শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

ট্রিবিউট টু অল গাইনোকলজীষ্টস

গাইনী এন্ড অবসের প্রতি আমার আলাদা একটা দুর্বলতার আছে। ইন্টার্নীর সময় আমার এসিট্যান্ট রেজিস্টার ছিলেন ঢাকা মেডিকেল থেকে পাশ করা এক বড় ভাই, যিনি হাসতে হাসতে সিজার করতেন আর সারাদিন আমাদের সাথে আড্ডা দিতেন, ক্যারাম খেলতেন।
এরপর বহু বছর কেটে গেছে। আমি কখনোই গাইনোকলজিস্ট হবার চেস্টা করিনি, কিন্তু ডেলিভারীর পর বাচ্চার কান্না আর মায়ের হাসিমাখা মুখের স্মৃতি আজও আমাকে স্বপ্ন দেখায়, বাঁচতে শেখায়।

বহু সিজারিয়ান অপারেশানে এসিসট্যান্সি করেছি, উপজেলায় থাকার সময় প্রচুর ডেলিভারী করিয়েছি, সেসব কথা ভাবলে ভীষন নষ্টালজিক লাগে। কি দুরন্ত সময় ছিলো তখন, কতই না সুখী ছিলাম!!
তখন মানুষজন অনেক সম্মান দিতো, পুরুষ ডাক্তার বলে কেউ কখনো নাক সিটকায়নি। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর অপ্রতুলতায় যথাসাধ্য চেস্টা করতাম বলে ওদের কৃতজ্ঞতা উপচে পড়তো। আর এখন? রোগীর আস্থা অর্জন দূরের কথা ভালো ব্যবহার পাওয়াই দুস্কর।
আমার পরম সৌভাগ্য, আমি আমার উপজেলায় কাজ করার সময় একজন অমায়িক গাইনী সার্জন পেয়েছিলাম, সৌভাগ্য বশতঃ উনিও পুরুষ। বেশ কিছু পুরুষ গাইনোলজস্ট দেখে আমিও মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলি, মনে মনে শ্রদ্ধাবনত হই, হয়তো তাদের দলে আমিও থাকতে পারতাম।

কোন এক শুক্রবার একজন গর্ভবতী মা আমার কাছে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার জন্য আসেন। তিনি বলেন, তার এক আত্মীয় আমাকে দিয়েই আল্ট্রাসনোগ্রাফি করাতে বলেছেন। উনার আগের আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে বাচ্চার পজিশান উল্টো ছিলো ( ব্রীচ প্রেজেন্টেশান) তাই তিনি চিন্তিত।
আমি দেখেলাম, একবার, দুইবার। আমি অবাক হয়ে দেখলাম, বাচ্চার অবস্থান পুরোটাই স্বাভাবিক, মানে ব্রীচ ক্যাফালিক হয়ে গেছে। কি সৌভাগ্য! রোগীর লোকজনতো পারলে আমাকে ধন্যবাদের বন্যায় ভাসিয়ে দেয়, ব্যপারটা এমন যে, আমি যে হাত দিয়ে বাচ্চাকে উল্টো থেকে সোজা করে দিয়েছি।
যাই হোক, রোগীর এমনিয়োটিক ফ্লুইড একটু কম ছিলো, ফিটাল ডিস্ট্রেস হবার আশংকায় ওদেরকে বললাম, গাইনীর কোন কনসালটেন্ট দেখিয়ে ভর্তি হতে। আমার মনে হচ্ছিলো, হয়তো পেশেন্ট লেবারেই আছে, নরমাল ডেলিভারী হয়ে যাবে হয়তো!

একটু পর আমার এক বন্ধুর ফোন পেলাম যিনি এলাকার সমাজসেবক। তিনি ফোন করে অনুরোধ করলেন, রোগীর সব দায়িত্ব যেন আমি নেই। রোগীটা গরীব! কোন এভেইলএবল কনসালটেন্ট ওই মুহূর্তে না পেয়ে আমাকে অগত্যা দায়িত্ব নিতেই হলো।
পিভি করে দেখা গেলো পেশান্ট লেবারে। আমি মনে মনে ভাবছিলাম, ইস! যদি নরমাল ডেলিভারী হয়ে যেতো তো বন্ধুর কাছে আমার মুখটা আরেকটু উজ্জ্বল হত। যে বন্ধু নানা প্রয়োজনে আমাকে সাহায্য করে থাকে তাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এত বড় সুযোগ মিস করি কিভাবে?
পেশেন্টকে ভর্তি করে, নরমাল ডেলিভারির ট্রায়াল শুরু করালাম। এরই মাঝে ফোনে গাইনীর কনসালটেন্ট এর সাথে কথা বললাম। উনি আশ্বস্ত করলেন, ৫/৬ ঘন্টা পর কল দিলে উনাকে পাওয়া যাবে।

নরমাল ডেলিভারির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। রোগীর ব্যথাও বেড়েছে। অথচ, বাচ্চা নীচে নামছে না। এদিকে মেমব্রেইন রাপচারড, পানি নেই তেমন। মাল্টি গ্রেভিডায় এত দেরিতো হবার কথা নয়।একটু পর সবুজ ম্যাকোনিয়াম দেখে আমার ভয় হচ্ছিলো, বাচ্চাটা যদি খারাপ হয়ে যায়?
কনসালটেন্ট এর সাথে কথা বলে সিজার এর সিদ্ধান্ত নিলাম। আমার মন মানছিলো না, তাই বললাম, সিজার এর প্রস্তুতি নিতে নিতে যদি নরমাল ডেলিভারী হয়েও যেতে পারে। আমি একবার ওটিতে যাই, আবার রুমের বাইরে হাঁটি। মহিলার ভীষন কষ্ট হচ্ছে। অবস্ট্রাকটেড লেবার হয়ে গেলেই বিপদে পড়বো।

কিছুটা প্রগ্রেস দেখে গ্লাভস পরলাম। ফিটাল হেডের চারদিকে হেক্সিটেইন ক্রিম দিয়ে একটু সুইপ করে দিলাম। প্লেইন ক্যাথেটার দিয়ে ব্লাডার খালি করলাম। মনে হলো যেন, ম্যাজিক। রোগী চাপ দিতেই ফিটাল হেড একটু সামনে এলো, মনে হচ্ছে ক্রাউনিং হবে হবে। লোকাল এনেস্থেশিয়া দিয়ে রেডি হলাম, যা থাকে কপালে ইপিশিওটমী দিয়েই দেবো। একটু পর ইপিসিওটমী দিয়ে দিলাম। বাচ্চাটা আমাকে অবাক করে দিয়ে আর সামনে এগুলো না।
এখন উপায়? ইপিশিওটমী দিয়ে ফেলেছি, এখন যদি নরমাল ডেলিভারী না হয়, মান সম্মান সব যাবে! নীচে ইপিসিওটমীর কাটা আবার উপরে সিজারের কাটা, নাহ আমি ভাবতে পারছি না!
মনের কষ্টে ইপিশিওটমীর কাটা জায়গার ব্লাড মুছি, আর ভাবী আহারে, এই যাত্রা যদি বেঁচে যাই, জীবনেও আর এনভিডি করাতে আসবো না।কনসালটেন্ট ফোন দিলেন, বললাম, স্যার মনে হয় হয়ে যাবে, আপনাকে একটু পর আপডেট জানাচ্ছি।

ফোন রাখতেই, মহিলার আরেক দফা পেইন এলো। ব্যাথার সাথে চাপ দিতে বললাম, আরে এইতো চলে আসছে। হেড ডেলিভারী হতেই আমার ভীষন ভালো লাগতে শুরু করলো, একটু রোটেশানে শোল্ডার ডেলিভারী হতেই, পুরো বাচ্চা আমার হাতে। ওয়াও!!
কিন্তু একি, বাচ্চার সাথে সাথে এত্তগুলো সবুজ পানি আর ম্যাকোনিয়াম দেখে ভয় পেয়ে গেলাম। বাচ্চাকে ওয়াশ করলাম। সাকশান দিলাম। ভয়ে আছি, বাচ্চা কাঁদছে না কেন। হায়রে বাচ্চা না বাঁচলে এত কষ্ট করে লাভ কি?
পীঠে একটু প্রেশার দিলাম, অক্সিজেন দিলাম। একটু পরেই বাচ্চা কেঁদে উঠলো। আহা! কি মধুর কান্না। আমার তো ইচ্ছে করছে বাচ্চাটার সাথে আমিও কম্পিটিশান করে খুশীতে দুই দফা কেঁদে নেই। যাই হোক, যে পেইন আমাকে দিয়েছে এই বাচ্চা তার সাথে প্রতিযোগীতায় আমি জিতবো না এটাই স্বাভাবিক।
বাচ্চাটা এরপর তার উপস্থিতির প্রমান ভালো ভাবেই দিয়েছিলো। কান ঝালাপালা করে দেয়ার মত কান্না শুরু করলো। মনে হচ্ছে, এত দেরী করে পৃথিবীতে আনার জন্য উনি প্রচন্ড বিরক্ত। যাই হোক, কান্না শুনে ফেলসি, আর দরকার নাই, কুইক বাচ্চাকে রোগীর লোকের কাছে দিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখাতে বললাম।

আমার খুশী তখনো পূর্নতা পায়নি। পদে পদে যেখানে বিপদ সেখানে কি এত সহজে পার পাবো?
একটু পরে দেখলাম প্লাসেন্টা ডেলিভারী হচ্ছে না। অক্সিটোসিন দিয়েও লাভ হলো না। অগত্যা হাত দিয়ে ম্যানুয়াল রিমুভালের চেস্টাই করতে লাগলাম। কিছুক্ষন পরে প্লাসেন্টাও ডেলিভারি হলো।
মনের সুখে টেবিলে বসে, লোকাল এনেস্থেশিয়া দিয়ে যেই না ইপিশিওটমীর সেলাই শুরু করেছি, তখনই শুরু হলো ব্লিডিং। গরম পানির মপ দিয়ে চেপে ব্লিডার খুঁজে বাইট দিয়ে ইপিশিওটমী রিপেয়ার করতে পাক্কা ত্রিশ মিনিট। ততক্ষনে ঘেমে গেছি।
কনসালটেন্টকে খবর দিলাম, স্যার সিজার লাগবে না, নরমাল হয়ে গেছে! রোগীর লোকজনের সে কি আনন্দ। বাচ্চাটাই শুধু খুশী হলো না, সে কাঁদছেই।

আমার সেই বন্ধু আমাকে ফোন করে ধন্যবাদ জানালো, আমিও ধন্যবাদ জানালাম আমার ঈশ্বরকে!
কিছু অভিজ্ঞতা কখনোই ভোলা যায় না। অনেক উৎকন্ঠার পর যখন ভালো কিছু অর্জন হয়, তখন ফেলে আসা কষ্টের অনুভূতি অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। গাইনোকলজিস্টরা বোধহয় এই অনুভূতি গুলো বারবারই পেয়ে থাকেন। নরমাল কিম্বা সিজার এর দোলাচল, পিপিএইচ এর ব্লিডিং এর শংকা, ফিটাল ডিসট্রেস অথবা এসফাইক্সিয়ার ভয়! এরপরই সেসব ভয়কে জয়! দারুন চ্যালেঞ্জিং।

আমার অভিজ্ঞতা নেই বলেই সামান্য ডেলিভারিতেই আপ্লুত হই অথচ গাইনীর স্যার ম্যাডামদের কাছে এগুলো নিত্যদিনের মামুলী ঘটনা। কত কষ্ট কত পরিশ্রম উনারা করেন সেটা বোঝার শক্তি কয়জনের আছে? আমার তো টেনশানে ঘুমই আসতো না!
আমার আফসোস আমি কখনো গাইনোকলজিস্ট হতে পারবো না! হ্যাটস অফ টু অল গাইনী এন্ড অবস স্পেশালিস্ট ফর দেয়ার এন্ডলেস সাপোর্ট ইন ইমার্জেন্সী অবসট্রেটিক কেয়ার অব আওয়ার কান্ট্রি!
সব মায়েরা সুস্থ্য শিশু জন্মদিক, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে, নিরাপদে!!

লিখেছেন: ডা. মৃণাল সাহা,
স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী, বিএসএমএমইউ

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

World Health Organization

কলেরা, মেনিনজাইটিস ও প্লেগের সর্বশেষ বৈশ্বিক প্রবণতা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্ল্যাটফর্ম প্রতিবেদক: এস এম এম মুসাব্বির উদ্দিন বিশ্ব  স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে প্রতিবেদন করা কলেরা আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। সর্বশেষ Weekly Epidemiological Record-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কলেরায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে

বিস্তারিত পড়ুন
ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।