মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

প্লাজমা লিকেজের ব্যাসিক কনসেপ্ট

কত পার্সেন্ট প্লাজমা লিকেজ হচ্ছে, কিভাবে বুঝবেন? 

প্লাজমা লিকেজ :
রক্ত থেকে জলীয় অংশ রক্ত নালীর বাহিরে চলে আসাকে প্লাজমা লিকেজ বলে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে ব্লাড ভেসেলের ক্যাপিলারি সমূহে
ইনফ্লামেশন হয়ে ক্যাপিলারি পারমিয়াবিলিটি বেড়ে যায়,  প্লাজমা ফ্লুইড ভেসেল থেকে বেরিয়ে চলে আসে।

একজন সুস্থ মানুষের শরীরে প্রায়  ৫ লিটার রক্ত থাকে,, তার মধ্যে প্লাজমা হচ্ছে ৫৫%,  এই প্লাজমা যদি রক্তনালী (ব্লাড ভেসেল)  থেকে বেরিয়ে  যায়, তাহলে রক্তের ভলিউম কমে যাবে, হাইপো ভলিউমিয়া হবে,  হাইপোভলিউমিয়া হলে ব্লাড প্রেশার কমে যাবে,
তথা হাইপোটেনশন হবে.  হাইপোভলিউমিয়ার কারণে হাইপোটেনশন হলে যে সব সমস্যা হতে পারে :

১.
যদি হাইপোটেনশন হয়, তাহলে কার্ডিয়াক আউটপুট কমে যাবে, তখন পারফিউশন কমে যাবে, অর্থাৎ রক্তচাপ কমে যাওয়ার কারণে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন কমে যাবে।  রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়ার কারণে হাত পায়ে পরিমিত রক্ত সঞ্চালিত হবেনা,
তাই হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাবে,  যাকে বলা হয়
cold clammy periphery. আবার কিডনিতে
হাইপোপারফিউশন হবার কারণে রেনাল ফেইলুর হতে পারে, এতে করে ইউরিন আউটপুট কমে যাবে।

২.
হাইপোটেনশন হবার কারণে যেহেতু সারা শরিরে স্বাভাবিক ভাবে রক্ত সঞ্চালিত হচ্ছেনা, এবং কিডনিতেও হাইপোপারফিউশন হচ্ছে, তাই
Renin Angiotensin Aldosterone system Active হবে,পেরিফেরাল ভাস্কুলার রেজিস্টেন্স বৃদ্ধি পাবে,
এতে করে সিস্টোলিক প্রেশার ও ডায়াস্টোলিক প্রেশারের ব্যবধান কমে আসবে।  নরমালী সিস্টোলিক প্রেশার হচ্ছে 120 mmhg আর ডায়াস্টোলিক
হচ্ছে 80 mmhg,  সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক এর ব্যবধান প্রায় 40 mmhg. এই ব্যবধান কে পালস প্রেশার বলে।।।  কিন্ত যখন হাইপোভলিউমিয়া থাকবে, এবং সাথে  পেরিফেরাল ভাস্কুলার রেসিস্টেন্স থাকবে,
তখন সিস্টোলিক আর ডায়াস্টোলিক এর ব্যবধান কমে যাবে। কারণ পেরিফেরাল ভাস্কুলার রেজিস্টেন্স এর কারণে ভেসেল সমূহ সংকুচিত হয়ে থাকবে,  তাই সিস্টোলিক প্রেশার আর ডায়াস্টোলিক প্রেশার কাছাকাছি থাকবে।  সিস্টোলিক ১০০ হলে ডায়াস্টোলিক ৮০ বা ৮৫ তে চলে আসবে,
সিস্টোলিক ৯০ হলে দেখা যাবে ডায়াস্টোলিক ৭৫ থেকে ৮০। এইটা নির্ভর করবে কি পরিমান প্লাজমা লিকেজ হয়েছে তার উপর।।

সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক এর ব্যবধান যদি ২০ এর নিচে নেমে যায়, তাহলে বুঝতে হবে পেশেন্ট Compensated  shock  এ রয়েছে। যা খুবই দ্রুত সময় ফ্লুইড দিয়ে কারেক্ট না করলে রোগী যে কোনো মুহুর্তে হাইপো ভলিউমিক শকে চলে যাবে,  এবং কার্ডিয়াক ফেইলুর হয়ে মারা যাবে।

সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক প্রেশারের ব্যবধান কমে যাওয়াকে Narrow pulse pressure বলে. যা Congestive cardiac failure এবং Hypovolemic shock এর ক্ষেত্রে দেখা দেয়।। এই অবস্থাতেও পেশেন্ট
স্বাভাবিক কথা বার্তা বলতে পারবে।।।

৩.
হাইপোভলিউমিয়ার কারণে যখন অর্গান সমূহে ব্লাড সাপ্লাই কমে যায়, তখন হার্ট চেষ্টা করবে শরিরে
স্বাভাবিক ভাবে রক্ত সঞ্চালন চালু রাখতে, তাই হার্ট খুব দ্রুত contraction হতে থাকবে,,  এতে করে হার্ট রেট বেড়ে যাবে, টাকিকার্ডিয়া দেখা দিবে।।।।

৪.
এইভাবে কিছুক্ষণ ধারাবাহিক ভাবে থাকলে অর্থাত
ন্যারো পালস প্রেশারের কয়েক ঘন্টার মধ্যে যদি ফ্লুইড ভলিউম  কারেকশন করা না হয়, তাহলে
profound Hypovolemic shock develop করবে,
পালস খুব weak হয়ে যাবে,  অথবা পালস নাও পাওয়া যেতে পারে,  প্রেশার সিস্টোলিক ৬০-৭০ এ চলে আসবে,  মাল্টি অর্গান ড্যামেজ হতে থাকবে,,  হাইপোক্সিয়া দেখা দিবে,, মেটাবলিক এসিডোসিস হবে ,  এবং কার্ডিও-রেস্পাইরেটরি এরেস্ট হয়ে পেশেন্ট মারা যাবে।

এবার আসি,  কি পরিমান প্লাজমা লস হচ্ছে তা কিভাবে বুঝবো??

প্রথমে একটি কথা মনে রাখা চাই, WHO Dengue গাইড লাইন অনুযায়ী জ্বর শুরু হবার ৪র্থ ও ৫ম দিন
প্লাজমা লিকেজ হয়ে থাকে।
সর্বোমোট ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত প্লাজমা লিকেজ হয়,  এই কারণে ৪র্থ দিন থেকে নিয়ে রিকভারি উপসর্গ  দেখার আগ পর্যন্ত সময়
কে ক্রিটিক্যাল স্টেজ বলে ।

প্লাজমা লিকেজ বোঝার জন্য যা করতে হবে :

১.
ডেঙ্গু জ্বর শুরু হবার ১-২ দিনের মধ্যে একটি CBC /PCV টেস্ট করে নিবে,  সেখানে হেমাটোক্রিট লেভেল টা ভালোভাবে দেখে নিবে।।

২.
এর পরে প্রতিদিন Repeated CBC করবে, অবশ্যই  কোনো ডেঞ্জার সাইন দেখা না দিলে ৪র্থ দিন
CBC করলেও চলবে, যাই হোক, রিপিটেড CBC/PCV  এর মধ্যে হেমাটোক্রিট লেভেল পর্যবেক্ষণ করবে,  যদি
হেমাটোক্রিট লেভেল পূর্বের রিপোর্টের  তুলনার  বেড়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে প্লাজমা লিকেজ হচ্ছে।

৩.
প্লাজমা লিকেজের ক্লিনিক্যালি নিদর্শন হচ্ছে Ascites ও Plural effusion  দেখা দিবে।।

৪.
প্লাজমা লিকেজের উপসর্গ হিসাবে পেটে ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিবে।।

৫.
প্লাজমা লিকেজের কারণে হাইপোটেনশন হবে বা ব্লাড প্রেশার কমে যাবে..ট্যাকিকার্ডিয়া ও হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাবে।।।

৬.
২০% এর বেশি প্লাজমা লিকেজ হলে Severe plasma leakage হিসাবে বিবেচনা করা হবে,  পেশেন্ট শকে চলে যেতে পারে।

কত পার্সেন্ট প্লাজমা লিকেজ হয়েছে তা কিভাবে বুঝতে পারবেন????

একটি ক্যালকুলেশনের মাধ্যমে তা বুঝতে পারেন :

মনে করুন,
আশিক মাহমুদের ডেঙ্গু জ্বর, উনি
জ্বরের ২য় দিন হেমাটোক্রিট দেখলেন ৪২%
এবং জ্বরের  ৪র্থ দিন দেখলেন, ৫৪% ,   তাহলে এখন বুঝতে হবে কত % প্লাজমা লিকেজ হয়েছে,  কারণ এইটা না বুঝলে রোগীর পর্যাপ্ত কেয়ারিং হবেনা।

হেমাটোক্রিট ৪২ % থেকে ৫৪%,  আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে ১২% প্লাজমা লস হয়ে ১২% ইউনিট  হেমাটোক্রিট বৃদ্ধি পেয়েছে তাইনা???  তবে বিষয় টা মোটেও এমন না।

আসুন হিসাব করে দেখি..
প্রথম রিপোর্টের হেমাটোক্রিট ছিলো ৪২%
অর্থাৎ ৪২% হেমাটোক্রিটের সাথে Circulation এর সব প্লাজমা সংযুক্ত ছিলো। Circulation এর পরিপূর্ণ প্লাজমা কে ১০০% হিসাবে বিবেচনা করুন.

তার মানে কি দাড়ালো,  ৪২% হেমাটোক্রিট এর সাথে আছে ১০০% প্লাজমা।

তাহলে ১% হেমাটোক্রিট এর সাথে ছিলো =
(১০০÷৪২)% = ২.৩৮% প্লাজমা।।
1% HCT =Equivalent to 2.38% প্লাজমা

আমরা জানি প্লাজমা লস হলে হেমাটোক্রিট বেড়ে যায়,
সুতরাং ১% হেমাটোক্রিট বেড়ে যাওয়ার মানে হচ্ছে
২.৩৮% প্লাজমা লস হওয়া।।।
অর্থাৎ উপরে উল্যেখিত ব্যক্তির শরিরে ২.৩৮% প্লাজমা
লস হলে ১% করে হেমাটোক্রিট বাড়বে.

আমরা দেখতে পেয়েছি, উপরে উল্যেখিত ব্যক্তির হেমাটোক্রিট বেড়েছে,  ৫৪-৪২=১২%  ইউনিট
তাহলে তার মোট প্লাজমা লস হয়েছে
১২*২.৩৮=  ২৮.৫৭%.

আমরা জানি ২০% প্লাজমা লস হলেই পেশেন্ট severe dengue stage এ চলে যায়।।

তাই হেমাটোক্রিটের দিকে সর্বোচ্ছ দৃষ্টি রাখতে হবে।
প্রথম হেমাটোক্রিট লেভেলের সাথে সব সময় ২য়
হেমাটোক্রিট লেভেলের তুলনা করে কত পার্সেন্টে( %) প্লাজমা লস হচ্ছে তা বের করে নিবে। আর প্লাজমা লিকেজ শুরু হলেই রোগীকে হসপিটালে ভর্তি করিয়ে
ফ্লুইড ম্যানেজমেন্ট দিয়ে ব্লাড ভলিউম কারেকশন করবে,  প্রেশার নরমাল লেভেলে আনবে।

প্লাজমা লিকেজ হিসাব করার জন্য  উপরের নিয়ম
ফলো করবে,,
( ১০০ ÷ প্রথম দিনের HCT)=
যেই ফলাফল আসবে তা হচ্ছে ১% ইউনিট  হেমাটোক্রিট বৃদ্ধির সাথে প্লাজমা লিকেজের পার্সেন্টেজ।।

এবার নিজে সমাধান করুন,

শাফিয়া বেগমের প্রথম  HCT =37%
২য় HCT = 44.4.
তাহলে ওনার প্লাজমা লিকেজের পরিমান কত???

মূল লেখক
Ismail Azhari
DCMC :13-14

platform feature writer
Sumaiya Nargis
STAMC
Session :2016/17

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা এবং পরে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।