এমডি/এম এস এঁর খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন জনাব ডাঃ নিয়াজ নওশের রকি
এমডি/এম এস -১ম কিস্তি
অনেকদিন ধরেই ভাবছি লিখব কিন্তু লেখা হয়ে ওঠেনা।একটু বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করেছি।কোন ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।প্রথমেই বলি পরীক্ষা হয় বছরে ২ বার।প্রথমে এপ্রিল মাসে যেটা হয় সেটা নন রেসিডেন্সি।এই একই সাথে ডিপ্লোমা এবং এম ফিল পরীক্ষা ও হয় একই প্রশ্নে।তবে এইবার নন রেসিডেন্সি হবে কিনা এটা নিয়ে এখন নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছেনা।যদি নন রেসিডেন্সি তুলেও দেয় তবে ডিপ্লোমা ও এম ফিল থাকবে।এই পরীক্ষাতে প্রশ্ন সংখ্যা ১০০ এবং সময় ১ ঘন্টা।নভেম্বরে হয় রেসিডেন্সি পরীক্ষা।এইখানে সময় ৩ ঘন্টা এবং প্রশ্ন ২০০ টি।আপনার ইন্টার্ন শেষ হবার তারিখ থেকে কোর্স শুরুর তারিখ ১ বছর পরে এই পরীক্ষাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।পরীক্ষাতে সাধারনত ৩ সেট প্রশ্ন হয়।সেট এ তে মেডিসিন সেট বি তে সার্জারি এবং সেট সি তে ব্যাসিক।এই ২০০ প্রশ্নের ভেতর প্রায় ১৭০ প্রশ্ন একই।বাকি প্রশ্ন মেডিসিন এ মেডিসিন স্কিন সাইকি পেডি আর কিছু ব্যাসিক সার্জারি আর গাইনি সম্পর্কিত।আবার সার্জারির ক্ষেত্রে ও বাকি প্রশ্ন সার্জারি অরথো এনেস্থিসিয়া গাইনি আর কিছু ব্যাসিক মেডিসিন স্কিন সাইকি পেডি সম্পর্কিত।সেই ক্ষেত্রে কেউ যদি পেডিয়াট্রিক্স এ যেতে চান তাকে মেডিসিন এর আর যদি কেউ এনেস্থিসিয়ায় যেতে চান তাকে সার্জারির প্রস্তুতি নিতে হবে।এই বিষয়ে আরও কিছু জানার থাকলে জানাবেন উত্তর দেবার চেষ্টা করব।কেমন ভাবে প্রস্তুতি নেবেন বা কিভাবে পড়লে সহজ হবে এটা নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি লিখব বলে আশা রেখে শেষ করছি।
এম ডি/এম এস-২য় কিস্তি
আমি প্রধানত রেসিডেন্সি নিয়েই আলোচনা করব।কারন রেসিডেন্সিই সবার প্রধান লক্ষ থাকে।রেসিডেন্সিতে আপনি শেখার সুযোগ বেশি পাবেন।পাসের হার বেশি।নন গভট হলে ১০০০০ করে টাকা পাবেন(যদিও সব মেডিকেল এ দিচ্ছে কিনা জানা নেই)।আর নন রেসিডেন্সি এবার থেকে নাও থাকতে পারে।ব্যাসিকের ক্ষেত্রে নন রেসিডেন্সি ৫ বছর কিন্তু শুধু প্যাথলজি ছাড়া অন্য গুলো ৩ বছর।প্যাথলজি ৪ বছর।প্রতি বছর একটি সাবজেক্ট এ পরিক্ষা দেওয়া যায় এবং ৩ টা প্রতিষ্ঠান চয়েস দেওয়া যায়।এখন দেখে নেই কোন কোন সেট এ কোন কোন বিষয় আছে।মেডিসিন হলো এ সেট যেখানে আছে cardiology,dermatology,gastroenterology hepatology,endocrinology,haem atology,int.medicine,neonatology,nephrology, neurology,oncology,radiation oncology, medical oncology,paediatrics,paed
.gastrology,paed.nephrology,pulmonology, psychiatry,phy.medicine,rheumatology, transfusion medicine
সার্জারি হলো সেট বি যেখানে আছে anaesthetiology,critical care medicine,cardio thoracic surgery,general surgery, community ophthalmology, critical care medicine, neurosurgery, hepatobiliary surgery, gynae and obs,ophthalmology, orthopaedic surgery, otolaryngology, radiology and imaging,urology, paediatric surgery, plastic surgery,thoracic surgery,surgical oncology
সেট সি হলো ব্যাসিক যেখানে আছে anatomy,physiology, pathology, microbiology, pharmacology, virology,lab. medicine, biochemistry
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ৭ টি করে সিট।৩ টি গভট. জবধারিদের ৩ টি প্রাইভেটদের জন্য আর ১ টি BSMMU এর জন্য।আর ঘটনাটা এইখানে।আপনার পছন্দের বিষয়ের অন্য পরিক্ষারথিদের প্রাপ্ত নম্বরের উপর।আপনি হয়ত ৯০ পেয়েও চান্স পাননি আবার ৬০ পেয়েও কেউ চান্স পেয়ে গেল।তাই যাদের আগে চান্স পাওয়া দরকার এবং সাবজেক্ট নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তাদের উচিত প্রস্তুতি অনুযায়ী সাবজেক্ট পছন্দ করা।আর সবার উচিত নিজের মেধা পছন্দ আর সামর্থ্য অনুযায়ী সাবজেক্ট পছন্দ করা।
এম ডি/এম এস শেষ কিস্তি
আগের লেখাগুলো সবার জন্য হলেও এই লেখাটা সবার জন্য নয়।এই লেখাটা সেই সকল জুনিয়র,সহকর্মী বড় ভাই বোনদের জন্য যারা হয়তো কিভাবে পড়া শুরু করবেন,কতটুকু পড়বেন,কি কি পড়বেন এইগুলো বুঝছেন না তাদের জন্ন।সবার পড়ার ধরন আলাদা,সময় আলাদা।তাই এইগুলো সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।আপনার ভালো না লাগলে অথবা আপনার প্রয়োজন মনে না করলে সহজেই এটাকে এড়িয়ে চলে যান।কারন আপনি যদি সব কিছু পড়তে পারেন অথবা মেইন বই পড়তে পারেন তবে সেটা অবশ্যই ভালো হবে আমি যেটা বলছি তার চেয়ে।তবে কিছু ট্রিক্স আছে লেখার শেষে যেটা অনেক বড়ভাই,দিলিপ স্যার এবং আমার নিজের যেগুলো অবশ্যই আপনাদের কাজে লাগবে।পরিক্ষাতে ভাগ্য অনেক বড় প্রভাব ফেলে।তাই আবার ও বলছি আমি যা বলছি এটাই ধ্রুব সত্য নয় বা এটুকু পড়লেই হয়ে যাবে এমন না কিন্তু আমার বিশ্বাস এগুলো পড়লেই অনেক কিছু করা সম্ভব এবং আপনার টার্গেটে আপনি পৌছাতে পারবেন সহজেই।কেউ যদি এর চেয়ে কম পড়তে চান তাহলে ইনবক্স এ যোগা্যোগ করবেন।কারন এতো রিস্কি পড়ার বুদ্ধি দিলে পাব্লিক মার দিতে পারে।প্রথমেই বলি কি কি বই পড়বেন।দিলিপ স্যার এর নোট,ম্যাট্রিক্স গাইড,জেনেসিস এর ২০০ টপিক্স বই,আর ম্যাট্রিক্স বা জেনেসিস এর শেষ ৫ বছরের একটি বই আছে সেটা।ম্যাট্রিক্স গাইড এর কথা এই জন্য বলেছি কারন ম্যাট্রিক্স এ পুর্ববর্তী প্রশ্ন বেশী দেওয়া।মনে রাখবেন এম ডি,এম এস পরিক্ষায় প্রধানত পড়তে হবে ব্যাসিক।আপনি ব্যাসিক মেডিসিন সার্জারি যে বিষয়েই পরিক্ষা দেন না কেন ব্যাসিক এ আপনার ভালো হতেই হবে।এই কারনে প্রথমেই আপনি পড়বেন ফিজিওলজি।প্রথমে স্যার এর নোটের স্টার আর ইনফিনিটি স্টার পড়বেন।এবং একই সাথে পড়বেন ম্যাট্রিক্স এর ঐ টপিক্সটি এবং এর সাথে রিলেটেড মেডিসিন এবং সার্জারি অংশটুকু।এখান থেকে আপনি যে অংশগুলো গুরুত্বপুর্ন মনে করবেন সেটা স্যার এর নোটের পাশে টুকে রাখবেন।এরপর পরবেন ফারমাকোলজি।এরপর প্যাথোলজি,মাইক্রোবায়োলজি,বায়োকেমিষ্ট্রি এবং এনাটমি।প্রশ্ন প্রচুর রিপিট হয় তাই প্রশ্ন ভালো করে পড়তে হবে এবং যে যে টপিক্স বারবার আসছে ঐগুলো ২০০ টপিক্স বই থেকে পড়তে হবে।সাইড সাবজেক্ট যেমন স্কিন বা অর্থো বা পেডি শুধুমাত্র ম্যাট্রিক্স এ যেটুকু ঐটুকুই পড়তে হবে তবে তা অবশ্যই ব্যাখ্যা সহ।তবে যদি কোন টপিক্স দেখে মনে হয় বারবার প্রশ্ন আসছে তাহলে ঐ টপিক্সটা মেইন বই থেকে পড়ে নিতে হবে।ব্যাসিকের ক্ষেত্রে এম ডি এম এস উভয় পরিক্ষাতে একই পরিক্ষায় যে যে প্রশ্ন কমন এসেছে সেইগুলো পড়তে হবে।তবে ব্যাসিক পরিক্ষাতে সার্জারী অপেক্ষা মেডিসিন থেকে প্রশ্ন বেশি থাকে।তাই বলে ব্যাসিককে কখনো ভুলে যাবেন না।পরিক্ষার আগে আগে লাস্ট ৫ বছরের প্রশ্নগুলো ভালো করে পরুন।সব চেয়ে বেশি কমন আসবে এগুলো থেকেই।ম্যাট্রিক্স এ অনেক ভুল আছে সত্যি কিন্তু ভুল আছে ভেবে যদি না পড়েন তাহলে হবেনা।আপনি যখন পড়বেন তখন যেটা যেটা ভুল মনে হবে পেঞ্চিল দিয়ে দাগ দিয়ে রাখুন বা টপিক্সটা খুজে ঠিক করে নিন।এতে করে পড়াটা অনেকদিন মনে থাকবে।মনে রাখবেন কিছু প্রশ্ন আছে যেখানে প্রশ্নটাই ভালো করে বোঝা যায়না অথবা উত্তর কি হবে এটা এক এক বইতে এক এক রকম আছে।ঐগুলো নিয়ে বেশি সময় নষ্টের দরকার নেই।এবার বলি পরিক্ষার কিছু ট্রিক্স।মনে রাখবেন ব্যাসিক থেকে প্রশ্ন থাকবে ১৫০-১৬০।আর এটাই আপনার টার্গেট।কিছু প্রশ্ন থাকবে যা আপনার মাথার উপর থেকে যাবে যেগুলো নিয়ে আপনার ভয় পাবার কিছু নেই কারন প্রশ্নগুলো মাক্সিমাম মানুষের মাথার উপর দিয়েই যাচ্ছে ধরে নেবেন।এই মাথার উপর থেকে যাওয়া প্রশ্নগুলো হয়তো পরপর থাকতে পারে।হয়তো দেখলেন পরপর ১০ টা প্রশ্ন এমন এলো।ভয় পাবার কিছুই নেই।কারন সামনে আপনার পারা প্রশ্ন আপনার অপেক্ষাতে আছে।আপনিি এইখানে ভয় পেলে তাদের আর ধরতে পারবেন না।সময়ের দিকে খুব সাবধান থাকতে হবে।এই জন্য ২৫ টি প্রশ্নের জন্য ২১ মিনিট ধরে পরিক্ষা দিয়ে যেতে হবে তাহলে সময়ের মধ্যে সব শেষ করা সম্ভব হবে।এবার বলি কিভাবে মাথার উপর থেকে যাওয়া প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন।হয়তো এমন হলো এই প্রশ্নটা যে সম্পর্কে তার কিছুই আপনি জানেন না।তো সময় নষ্ট করার কোন দরকার নেই।সব T বাF দাগিয়ে দিন।সময় বাচবে যেটা পরবর্তীতে কোন পারা প্রশ্নে আপনি ব্যয় করতে পারবেন।মনে করুন কোন প্রশ্নের ২টাT আপনি জানেন বাকিগুলো নিশ্চিত নন তাহলে চোখ বুজে বাকিগুলোF দাগিয়ে দিন।আবার দেখা গেলো ১টিTআপননি নিশ্চিত তাহলে বাকিগুলোF দাগান।একটি প্রশ্নে যে ৫টি অপশন থাকে তার ১ টি সঠিক আর ৪টি ভুল হলেও আপনার ঐ প্রশ্নে মার্ক আসবে ০।সুতরাং কোন প্রশ্ন ছেড়ে আসা যাবেনা।আর মনে করুন আপনি কোন প্রশ্ন পড়েছিলেন কিন্তু এখন মনে নেই সঠিক ভাবে সেই ক্ষেত্রে আপনার যদি মনে হয় T এর সংখ্যা বেশি তো সেটার সবগুলো T দাগাবেন আবার যদি মনে হয় F এর সংখ্যা বেশি ত সবগুলো F দাগাবেন।কখনই মনে হবার উপর ভিত্তি করে কিছু T আবার কিছুF দাগানো উচিত নয়।এতে মার্কস কমে যায়।আপনি মডেল প্রশ্নে এই ট্রিক্স গুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন।দেখবেন নম্বর কমবে না বরং উপকারে লাগবে।যাইহোক ধৈর্য্য ধরে এতো কিছু লিখতে পারলাম আপনাদের জন্য এই জন্য আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা।সবার জন্য শুভকামনা রইলো।আমার লেখা যদি আপনাদের এতোটুকু উপকারেও আসে তো নিজেকে ধন্য মনে করবো আর আমার জন্য সবার দোয়া চাইবো।ধন্যবাদ
আপনাদের এইসব বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে ইনবক্স করবেন।আমি ইনশাল্লাহ জবাব দেবার চেষ্টা করবো এবং পরের পোষ্টে সেইগুলো সহ কিভাবে এবং কোন কোন বই পড়বেন সেটা নিয়ে লিখব।সবার দোয়া প্রার্থী।
[আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট এ জানান অথবা লেখকের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।]
ধন্যবাদ।
-প্ল্যাটফর্ম ডেস্ক
Vaiya amar eccha plastic surgery…apni bolen r 2 ta choice kivabe thik korbo…..kivabe porbo…ami govt job a achi