মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬৫ কার্তিক ১৪৩৩ · ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
হেলথ টিপস

কি ভাবে আপনার শিশু ওজন বাড়াবেন

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭:০৫ · ৫ মিনিটে পড়ুন
কি ভাবে আপনার শিশু ওজন বাড়াবেন
লেখার আকার

সবাই বাচ্চার ওজন বাডাতে চায়। মোটা বাচ্চা মানেই সুস্থ , শুকনো বাচ্চা মানে অসুস্থ তা কিন্তু নয় । ওজন কমের দিকে , অন্য কোন অসুখ নেই , ঘন ঘন অসুস্থ হয় না , এ রকম বাচ্চার আসলে তেমন কোন অসুবিধা নেই । এটা অনেকসময় পরিবেশগত বা পারিবারিক । অনেক বাচ্চা কম খেয়েই ওজন ঠিকক থাকে ও নিয়মিত বাডে ।এ রকম হলে চিন্তার কিছু নেই । মা রা বলে , সবাই বলছে বাচ্চা শুকনো এগুলিতে কান দেবেন না । সুস্থ থাকলেই চলে । ফাষ্টফুডের যুগে ওজন কমানোটাই সমস্যা । একটু বড হলেই মানে টিন এজে পডলেই অনেকের ওজন বাডা শুরু হয় । একটু ধৈর্য্য ধরলেই হয় । বাচ্চার আদর মানেই কিন্তু বেশী খাওয়ানো নয় বরং যত্ন টা খাওয়ার উপর না দিয়ে তাকে কোয়ালিটি টাইম দেয়া বা তার মানসিক স্বাস্হ্যের দিকে নজর দেয়া বেশী জরুরী ।

21616368_1695350033830809_2844350666471976819_n

pedi
১. স্বাস্হ্যকর পদ্ধতিতে ওজন বাডাতে হলে , প্রথমেই ডাক্তার্র কাছে জেনে নিন , বয়স এবং উচ্চতা অনুপাতে তার ওজন ঠিক আছে কিনা , কতটুকু রেন্জে ওজন রাখতে হবে । এটা চার্ট করা আছে । ও যদি চার্টেই থাকে , তাহলে চিন্তার কিছু নেই । আর যদি সত্যিই বয়স ও উচ্চতা অনুপাতে ওজন কম থাকে তাহলে খাওয়ার দিকে নজর দিন ।
২. দিনে ৫ বার ই খাবার দেবেন । তিন টা বড খাবার সকাল, দুপুর , রাত । এবং মাঝখানে দুটা নাস্তা । এই নাস্তা চাইলে আরো দুবার দিতে পারেন ।
সকাল ৮:০০ টায় : সকালের নাস্তা
১১:০০ টায় : একটা স্ন্যাক্স
০১: ০০ টায় : দুপুরের ভাত
০৪: ০০ টায় বিকালের নাস্তা বা স্ন্যাক্স
০৬: ০০ টায় আরেকটি স্ন্যাক্স
০৯:০০ টায় রাতের খাবার

এভাবে ৩ ঘন্টা পর পর মিল টাইম সেট করতে পারেন । মাঝের সময় টুকু , কোন খাবার দিবেন না । স্ন্যাক্সগুলো বেশী পুষ্টিকর করে তৈরী করুন । নীচে কিছু পুষ্টিকর স্ন্যাকস দেয়া হল ।

৩.সকালের নাস্তা কোন ভাবেই বাদ দেবেন না । অনেক বাচ্চা সকালে খেতে পারে না । একটু দেরী করে খেতে দিন বা স্কুলে ভারী টিফিন দিন ।

৪. কি খাবার দিলে ওজন বাডবে :
এটা সবাই জানে , ডিম , দুধ , দই , মাছ , মাংস , বাদাম , ফলমুল , ইত্যাদি

৫ . কি ভাবে দেবেন :
:প্রতিদিন একটা বা দুটা ডিম দিন । এক ভাবে খেতে না চাইলে অন্য ভাবে দিন । পোচ , পুডিং , এগশেক, সিদ্ধ , পানিপোচ , মামলেট ।
:দুধ দিন দুই বেলা । খেতে না চাইলে দই , দই এর সাথে ড্রাই ফ্রুট কিসমিস , বাদাম মাশাতে পারেন । পনির দিতে পারেন ।
দুধ , ডিম , চিনি মিশিয়ে গরম করলেই এগশেক তৈরী হয় । খেতে মজা ও স্বাস্থ্যকর ।
:কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ ফল কলা দিন । খেতে না চাইলে , দুধে মিশিয়ে বানানাশেক বানিয়ে দিন । এভাবে আম , পেপে , যে কোন মৌসুমি ফল বা শেক বনিয়ে দিন।
:শুকনো ফল খেজুর , কিসমিস , বাদাম এতে ক্যলরি বেশি । সুযোগ হলেই এগুলো খেতে দিন , দই এর সাথে মিশিয়ে দিতে পারেন
:পী নাট বাটার খুব স্বাস্হ্যকর । বাসায় বানিয়ে দিন । এককাপ চানাবাদাম , আধাকাপ চিনি , এক চা চামচ ঘি । ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। হয়েগেল তৈরী । পাউরুটি বা বিস্কিটে লাগিয়ে দিন।
: ডিম দিয়ে পাস্তা , নুডুলস তৈরী করে দিন ।
: আলু ভেজে ফ্রেন্চ ফ্রাই করেদিন ।
: চিকেন বা মাছ ফিলে করে ময়দায় ডুবিয়ে হাই ক্যলরি ফ্রাই তৈরী করেদিন ।
: আলু বা দই , চা এতে ক্রিম মেশাতে পারেন,
: starchy সব্জী আলু , ফুলকপি , মিষ্টি কুমডা , মিষ্টি আলু বেশী বেশী দিন ।,
: পাউরুটি বাটার লাগিয়ে দিন ।পনির ও দিতে পারেন ।
: বুটের ডালের , মসুর ডালের , সুজির হালুয়া করতে পারেন
: প্রতিদিন বাসায় ফলের রস তৈরী করে দিন।
: প্রচুর ফলমুল খেতে দিন
: প্রচুর পানি পান করার অভ্যাস রাখুন।

৬: দিনে ৫০০ ক্যালরি খাবার এক্সট্রা দিন , এতে তার সপ্তাহে , দুসপ্তাহে ১ পাউন্ড ওজন বাডবে ।
৭: রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধদিন ।
৮: হাইপ্রোটিন , হাই কার্বোহাইড্রেট , হাই ফাইবার এবং মধ্যম মানের ফ্যাট দিন ।
৯: যা দেবেন ঘরে তৈরী করে দিন । দোকানের বার্গার , জুস , কোক ফান্টা , চিপস এসব একেবারেই দেবেন না ।
১১: খাওয়ার আগে পানি খেতে দেবেন না ,
১২: প্রতি মিলের পরেই একটা কলা বা বেনানা শেক খেতে দিন ।
১৩: প্রতিদিন অল্প অল্প করে খাওয়ার পরিমান বাডান , একসাথে বেশী দিতে গেলে ডায়রিয়া হতে পারে
১৪ : রেগুলার ব্যায়াম বা হাটার অভ্যাস রাখুন । কিন্তু এরোবিক্স করা যাবে না ।
১৫: সকালের নাস্তায় অবশ্যই একটা বানানামিল্ক শেক বানিয়ে দিন ।
১৬: খাবার সাজিয়ে দিন । বড প্লেটে একবারে বেশী করে খাবার নিন , কিছু সাজানো ছবি দেয়া হলো
১৭: ভাল ঘুম হয় যেন লক্ষ্য রাখুন ।
১৮: কিছু হাই ক্যলরি খাবার হল পনির , পুডিং , বাদাম , বাটার , ডিম , মিষ্টি আলু, পি নাট বাটার , দুধ , দই , মাংস , মাছ।
১৯:প্রতি সপ্তাহে ওজন মাপুন ও লিখে রাখুন । চার্টে চলে আসলেই , ওজন বাডানো ছেডে দিন ।
২০ : মনে রাখবেন বেশী মোটা মানেই কিন্তু সুস্থ নয়

ডা: কামরুন নাহার লুনা ,
শিশু বিশেষজ্ঞ ।

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

স্ক্যাবিস: একটি চর্মরোগ

স্ক্যাবিস (Scabies) হলো একটি সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত বিরক্তিকর চর্মরোগ, যা Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্র আকারের পরজীবী মাইটের (mite) আক্রমণে হয়। এটি একটি সংক্রামক রোগ, যা সরাসরি শারীরিক সংস্পর্শ অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কাপড়, বিছানা বা তোয়ালে থেকে ছড়াতে পারে। স্ক্যাবিস…

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫বিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশে প্রথম ৫ জন রোগীর মধ্যে রিও ভাইরাস শনাক্ত

দেশে প্রথম বারে ৫ জন রোগীর রিও ভাইরাস শনাক্ত করা গেছে। এই ভাইরাস নিশ্চিত ভাবে শনাক্ত করেছে ইনস্টিটিউট অফ এপিডেমিওলোজি ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর)। তবে তেমন কোনো জটিলতা সৃষ্টি হয় নি এবং রোগীরা নিশ্চিন্তে বাড়ি চলে গেছে। তবে আমাদের…

১০ জানুয়ারি ২০২৫বিস্তারিত পড়ুন

‘প্যারাসিটামল’ অনেক সময় পেটব্যথাজনিত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

প্যারাসিটামল একটি বহুল ব্যবহৃত ওষুধ যা মূলত জ্বর এবং মৃদু থেকে মাঝারি ব্যথা নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অ্যানালজেসিক ও অ্যান্টিপাইরেটিক ওষুধ হিসেবে পরিচিত। যদিও এটি সাধারণত নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়, তবুও অতিরিক্ত ব্যবহার বা দীর্ঘমেয়াদী সেবনে বিভিন্ন…

৫ জানুয়ারি ২০২৫বিস্তারিত পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।