মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ · ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
COVID-19

কোন পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ!

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২০, ৬:১২ · ৩ মিনিটে পড়ুন
কোন পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ!
লেখার আকার

৬ এপ্রিল, ২০২০: বাংলাদেশে যা হওয়ার হয়ে গেছে!

এই চেইন রিএকশন থামানোর কোনো রিএক্টর বাংলাদেশের হাতে নেই।

সেক্ষেত্রে চিন্তা করা যেতে পারে, যাদের কারনে এই অতি বিপর্যয় হয়েছে, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা। যারা জানেন না ভুল কী, তাদের কে দিয়ে ভুল শুধরানোর চেষ্টা নিজের পায়ে কুড়াল মারা ছাড়া আর কিছুই না।

এই মুহূর্তে চিন্তা করা উচিৎ, কোভিড-১৯ এ যারা মারা যাবেন, তাদেরকে কিভাবে সৎকার করা হবে?

যেহেতু পাঁচশো ভেন্টিলেটর আছে সেক্ষেত্রে মরনাপন্ন রোগীকে বাঁচানোর চিন্তা পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।

এতে সময়, সংক্রমন, অর্থ, সম্পদের অপচয় ছাড়া কিছুই হবে না।

ভেন্টিলেটর মেশিন থাকলেই হবে না, সাথে দক্ষ জনবলও লাগবে। এই সংখ্যাটা অনুমিত সমস্যার তুলনায়, সাগরে পেশাব করার মতো।

সেক্ষেত্রে যে করেই হোক মরনাপন্ন রোগীকে বাসায় রাখতে হবে। এবং যারা কম মাত্রায় আক্রান্ত তাদেরকেও বাসায় রাখতে হবে।

তাহলে আমরা প্রায় নব্বই শতাংশ রোগী ম্যানেজ করতে পারবো আর বাকী দশ ভাগ রোগী যারা নিউমোনিয়ার রোগী কিন্তু ভেন্টিলেটর লাগবে না তাদেরকে হাসপাতালে এক টা ডেডিকেটেড ওয়ার্ডে কিংবা ফিল্ড হাসপাতালে ভর্তি করা যেতে পারে।

এতেও প্রায় লাখ লাখ রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকবে। তাদেরকে যদিও ভেন্টিলেটর ইন্ট্রোডাকশন এর দরকার হয়, তাহলে তাদেরকে বাসায় পাঠিয়ে দিতে হবে।

বয়সে অনেক কম তাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিন্তা করা যেতে পারে।

এবং এটা নিশ্চিত, আমরা যদি মরনাপন্ন রোগী বেশী বাঁচাতে চেস্টা করি, সেক্ষেত্রে আমরা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

তাই আমাদেরকে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিতে হবে ম্যানেজেবল সংখ্যার দিকে।শক্তি এবং শ্রম দিয়ে যদি আমরা খারাপ রোগী বেশী বাঁচাতে চেস্টা করি সেক্ষেত্রে সম্পদ লাগবে বেশী, আউটকাম হবে কম।

আরেকটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাই।আগামী সাত দিন পর মানুষকে গুলির ভয় দেখিয়েও ঘরে রাখা যাবে না। তাই এখন থেকেই চিন্তা করতে হবে স্প্রেডিং কিভাবে কমানো যায়।

সেক্ষত্রে, নারীপুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে মাস্ক দেয়া যেতে পারে। মাস্ক অবশ্যই কমিউনিটি ট্রান্সমিশন কমাবে।

তাই ‘সব ভাবে মরে’ না গিয়ে চৌদ্দ তারিখের পর বাংলাদেশ কিভাবে বাঁঁচবে তার চিন্তা এখনই করতে হবে!

সেই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে কিভাবে সচল রাখা হবে সবাই মিলে এখনই ঠিক করতে হবে।

এখন পর্যন্ত যতগুলো দেশ এ পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে তাদের সবাই বাংলাদেশের চেয়ে বেশী সক্ষম। তাই বাংলাদেশ যদি সেসব দেশ থেকে ‘খরচ বেশী হয় সে পদ্ধতিগুলো ‘ধার করে তাহলে বাংলাদেশের দেউলিয়া হওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা থাকবে না।

বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত এবং কাজ করার জায়গাগুলি নিজের সক্ষমতা এবং ক্রয়ক্ষমতা অনুযায়ী ঠিক করতে হবে। বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক, জয় বাংলা।

ডা সেলিম শাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক/ শরিফ শাহরিয়ার

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

মেডিক্যাল সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হবে এমবিএক্সে

বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ মিট বাংলাদেশ এক্সপোতে (এমবিএক্স) মেডিকেল এন্ড পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (এমপিপিই) খাতের ব্যাপক সুযোগ ও সম্ভবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন বাণিজ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা। আগামী ২৪-২৫ এপ্রিল ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হবে। ‘বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি (মেডিক্যাল…

৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫বিস্তারিত পড়ুন

ওমিক্রন: করোনা ভাইরাসের একটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার সদ্যপ্রাপ্ত করোনা ভ্যারিয়েন্টকে 'ওমিক্রন বি.১.১.৫২৯' নামকরণ করেছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন। একই সাথে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টটিকে উদ্বেগজনক বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। এই ভ্যারিয়েন্ট প্রথম শনাক্ত হয় ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং পরবর্তীতে হংকং, বেলজিয়াম, বোস্টয়ানা…

২৮ নভেম্বর ২০২১বিস্তারিত পড়ুন

৩য় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে টিকাদান কার্যক্রমে সিভিল সার্জন কার্যালয়, চট্টগ্রামের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১ বাংলাদেশে প্রথম বারের মত সুবিধা বঞ্চিত তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্যে স্পেশাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়, চট্টগ্রাম। ʼভেক্সিনেশন ফর অলʼ শিরোনামে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে…

২৩ নভেম্বর ২০২১বিস্তারিত পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।