মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ · ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮
COVID-19

লাইফ ইন লকডাউন, ডে সিক্সটি ফাইভ

Platformপ্রকাশ: ১১ জুন ২০২০, ১০:৪৩ · ২ মিনিটে পড়ুন
লাইফ ইন লকডাউন, ডে সিক্সটি ফাইভ
ছবি - প্রতীকী
লেখার আকার

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ১১ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার
ডা. শুভদীপ চন্দ

ইনিও চলে গেলেন। হায় রে কোভিড উনিশ!

বাবা ও মেয়ের যে রসায়ন, তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। এ দেখতে আপনাকে বিয়ের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ‘বিয়ে’ একটি বাজে অপচয় খাত ছাড়া কিছুই না। যেখানে সবকিছু মেকি, শুধু এ অংশটুকু ছাড়া।

একজন বাবা যেন ‘বাবা’ই হয় কোন মেয়ের জন্মের মধ্য দিয়ে। তার পিতৃদায় শেষ হয় না মেয়েকে বিয়ে দেয়ার আগ পর্যন্ত। মেয়ের বিয়ের পর ধর্মত তার পৃথিবীর কাজ শেষ। সে এখন বিদায় নিতে পারে। মেয়ে যেন এক ট্রফি। সে ট্রফি সারা জীবন বয়ে বেড়ায় কারো হাতে তুলে দেয়ার জন্য। এ বিয়ে নামক যুদ্ধে হারিয়ে ফেলার নাম ‘বিজয়’।

শাখ বাজছে, পেছন থেকে সবাই পুষ্পবৃষ্টি করছে, মাসী পিসিরা ডালা হাতে উলুধ্বনি দিচ্ছে, ঢাকঢোল আর বাঁশির শব্দে প্রাণ ওষ্ঠাগত; মেয়ে এগোচ্ছে ফুলে সাজানো গাড়ির দিকে। মায়েদের তবু সুবিধা আছে, কান্না করা যায়। বাবা নীরব নিস্তব্ধ। শেষবারের মতো পা ছুঁয়ে যখন মেয়ে জামাই গাড়িতে বসে তখন সব মেকআপ সব গাম্ভীর্য তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়ে। বছরের শুরুতে যেমন পানি বাষ্পীভূত হয়, ঘনীভূত হয়ে মেঘ হয়, সে মেঘ কেউ খেয়াল করে না, খেয়াল করে যখন কালবৈশাখী ঝড়ে সব কাঁপিয়ে বৃষ্টি নামে- এ সময় সেরকম!

একটি মেয়ে বাসায় আর কতটুকু জায়গা নিয়েই থাকে? তার এ চলে যাওয়া শেষ যাওয়া না। কোনো মেয়ে হঠাৎ একদিনেই বড়ও হয় না। কিন্তু বাবারা জানে- আর কোনো অহেতুক আবদার হবে না। জমবে না ঠোঁটের কোনে পাহাড় সমান অভিমান। ছোট ছোট ভুলে চোখ ফুলিয়ে কান্না করা হবে না। কেউ আর শত শত বায়না ধরবে না। কাল হয়তো সন্ধ্যাবাতি অন্যকেউ দিবে, চা টা অন্যকেউ করবে, চাদর অন্যকেউ এনে দিবে, ঔষধ খাবার কথা কেউ না কেউ মনে করিয়ে দিবে- কিন্তু তবুও সব বদলে যাবে। সবকিছু থাকবে আগের মতো, শুধু বাবার মেয়ে আর ‘ছোট্ট মেয়ে’ হয়ে থাকবে না। বড় হয়ে যাবে অনেক। পর হয়ে যাবে অনেক।

এটি শিমুল পলাশের সময়। টকটকে লাল ফুল ফুটে। এ লালের চেয়ে বেশি লাল বিবাহিত মেয়ের কপালের সিদুঁরের রঙ। অন্তত সদ্য সর্বস্বান্ত বাবার চোখে তা বটেই।

গাড়ি চলতে শুরু করেছিল। আমি দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আমাকে ইশারায় ডেকে বিবাহিত কন্যাটি আর কারো কথা বলল না। শুধু বলল ‘দাদা আমি যাচ্ছি, বাপ্পির খেয়াল রাখিস..’।

হায়রে মেয়ে জীবন! এখানে কোন কষ্টই আরেক কষ্টের সাথে তুলনীয় না।

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

মেডিক্যাল সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হবে এমবিএক্সে

বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ মিট বাংলাদেশ এক্সপোতে (এমবিএক্স) মেডিকেল এন্ড পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (এমপিপিই) খাতের ব্যাপক সুযোগ ও সম্ভবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন বাণিজ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা। আগামী ২৪-২৫ এপ্রিল ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হবে। ‘বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি (মেডিক্যাল…

৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫বিস্তারিত পড়ুন

ওমিক্রন: করোনা ভাইরাসের একটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার সদ্যপ্রাপ্ত করোনা ভ্যারিয়েন্টকে 'ওমিক্রন বি.১.১.৫২৯' নামকরণ করেছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন। একই সাথে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টটিকে উদ্বেগজনক বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। এই ভ্যারিয়েন্ট প্রথম শনাক্ত হয় ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং পরবর্তীতে হংকং, বেলজিয়াম, বোস্টয়ানা…

২৮ নভেম্বর ২০২১বিস্তারিত পড়ুন

৩য় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে টিকাদান কার্যক্রমে সিভিল সার্জন কার্যালয়, চট্টগ্রামের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১ বাংলাদেশে প্রথম বারের মত সুবিধা বঞ্চিত তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্যে স্পেশাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়, চট্টগ্রাম। ʼভেক্সিনেশন ফর অলʼ শিরোনামে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে…

২৩ নভেম্বর ২০২১বিস্তারিত পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।