মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
Sponsored
▶
ADVERTISEMENT
Image • Video • Banner Demo Area
সংবাদ

দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ৫২ ভুয়া চিকিৎসক!

তাঁদের নামের পাশে এমবিবিএস, এমডি (ডক্টর অব মেডিসিন), পিএইচডি, পিজিটি, মেডিসিনসহ আরও অনেকে অনেক সংক্ষিপ্ত শব্দের এসব মিথ্যা ডিগ্রির বিবরণ প্রদান করে বনে গেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক! দেশের সংবিধানমতে, চিকিৎসাসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সেই মৌলিক অধিকারের কথা বলে দেশের এক শ্রেণির ভুয়া চিকিৎসক মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। বার বার জেল-জরিমানার পরও তাঁরা একই নামে চিকিৎসা করে যাচ্ছেন নিয়মিত। রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাইনবোর্ড লাগিয়ে চেম্বার খুলে বসেছেন তাঁরা। দেশে এমন অন্তত ৫২ জন ভুয়া চিকিৎসকের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। এসব ভুয়া চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসাসেবা না নেওয়া ও সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. বশির আহমেদ ভোরের পাতাকে জানান, ‘বিশেষজ্ঞ নামধারী ভুয়া চিকিৎসকদের কারণে দেশের চিকিৎসকদের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। এসব নামধারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ আইনে বা জামিন অযোগ্য ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি প্রদানের বিকল্প নেই। সরকার ক্লিনিকগুলোতে যথাযথ মনিটরিং করছে না। এ সুযোগে কোনো কোনো ক্লিনিকে ভুয়া ডাক্তার বসছেন। তাই কর্তৃপক্ষের উচিত দেশের চিকিৎসকদের, ক্লিনিক ও হাসপাতাগুলোতে মনিটরিং করা।’ জানা গেছে, র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চট্টগ্রামে ডা. হুমায়ুন কবীর, এমআর নিজামী, গিয়াস উদ্দিন, হারুন অর রশিদ, অসীম সেন, নেপাল দাশগুপ্ত, গোপাল মজুমদার, আর জে সাহাকে দ- দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা ছাড়া পেয়ে আবারও একই প্রতারণায় নেমেছেন। তাঁদের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে চেম্বার খুলে তাঁরা চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকা ও চট্টগ্রামে দ-িত ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তারদের স্বীকারোক্তির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর শত শত ভুয়া ডাক্তার তৈরি হয়। স্থান পরিবর্তন করে এবং কৌশলে বাণিজ্য করে আসছেন তাঁরা। তাঁদের নামের পাশে এমবিবিএস, এমডি, পিএইচডি, পিজিটি, মেডিসিন, চর্ম, শিশু প্রভৃতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডিগ্রির মিথ্যা বিবরণ লাগিয়ে প্রতারণা করা হয়। অনেকে বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা না করেও এমবিবিএস ডাক্তার হয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। ভুয়া চিকিৎসকদের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বক্তব্য, ‘আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। প্রায় সময়ই ভুয়া চিকিৎসকদের শনাক্ত করে অর্থ জরিমানা ও জেল প্রদান করে থাকি। কয়েকজন ভুয়া চিকিৎসক আছেন যাঁদের বার বার জরিমানা ও জেল দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে বেরিয়ে পুনরায় চিকিৎসা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।’ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অ্যাক্ট-২০১০ অনুযায়ী বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন না পেলে কেউ এলোপ্যাথি চিকিৎসা করতে বা ব্যবস্থাপত্র লিখতে পারেন না। যোগ্যতার সার্টিফিকেট যাচাই-বাছাই করে বিএমডিসি কর্তৃক এ রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হয়। সেজন্য স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করতে হয়। পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েও এ সংক্রান্ত বৈঠক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তালিকাভুক্ত ৫২ ভুয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক : শেখ সাহাব উদ্দিন, মো. আলী হোসেন, গোলাম কিবরিয়া, মো. নুরুন্নবী, মো. এমরান হেসেন, আকরাম হোসেন, এসএম আবদুস সবুর, মো. ওসমান গনি, দেবেশ সরকার, মজিব উল্যাহ, মোশাররফ হোসেন, আতিয়ার রহমান, হাসিনা আক্তার, এসএম সাহাবুদ্দিন, ফাতেমা সাখাওয়াত, মো. আল আমিন, এম কাওসার আহমেদ, শাহানা জামান শানু, এমএ বারেক, উজ্জ্বল কান্তি দেব, চিত্র সরকার, হুমায়ুন কবির, এমআর নিজামী, মো. গিয়াস উদ্দিন, আর জে সাহা, হারুন অর রশীদ, নেপাল দাশগুপ্ত, অসীম সেন, গোপাল মজুমদার, আবদুল মতিন, এমআর শামীম, মোহাম্মদ শামীম, মুহিতুর রহমান, আরিফ হোসাইন, এখলাসুর রহমান, মোহাম্মদ জান্নাতুল ফেরদৌস, জহুরা বেগম, মাহবুবুর রহমান, নাজনীন নাহার, ফজলুর রহমান, রাজীব শরীফ, হাফিজুর রহমান, একরামুল ইসলাম, বোরহান উদ্দিন, আমির হোসেন, রাকিবুল হোসেন, শরিফ হোসেন, শহিদ হাসান, নুরুন নেসা, কামরুল ইসলাম ও সুমন মিয়া। তাঁরা সবাই ভুয়া চিকিৎসক। বিভিন্ন সময়ে তাঁরা চিকিৎসকদের সহযোগী বা কম্পাউন্ডার কিংবা ফার্মেসিতে চাকরি করে এক পর্যায়ে নিজেদের চিকিৎসক হিসেবে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন বলে জানা যায়।
এসএসসি পাস আকরাম হোসেন : ডা. আকরাম হোসেন ২০ বছর ধরে একই ধরনের অপরাধ করছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা মাত্র এসএসসি পাস। বার বার ধরা পড়ার পরও তিনি সরকারি হাসপাতালের দালালদের সহায়তায় ভুয়া ডাক্তারের কাজ চালিয়ে যান। এই ভুয়া ডাক্তার আকরাম মিরপুরে আবারও একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একই অপরাধ শুরু করেছেন।
এমবিবিএস এবং এমডি ডিগ্রিধারী গোলাম কিবরিয়া : ভুয়া বিশেষজ্ঞ ডাক্তার গোলাম কিবরিয়া। ২০০৩ সালে ১৫ দিনের জন্য ভারতে গিয়ে কলকাতার চৌরঙ্গী রোড থেকে মাত্র ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে এমবিবিএস এবং এমডি ডিগ্রির দুটি সার্টিফিকেট কেনেন। ঢাকায় এসে পুরোদমে প্র্যাকটিস শুরু করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে দু’দফায় ধরা পড়ার পর কিবরিয়া আবারও সক্রিয় হয়েছেন।
ভুয়া ডাক্তারদের পাঁচ ধরনের ওষুধের ব্যবহার :ভুয়া এমবিবিএস চিকিৎসকরা সাধারণত পাঁচ ধরনের ওষুধ লিখে থাকেন। এগুলো খেলে যে কোনো রোগের সাময়িক উপশম হবেই। যেমন- উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ, ব্যথানাশক ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধ, গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ের ওষুধ এবং পেটের সমস্যায় ইমোটিল জাতীয় ওষুধ। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, কথায় কথায় উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দিলে তাৎক্ষণিক রোগমুক্তি হলেও শরীরের এন্টিবডি বিনষ্ট করে। সঠিক রোগ নিরূপণ না করে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। একইভাবে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধও ঝুঁকিপূর্ণ। এটি শেষ চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এটি ব্যবহারে তাৎক্ষণিক রোগের উপশম হলেও জীবনীশক্তি কমে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। ইমোটিল শরীরের নিম্নাংশের সাময়িক পেরালাইসিস বা অবস করে পাতলা পায়খানা নিঃসরণ বন্ধ করে। ফলে জীবাণু শরীরের ভেতর থেকে যায়। অনেক ক্ষেত্রে ইমোটিল সেবনে বৃহদান্ত্রের সাময়িক প্যারালাইসিস ধীরে ধীরে স্থায়ী প্যারালাইসিসে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ভুয়া চিকিৎসকদের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) রেজিস্ট্রার ডাক্তার জেডএইচ বসুনিয়া বলেন, ‘ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান সব সময় কঠোর। আমরা শিগগিরই জনসচেতনতার মাধ্যমে এসব প্রতারককে রুখতে ব্যবস্থা নেব।’

(সূত্রঃ ভোরের পাতা)

সাম্প্রতিক সংবাদ

[bd_prayer_times]

সম্পর্কিত সংবাদ

ফাইল ছবি
আন্দোলন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ করা ও নতুন পে-স্কেলের আলোকে ভাতা বৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকগণ এবং ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস (ডিএমজে)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ দাবি

বিস্তারিত পড়ুন
রোগ বিষয়ক তথ্য

বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট আমদানি বন্ধ, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি গ্লাইফোসেট নিয়ে

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াট গ্রুপের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূণ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে গ্লাইফোসেট নিয়ে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত আসি নি। চলুন আমরা জানি প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামুল্যে ৬ টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন, প্রস্তুত আরও ৪ টি

২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ২০২৬ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হস্পিটালে বিনামূল্যে ছয়টি লিভার (যকৃত) প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত এই জটিল অস্ত্রোপচার করা হবে। বছরে অন্তত ২৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম

বিস্তারিত পড়ুন
ডেঙ্গু

ঢাকা শহর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত, মানুষ সচেতন হলে ঢাকা শহর সুস্থ হবে

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা শহরে ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুম নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জমে থাকা পানিতে এডিস

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন করলো বিএমইউ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। এর মধ্য দিয়ে দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম পাতা

মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সদের ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর স্বজনদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা এবং পরে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload the CAPTCHA.

🔔 নোটিফিকেশন
নতুন খবর ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে নোটিফিকেশন চালু করুন।