প্রথম আলোর ফটো সাংবাদিক জিয়াকে বাঁচানোর জন্য মস্তিষ্কের সবচেয়ে জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ neurosurgery ( মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার ) টা বাংলাদেশেই হয়েছে । মস্তিষ্কের ঐ ক্রিটিক্যাল অপারেশনটা বাংলাদেশে যদি সঠিক সময়ে না হতো এবং ব্যর্থ হতো , তাহলে জিয়া সাহেবকে বাঁচানো আর কোনো ভাবেই সম্ভব ছিলো না ।
অপারেশন শতভাগ সফল হওয়া মাত্রই রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হলো ।এত বড় একটা সফল অস্ত্রোপচার এর সাফল্য বাংলাদেশের এপোলো হাসপাতালের নিউরো সার্জিক্যাল টিম এবং কর্তৃপক্ষকে না দেওয়া বিবেক বর্জিত কাজ । সেই কাজটিই খুব সুন্দরভাবে করে দেখালেন তারা এবং প্রমাণ করলেন –
‘ হ্যাঁ ! আমরাই বাংলাদেশের সাংবাদিক । ‘
সিঙ্গাপুরে জিয়া সাহেবের মাথায় আর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়েছে ? হয়নি । অর্থাৎ বাংলাদেশে করা ক্রিটিক্যাল নিউরো সার্জারি টা শতভাগ সফল ।
Ventilator associated pneumonia ( VAP ) দাবী করতে 48 থেকে 72 hours সময় লাগে । রোগীতো এত সময় বাংলাদেশে ছিলই না।
কতগুলো প্রশ্ন করছি, দেখুন-
দূর্ঘটনা স্থলের ধুলোবালি থেকে ফুসফুসের সংক্রমণ হতে পারে না ?
যারা ঘটনাস্থল থেকে আহত সাংবাদিক কে এম্বুলেন্সে তুলেছিলেন তারা কতোটুকু জীবাণুমুক্ত ছিলেন ?
একের পর এক ভিজিটর যে দেখতে এসেছিল,তাদের কাছ থেকে জীবাণু ছড়াতে পারেনা ?
আর জানেন কি? craniotomy অপারেশনের নিয়ম ই হচ্ছে মাথার খুলি খুলে রাখা , যত্ন করে তা সংরক্ষণ করা ।পরবর্তীতে আবার মাথায় প্রতিস্থাপন করা । এতো জ্ঞানের স্বল্পতা হলে তো আপনাদের সাংবাদিকতা না করাটাই উত্তম জনাব।
বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে উদ্ভট এবং বিভ্রান্তিমূলক কিছু না লিখে প্রকৃত তথ্য উত্থাপন করুন । দেশীয় চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য এই ধরনের উদ্ভট সাংবাদিকতার কি মানে ।
পরিশেষে …..
সাংবাদিক জিয়ার আরোগ্য কামনা করছি , আমার বিশ্বাস , দ্রুত সুস্থ হয়ে তিনি নিজেই বলবেন – ” আমি বাংলাদেশের প্রতি , বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি , চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রতি আস্হাশীল এবং চিরকৃতজ্ঞ । ”
লেখকঃ আসিফ সৈকত, ( Registrar – Critical care Dept , Apollo Hospitals Dhaka )
Majhkan theke shanbadik ke je ahoto ba nihoto korar darprante nie gelo, takee nie baki shanbadikder konoi matha betha nai…. thukku, matha thakle na matha batha thakbe..