমবে না। সুতরাং আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র মাস্ক।

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

World Health Organization

কলেরা, মেনিনজাইটিস ও প্লেগের সর্বশেষ বৈশ্বিক প্রবণতা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্ল্যাটফর্ম প্রতিবেদক: এস এম এম মুসাব্বির উদ্দিন বিশ্ব  স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে প্রতিবেদন করা কলেরা আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। সর্বশেষ Weekly Epidemiological Record-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে

বিস্তারিত পড়ুন
ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।