মূল অংশে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন
সাবস্ক্রাইব করুন
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬২৩ কার্তিক ১৪৩৩ · ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
সম্পাদকীয়

বিশেষ সম্পাদকীয়- পর্ব ২

প্ল্যাটফর্ম কনট্রিবিউটরপ্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২০, ১২:৩৪ · ২ মিনিটে পড়ুন
বিশেষ সম্পাদকীয়- পর্ব ২
লেখার আকার

চিকিৎসকরা কিন্তু প্রণোদনা চায়নি। কেউ শর্ত দেয়নি যে এটা সেটা না দিলে কাজ করবো না। আমরা হেট স্পিচ এর জবাবে বলেছি যে ভারত সহ অন্যান্য দেশে চিকিৎসকদেরকে নানা ভাবে সমর্থন দিচ্ছে, সম্মান দিচ্ছে, থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করছে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে, ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। সরকারি হাসপাতালগুলোয় যে যন্ত্রপাতি বা পরিবেশ, তাতে সুষ্ঠু ভাবে কাজ করার কোন পরিবেশ নাই। দুর্বল, বাতিল প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি দিয়ে আমরা কাজ করি। কেননা আমরা চাইলেই কোন ভালো জিনিস পাইনা। কেনাকাটায় আমাদের কোন পরামর্শই নেয়া হয় না। সবাই এসব জানেন। কেউ কিন্তু প্রতিবাদ করেন না। তাহলে আমরা কেন কাজ করি? আমরা বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক আহবানে কাজ করি, “তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে মোকাবেলা কর।”

যা আছে তাই নিয়ে সাধারণ গরীব, খেটে খাওয়া মানুষগুলোকে চিকিৎসা দেই। যারা বড়লোক তারা তো বিদেশেই চিকিৎসা নেন। সবই দেখেছেন। ভুল করে বা কাজের বেটির চিকিৎসার জন্য অনেক সময় সরকারি হাসপাতালে এসে নাকে রুমাল দিয়ে কথা বলেন। তড়িঘড়ি করে চলে যান। শর্ত দিয়ে আমরা কাজ করি না। শর্ত দিলে এতদিন একজন ডাক্তারকেও পেতেন না। তাই বলছি আমরা বিনা শর্তেই কাজ করি। আমরা প্রণোদনা চাইনি। চাইও না। আরেকটি বিষয়, হাসপাতালে সামনের সারিতে জুনিয়র ডাক্তাররা কাজ করে। তারা ইন্টার্ন ডাক্তার, তারা পোস্ট গ্রাজুয়েট ছাত্রছাত্রী। তারা কেউই সরকারি চাকুরী করে না। তারাই কিন্তু প্রথমে সব রুগী দেখে। আমাদের আত্মজ প্রতীম আর অনুজ প্রতীম এই ছেলেমেয়েরা কোথায় থাকে, কিভাবে হাসপাতালে আসে-যায়, কী খায়, কিভাবে সংসার চালায়, কেউ খবর রাখে না। বিশ হাজার টাকার ভাতা’র কথা বলবেন তো। এ দিয়ে কয়দিন চলে সেটাও আপনারা জানেন। সংক্রামক, অসংক্রামক সব রুগী কিন্তু এরাই আগে দেখে। তারা কিন্তু উপেক্ষিত রয়ে গেছে। ভাতা বা প্রণোদনা পেলে তারাই সর্বাগ্রে পায়। ঠিক তেমনি ভাবে বেসরকারি চিকিৎসকগণ উপেক্ষিত। তারাও তো কাজ করছেন। সব রকমের রুগী দেখছেন। তারা কেন প্রণোদনা পাবেন না? ( নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে সরকারি বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা কর্মচারী যদি পান )।

আমরা যদি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন চাই তাহলে অনেক কিছুই ভাবতে হবে, অনেক কাজই করতে হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

সম্পর্কিত খবর

পিগম্যালিয়ন ইফেক্ট

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ২৮শে জুন, ২০২০, রবিবার লেখা: মঈনুল ইসলাম চট্টগ্রাম মা-ও-শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ একটা ফুটবল টিমের জন্য কিছু সদস্য বাছাই করা হলো। টিমের কোচ সদস্যদেরকে ডেকে এনে কে কেমন পারফর্ম করতে পারে তার একটা ধারণা নিজের মাথায় সেট করলেন।…

রিস্ট্রেইন করে রাখা ছবি নিয়ে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

প্ল্যাটফর্ম নিউজ, ২৬ জুন, ২০২০, শুক্রবার গত ২৪ জুন, ২০২০ রোজ বুধবার বাংলাদেশের এক স্বনামধন্য পত্রিকায় একজন রোগীকে রিস্ট্রেইন করা অর্থাৎ হাত বেঁধে রাখার ছবি দিয়ে চিকিৎসকদের নামে অপপ্রচার করা হয়। সেখানে বলা হয়, করোনায় আক্রান্ত এক রোগী হাসপাতালে ভর্তি…

করোনার দিনগুলি – ৭ | কাজটা সোজা না

৫ মে ২০২০, মঙ্গলবার ডা. সুবহে জামিল সুবাহ ইন্টার্ন, চট্টগ্রাম মা-ও-শিশু জেনারেল হাসপাতাল কাজটা সোজা না। অন্তত মানসিক চাপটুকু নেওয়াটা। যখন আপনার জন্য চিন্তায় মানুষটাকে দিন দিন অসুস্থ হয়ে যেতে দেখবেন, সহজ না পরদিন মেডিকেলটায় পা রাখা। যখন বারবার আশ্বস্ত…

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা জরুরি।

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।
নোটিফিকেশন বর্তমানে বন্ধ।