স্মরণের আবরণে মরণেরে সযতনে রাখিব ঢাকি
অধ্যাপক ডা. মনছুর খলীল, বাংলাদেশের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র, তার অকাল প্রয়াণে দেশ ও জাতি যে কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হল- তা ভাষায় প্রকাশ করা বাতুলতা মাত্র। মনছুর খলীল আর আমার ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রভাষক হিসেবে এনাটমির ভুবনে প্রবেশ, পরবর্তীতে আমরা পোস্টগ্রাজুয়েশনেও কোর্সমেট ছিলাম। কিন্তু সেটা বড় কথা না, তিনি ছিলেন আমার কাছে একজন দারুন শ্রদ্ধার মানুষ। এমন একজন মানুষ যে তাঁর ব্যক্তিসত্ত্বাকে ছাপিয়ে মনুষত্যের গণ্ডিকে পেরিয়ে যায় …… মানবতাকে উদ্ভাসিত করে সমহিমায়। উত্তর প্রজন্মের কাছে মনছুর কি তবে হারিয়ে যাবে? আমি চাই না সেটা হোক। আসুন আমরা মনছুর খলীলকে হারিয়ে যেতে না দেই। আমি সবাইকে তাঁর উপর লেখা, তাঁর ছবি, তাকে নিয়ে স্মৃতিকথা ইমেইলে ([email protected] ; [email protected] ) অধ্যাপক সানজিদা শাহরিয়া, বিভাগীয় প্রধান এনাটমি, মার্কস মেডিকেল কলেজ বরাবর জমা দিতে আহ্বান জানাচ্ছি (যদি প্রকাশে আপত্তি না থাকে)।
অধ্যাপক শামীম আরা, বিভাগীয় প্রধান এনাটমি, ঢাকা কলেজ।
(শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের সকল শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে, কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে, কলেজের হোস্টেলের নাম স্যারের নামে করা হোক, স্যারের নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন এবং সেখানে স্যারের জীবনী থাকবে, অধ্যাপক ডাঃ মনছুর খলীল স্মৃতি তহবিল চালু করা, কলেজের লাইব্রেরিটির, কলেজের সামনের প্রধান সড়কের নামকরণ করা হোক। ইতিমধ্যে কলেজে সাতদিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে, আগামী বুধবার দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হবে। সকলকে স্যারের জন্য দোয়া করতে এবং শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগামী মঙ্গলবার দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে।)
(প্ল্যাটফর্মের ওয়েব সাইটে আমরা কোন বিজ্ঞাপন নেই না, যদি আপনার ব্রাউসারে কোন এড দেখা যায় দয়া করে এডব্লকার এড অন/এক্সটেনশন ব্যবহার করতে অনুরোধ করছি)
সংশোধনীঃমিলাদ মাহফিল মঙ্গলবারে।বুধবার না। 🙂